শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ ।
এস এম শামীম আহমেদ :
২৮ এপ্রিল, ২০২৬, 7:46 PM
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ ।
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম ও তার অধিনস্থ কর্মকর্তা এস আই কাওছার, এ এস আই ইব্রাহিমকে অভিযোগক্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন ইউসুফ আলী নামে এক মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মী ।
অভিযোগকারি ইউসুফ আলী চুনারুঘাট উপজেলা, মাধবপুর গ্রামের মৃত আজমান আলী ছেলে, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ইউসুফ আলী জানান, গত ১০ মার্চ ২৬ ইং তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় চোরাই জিরা আসছে বলে জানতে পারি, শায়েস্তাগন্জ উপজেলায় পুরান বাজার ভ্যান চালক চান মিয়া বাড়িতে ৮৩ বস্তা জিরা লোড করা হচ্ছে , সেই সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে আমি সেখানে যাই, ভিডিও ধারণ করি, এবং উক্ত অবৈধ জিরার মালিক কে চান মিয়ার নিকট থেকে জানতে চাইলে, চান মিয়া জানান পলাশ নামের এক ব্যক্তি।
চান মিয়া আরো বলেন, ডিয়াই গাড়ি দিয়ে আরো ৫০ বস্তা জিরা হবিগঞ্জ নবীগঞ্জ রোডে এক ব্যবসায়ীর গোডাউনে পাঠানো হয়েছে, , সাংবাদিক ইউসুফ বলেন, এই তথ্য মতে সেখানে গিয়ে জিরা আনলোড করতে দেখতে পাই এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ ধারণ করি, এবং সেখান থেকে চলে আসি ।
সেই অবৈধ ভারতীয় জিরার ব্যাপারে শায়েস্তাগন্জ এস আই কাওছারকে অবগত করি, সেই তথ্য অনুযায়ী এস আই কাওছার তাহার সঙ্গী ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে চান মিয়ার বাড়ি থেকে আসামীসহ ৮৩ বস্তা ভারতীয় জিরা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যান।
সাংবাদিক ইউসুফ আলী জানান, পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার এ এস আই ইব্রাহিম আমাকে রাত আনুমানিক ১১ ঘটিকার সময় ফোন করে তার বাসায় যেতে বলে, আমি আমার দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যাই, যাওয়ার পর ইব্রাহিম আমাকে বলে আপনি যে জিরার ভিডিও গুলো করছেন সেগুলো ডিলিট করে দেন, জিরাগুলো আমাদের ওসি সাহেবের এক আত্মীয়, এবং কোন ধরনের নিউজ করবেন না। আমি ভিডিও ডিলিট করতে রাজি না হলে, আমাকে ওসি সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করার কথা বলে থানায় নিয়ে যায়, থানায় গিয়েই আমার সাথে জোরজবর দস্তি করে আমার ফোন টি কেড়ে নেয় এবং আমাকে থানার হাজতে ডুকিয়ে দেয়, আমার ফোন থেকে ধারন করা ভিডিও গুলো ডিলেট করে দেয় এবং অকত্য ভাষায় গালি দিয়ে বলে এবার তোমার সাংবাদিকতা চুঠাই দিবো শালার পুত, তরে মার্ডার মামলায় ডুকিয়ে দিব, পুলিশের সাথে সাংবাদিকতা দেখাও আরো ইত্যাদি ইত্যাদি ।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার অভিযানে ৮৩ বস্তা ভারতীয় জিরা জব্দ করা হয়, কিন্তু ভিডিও ধারন করার কারেন সাংবাদিক ইউসুফ আলী ও চান মিয়াকে আসামী কওে ১৯৭৪ সালে বিশেষ ক্ষমতার আইনে ধারা ২৫(ন)মোতাবেক ২৫ বস্তা জিরা দিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরন করা হয়।
তবে এখন জনমনে প্রশ্ন হলো, ৮৩ বস্তা ভারতীয় জিরা থেকে ২৫ বস্তুা দিয়ে আসামি করে সংবাদকর্মীও ভ্যান চালককে কোটে চালান, তাহলে বাকি ৫৮ বস্তা জিরা ও সাথে গ্রেফতার করা বাকি আসামিরা এখন কোথায় । জিরা কি ওসির পেটে নাকি নির্ধারিত মালিকের কাছে এর জবাব কে দেবে।
কিন্তু তথ্য সংগ্রহ করার কারনে একজন সংবাদকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করার কারন কি। তাকে জেলে হাজতে পাঠিয়ে ভিডিও ডিলেট করে ৫৮রবস্তা জিরা হজম করার কি এই চিন্তা ছিল। নাম বলতে অনিচ্ছুক এমন অনেকটা জানান শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ তার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভুড়িভুড়ি অন্যায়, অবিচার, চাঁদাবাজি, ঘোষ বানিজ্যসহ বহু অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংস্থা ও প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
এস এম শামীম আহমেদ :
২৮ এপ্রিল, ২০২৬, 7:46 PM
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম ও তার অধিনস্থ কর্মকর্তা এস আই কাওছার, এ এস আই ইব্রাহিমকে অভিযোগক্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন ইউসুফ আলী নামে এক মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মী ।
অভিযোগকারি ইউসুফ আলী চুনারুঘাট উপজেলা, মাধবপুর গ্রামের মৃত আজমান আলী ছেলে, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ইউসুফ আলী জানান, গত ১০ মার্চ ২৬ ইং তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় চোরাই জিরা আসছে বলে জানতে পারি, শায়েস্তাগন্জ উপজেলায় পুরান বাজার ভ্যান চালক চান মিয়া বাড়িতে ৮৩ বস্তা জিরা লোড করা হচ্ছে , সেই সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে আমি সেখানে যাই, ভিডিও ধারণ করি, এবং উক্ত অবৈধ জিরার মালিক কে চান মিয়ার নিকট থেকে জানতে চাইলে, চান মিয়া জানান পলাশ নামের এক ব্যক্তি।
চান মিয়া আরো বলেন, ডিয়াই গাড়ি দিয়ে আরো ৫০ বস্তা জিরা হবিগঞ্জ নবীগঞ্জ রোডে এক ব্যবসায়ীর গোডাউনে পাঠানো হয়েছে, , সাংবাদিক ইউসুফ বলেন, এই তথ্য মতে সেখানে গিয়ে জিরা আনলোড করতে দেখতে পাই এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ ধারণ করি, এবং সেখান থেকে চলে আসি ।
সেই অবৈধ ভারতীয় জিরার ব্যাপারে শায়েস্তাগন্জ এস আই কাওছারকে অবগত করি, সেই তথ্য অনুযায়ী এস আই কাওছার তাহার সঙ্গী ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে চান মিয়ার বাড়ি থেকে আসামীসহ ৮৩ বস্তা ভারতীয় জিরা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যান।
সাংবাদিক ইউসুফ আলী জানান, পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার এ এস আই ইব্রাহিম আমাকে রাত আনুমানিক ১১ ঘটিকার সময় ফোন করে তার বাসায় যেতে বলে, আমি আমার দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যাই, যাওয়ার পর ইব্রাহিম আমাকে বলে আপনি যে জিরার ভিডিও গুলো করছেন সেগুলো ডিলিট করে দেন, জিরাগুলো আমাদের ওসি সাহেবের এক আত্মীয়, এবং কোন ধরনের নিউজ করবেন না। আমি ভিডিও ডিলিট করতে রাজি না হলে, আমাকে ওসি সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করার কথা বলে থানায় নিয়ে যায়, থানায় গিয়েই আমার সাথে জোরজবর দস্তি করে আমার ফোন টি কেড়ে নেয় এবং আমাকে থানার হাজতে ডুকিয়ে দেয়, আমার ফোন থেকে ধারন করা ভিডিও গুলো ডিলেট করে দেয় এবং অকত্য ভাষায় গালি দিয়ে বলে এবার তোমার সাংবাদিকতা চুঠাই দিবো শালার পুত, তরে মার্ডার মামলায় ডুকিয়ে দিব, পুলিশের সাথে সাংবাদিকতা দেখাও আরো ইত্যাদি ইত্যাদি ।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার অভিযানে ৮৩ বস্তা ভারতীয় জিরা জব্দ করা হয়, কিন্তু ভিডিও ধারন করার কারেন সাংবাদিক ইউসুফ আলী ও চান মিয়াকে আসামী কওে ১৯৭৪ সালে বিশেষ ক্ষমতার আইনে ধারা ২৫(ন)মোতাবেক ২৫ বস্তা জিরা দিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরন করা হয়।
তবে এখন জনমনে প্রশ্ন হলো, ৮৩ বস্তা ভারতীয় জিরা থেকে ২৫ বস্তুা দিয়ে আসামি করে সংবাদকর্মীও ভ্যান চালককে কোটে চালান, তাহলে বাকি ৫৮ বস্তা জিরা ও সাথে গ্রেফতার করা বাকি আসামিরা এখন কোথায় । জিরা কি ওসির পেটে নাকি নির্ধারিত মালিকের কাছে এর জবাব কে দেবে।
কিন্তু তথ্য সংগ্রহ করার কারনে একজন সংবাদকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করার কারন কি। তাকে জেলে হাজতে পাঠিয়ে ভিডিও ডিলেট করে ৫৮রবস্তা জিরা হজম করার কি এই চিন্তা ছিল। নাম বলতে অনিচ্ছুক এমন অনেকটা জানান শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ তার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভুড়িভুড়ি অন্যায়, অবিচার, চাঁদাবাজি, ঘোষ বানিজ্যসহ বহু অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংস্থা ও প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।