জনসমর্থনে শীর্ষে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া কসবা-আখাউড়ায়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
১৭ নভেম্বর, ২০২৫, 8:09 PM
জনসমর্থনে শীর্ষে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া কসবা-আখাউড়ায়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রার্থী কবীর আহমেদ ভূঁইয়া (কসবা–আখাউড়া) আসনের রাজনীতি আজ তীব্র উত্তেজনা, ক্ষোভ ও গণজোয়ারের মুখোমুখি। বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার নাম বাদ যাওয়ার পর পুরো এলাকায় অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি অত্যন্ত স্পষ্ট-‘কসবা–আখাউড়ার মানুষ একজনকেই চায়—কবীর আহমেদ ভূঁইয়া ছাড়া অন্য কাউকে মানবে না।’
মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে হাজারো মানুষের স্রোতে কসবা শহর প্লাবিত হলে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। কাফনের কাপড় পরে অনুষ্ঠিত এই আন্দোলন ইতোমধ্যে দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লক্ষাধিক মানুষের গণমিছিল—কাব্যের মতো দৃশ্য, কিন্তু বার্তাটা কঠিন-কসবা আড়াইবাড়ী দরবার শরিফ থেকে শুরু হওয়া গণমিছিলটি ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক সমাবেশ বলে দাবি স্থানীয়দের। কেউ বলেন ১ লাখ, কেউ ১.৫ লাখ, আবার কেউ বলেন—“মানুষের মাথা দেখাই যাচ্ছিল না—এটা ছিল জনস্রোত!”
মিছিলটিতে কসবা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দলসহ সব অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর সঙ্গে সাধারণ মানুষ—শ্রমিক, দোকানি, কৃষক, রিকশাচালক, ছাত্র, প্রবীণ সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন।
মিছিল শেষে সুপার মার্কেট এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেতারা বলেন, “এই আসনের জনপ্রিয়, গ্রহণযোগ্য ও জনগণের নেতা একজনই—কবীর আহমেদ ভূঁইয়া! জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ শিখরে কেন? বিশদ কারণ তুলে ধরলেন তৃণমূল বক্তারা তার জনপ্রিয়তার কয়েকটি প্রধান কারণ বিশ্লেষণ করে বলেন, দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থাকা ‘মাঠের নেতা’
দলীয় নেতাকর্মী যখন মামলা–হামলা–গ্রেপ্তারের শিকার হন, তখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। একজন আহত যুবদল নেতার ভাষায়
“যখন সবাই দূরে সরে যায়, তখন কবীর আহমেদ এসে পাশে দাঁড়ান। এই কারণেই আমরা তাকে বুক দিয়ে আগলে রাখি।মানবিক উদ্যোগে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করেন তার ভূঁইয়া গ্লোবাল ফাউন্ডেশন—করোনাকালে রেশন,বন্যায় ঘরহারা মানুষকে সহযোগিতা,শীতবস্ত্র বিতরণ,চিকিৎসা সহায়তা,অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো
এসব কারণে মানুষের কাছে তিনি শুধু রাজনীতিক নন, একজন অভিভাবক এবং যুবসমাজের আইকন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
১৭ নভেম্বর, ২০২৫, 8:09 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রার্থী কবীর আহমেদ ভূঁইয়া (কসবা–আখাউড়া) আসনের রাজনীতি আজ তীব্র উত্তেজনা, ক্ষোভ ও গণজোয়ারের মুখোমুখি। বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার নাম বাদ যাওয়ার পর পুরো এলাকায় অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি অত্যন্ত স্পষ্ট-‘কসবা–আখাউড়ার মানুষ একজনকেই চায়—কবীর আহমেদ ভূঁইয়া ছাড়া অন্য কাউকে মানবে না।’
মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে হাজারো মানুষের স্রোতে কসবা শহর প্লাবিত হলে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। কাফনের কাপড় পরে অনুষ্ঠিত এই আন্দোলন ইতোমধ্যে দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লক্ষাধিক মানুষের গণমিছিল—কাব্যের মতো দৃশ্য, কিন্তু বার্তাটা কঠিন-কসবা আড়াইবাড়ী দরবার শরিফ থেকে শুরু হওয়া গণমিছিলটি ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক সমাবেশ বলে দাবি স্থানীয়দের। কেউ বলেন ১ লাখ, কেউ ১.৫ লাখ, আবার কেউ বলেন—“মানুষের মাথা দেখাই যাচ্ছিল না—এটা ছিল জনস্রোত!”
মিছিলটিতে কসবা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দলসহ সব অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর সঙ্গে সাধারণ মানুষ—শ্রমিক, দোকানি, কৃষক, রিকশাচালক, ছাত্র, প্রবীণ সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন।
মিছিল শেষে সুপার মার্কেট এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেতারা বলেন, “এই আসনের জনপ্রিয়, গ্রহণযোগ্য ও জনগণের নেতা একজনই—কবীর আহমেদ ভূঁইয়া! জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ শিখরে কেন? বিশদ কারণ তুলে ধরলেন তৃণমূল বক্তারা তার জনপ্রিয়তার কয়েকটি প্রধান কারণ বিশ্লেষণ করে বলেন, দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থাকা ‘মাঠের নেতা’
দলীয় নেতাকর্মী যখন মামলা–হামলা–গ্রেপ্তারের শিকার হন, তখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। একজন আহত যুবদল নেতার ভাষায়
“যখন সবাই দূরে সরে যায়, তখন কবীর আহমেদ এসে পাশে দাঁড়ান। এই কারণেই আমরা তাকে বুক দিয়ে আগলে রাখি।মানবিক উদ্যোগে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করেন তার ভূঁইয়া গ্লোবাল ফাউন্ডেশন—করোনাকালে রেশন,বন্যায় ঘরহারা মানুষকে সহযোগিতা,শীতবস্ত্র বিতরণ,চিকিৎসা সহায়তা,অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো
এসব কারণে মানুষের কাছে তিনি শুধু রাজনীতিক নন, একজন অভিভাবক এবং যুবসমাজের আইকন।