নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ !
নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
২৮ এপ্রিল, ২০২৬, 4:59 PM
নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ !
“আমরা কি এই দেশের নাগরিক না?” — এক বুক হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে এমন প্রশ্নই ছুড়ে দিচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। ইউনিয়নের প্রাণস্বরূপ ‘মুক্তি বাড়ি সড়ক’ আজ সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদায় একাকার হয়ে যায়, আর থমকে দাঁড়ায় পুরো এলাকার জীবনযাত্রা।
প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সরাসরি এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় কষ্ট। চলমান কাজ এতোটাই ধীর যে, স্থানীয়দের কাছে তা এখন ‘প্রহসন’ মনে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এই দুরবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তব উন্নয়ন চোখে পড়ছে না। এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। ভোটের সময় সবাই আসে, কিন্তু এরপর আর কেউ খোঁজ নেয় না। আমরা কি মানুষ না?”
একটি ইউনিয়নের প্রধান সংযোগ সড়ক এভাবে বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকা কেবল দুঃখজনকই নয়, বরং প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা। ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা কি এতটাই মূল্যহীন? এলাকাবাসী এখন আর কোনো ফাঁকা আশ্বাস নয়, বরং দ্রুত ও টেকসই সমাধান দেখতে চায়।
নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
২৮ এপ্রিল, ২০২৬, 4:59 PM
“আমরা কি এই দেশের নাগরিক না?” — এক বুক হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে এমন প্রশ্নই ছুড়ে দিচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। ইউনিয়নের প্রাণস্বরূপ ‘মুক্তি বাড়ি সড়ক’ আজ সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদায় একাকার হয়ে যায়, আর থমকে দাঁড়ায় পুরো এলাকার জীবনযাত্রা।
প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সরাসরি এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় কষ্ট। চলমান কাজ এতোটাই ধীর যে, স্থানীয়দের কাছে তা এখন ‘প্রহসন’ মনে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এই দুরবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তব উন্নয়ন চোখে পড়ছে না। এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। ভোটের সময় সবাই আসে, কিন্তু এরপর আর কেউ খোঁজ নেয় না। আমরা কি মানুষ না?”
একটি ইউনিয়নের প্রধান সংযোগ সড়ক এভাবে বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকা কেবল দুঃখজনকই নয়, বরং প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা। ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা কি এতটাই মূল্যহীন? এলাকাবাসী এখন আর কোনো ফাঁকা আশ্বাস নয়, বরং দ্রুত ও টেকসই সমাধান দেখতে চায়।