ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ ঘরে বসেই মিলবে কোম্পানির নিবন্ধন, শতভাগ অনলাইন হচ্ছে আরজেএসসি প্রাথমিক বৃত্তির নতুন হার নির্ধারণ: ট্যালেন্টপুলে ৩০০ ও সাধারণে ২২৫ টাকা, কার্যকর ৩ বছর রেকর্ড ৪৭ দিনে অনার্সের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬৫.১০% ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, ভর্তি রেকর্ড ১১৬৩ জন বড়লেখায় ৩৯ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী সেন আজমিরীগঞ্জে নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ভোটার ১৮ হাজার, রেমিট্যান্স ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ ধরমন্ডল: চিকিৎসা-বিদ্যুৎ-সড়কে চরম অবহেলা পবাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের ফাইনালে মোহনপুর

ফরিদপুরে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

#
news image

ফরিদপুরের সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে দাদী, ফুপু ও এক প্রতিবেশীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম তথ্য নিশ্চিত করেন।
 
পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবার তাকে বিয়ে না দেওয়া এবং দীর্ঘদিনের মানসিক হতাশা থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে আকাশ। তবে তার মানসিক অবস্থা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
 
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি জিজ্ঞাসাবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। স্থানীয়দের কাছ থেকেও জানা গেছে, কিছুদিন ধরে তার আচরণ অস্বাভাবিক ছিল। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিহত কাবুল হোসেন (৪৯) বাড়িতে ফিরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চা পান করতে বের হন। পথে রিয়াজুল মোল্লার সঙ্গে দেখা হলে তারা একসঙ্গে খুশির বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তারা গদাধরডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার বাড়ির সামনে পৌঁছালে ভেতর থেকে চিৎকার শুনতে পান। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ঘরে প্রবেশ করলে তারা দেখতে পান, আকাশ মোল্লা তার দাদি আমিনা বেগম (৮০) ও ফুপু রাহেলা বেগম (৫৫) কে কোদাল দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করছে।
 
এ সময় কাবুল হোসেন চিৎকার করলে আসামি তার ওপরও হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই কাবুল হোসেন, আমিনা বেগম ও রাহেলা বেগম গুরুতর জখম হয়ে মারা যান। হামলায় রিয়াজুল মোল্লা (৩৬) ও আর্জিনা বেগম (৪৫) গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই আসামি পালিয়ে যায়। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে তার বাড়ির পাশের একটি কলাবাগান থেকে হত্যাকারী আকাশ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার করা হয়, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।
এদিলে এ ঘটনায় নিহত কাবুল হোসেনের স্ত্রী কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। 
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুর প্রতিনিধি :

২৮ এপ্রিল, ২০২৬,  8:05 PM

news image

ফরিদপুরের সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে দাদী, ফুপু ও এক প্রতিবেশীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম তথ্য নিশ্চিত করেন।
 
পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবার তাকে বিয়ে না দেওয়া এবং দীর্ঘদিনের মানসিক হতাশা থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে আকাশ। তবে তার মানসিক অবস্থা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
 
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি জিজ্ঞাসাবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। স্থানীয়দের কাছ থেকেও জানা গেছে, কিছুদিন ধরে তার আচরণ অস্বাভাবিক ছিল। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিহত কাবুল হোসেন (৪৯) বাড়িতে ফিরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চা পান করতে বের হন। পথে রিয়াজুল মোল্লার সঙ্গে দেখা হলে তারা একসঙ্গে খুশির বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তারা গদাধরডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার বাড়ির সামনে পৌঁছালে ভেতর থেকে চিৎকার শুনতে পান। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ঘরে প্রবেশ করলে তারা দেখতে পান, আকাশ মোল্লা তার দাদি আমিনা বেগম (৮০) ও ফুপু রাহেলা বেগম (৫৫) কে কোদাল দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করছে।
 
এ সময় কাবুল হোসেন চিৎকার করলে আসামি তার ওপরও হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই কাবুল হোসেন, আমিনা বেগম ও রাহেলা বেগম গুরুতর জখম হয়ে মারা যান। হামলায় রিয়াজুল মোল্লা (৩৬) ও আর্জিনা বেগম (৪৫) গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই আসামি পালিয়ে যায়। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে তার বাড়ির পাশের একটি কলাবাগান থেকে হত্যাকারী আকাশ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার করা হয়, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।
এদিলে এ ঘটনায় নিহত কাবুল হোসেনের স্ত্রী কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। 
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।