ঢাকা ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে আইন বাস্তবায়নে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

#
news image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি’র) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে সড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণসহ বিদ্যমান আইন বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে অফিস খোলার দিনগুলোতে সড়কে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহারের অনুরোধ করেছি। কারণ এ ধরণের কর্মসূচি দুর্ভোগ নিয়ে আসে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জিআরএসপি আয়োজিত দুদিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

রোড ক্র্যাশ তদন্তের দক্ষতা বাড়াতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি)। 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ। 

তিনি বলেন, রোড ক্র্যাশের কারণসমূহ সঠিকভাবে চিহ্নিত করা গেলে তা ভবিষ্যতে সড়কে মৃত্যু কমিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সেজন্য কোনো রোড ক্র্যাশ ঘটলে তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তদন্ত করতে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাফিক বিভাগ সড়কের দায়িত্বে থাকে, তবে ক্র্যাশের ঘটনা তদন্ত করে ক্রাইম বিভাগ। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা তদন্তে ট্রাফিক পুলিশকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে সড়ক ব্যবহারকারীদের ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে চলা প্রয়োজন। বিশেষ করে নির্ধারিত গতিসীমা না মানা, হঠাৎ লেন পরিবর্তন ও যত্রতত্র রাস্তা পারাপার ক্র্যাশের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। 

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে অধিকাংশ রোড ক্র্যাশ মধ্যরাত থেকে সকালের মধ্যে ঘটে, যখন সড়ক তুলনামূলক ফাঁকা থাকে। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস) এর ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুল ওয়াদুদ। 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সুপারিন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মাহবুব আলম এ প্রশিক্ষণে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন। এ সময় জিআরএপি’র এশিয়া-প্যাসিফিক ম্যানেজার ব্র্যাট হারম্যান ও সিনিয়র রোড পুলিশিং এডভাইজর পিটার জোনস্, ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এতে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ৬০ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

জিআরএসপি’র এশিয়া-প্যাসিফিক ম্যানেজার ব্র্যাট হারম্যান ও সিনিয়র রোড পুলিশিং এডভাইজর পিটার জোনস্ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। 

কর্মশালায় ট্রাফিক সার্জেন্ট, উপ-পরিদর্শক, পুলিশ পরিদর্শক, সহকারী পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালা শেষে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সারওয়ার, অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৮ জুন, ২০২৫,  2:50 AM

news image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি’র) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে সড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণসহ বিদ্যমান আইন বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে অফিস খোলার দিনগুলোতে সড়কে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহারের অনুরোধ করেছি। কারণ এ ধরণের কর্মসূচি দুর্ভোগ নিয়ে আসে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জিআরএসপি আয়োজিত দুদিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

রোড ক্র্যাশ তদন্তের দক্ষতা বাড়াতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি)। 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ। 

তিনি বলেন, রোড ক্র্যাশের কারণসমূহ সঠিকভাবে চিহ্নিত করা গেলে তা ভবিষ্যতে সড়কে মৃত্যু কমিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সেজন্য কোনো রোড ক্র্যাশ ঘটলে তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তদন্ত করতে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাফিক বিভাগ সড়কের দায়িত্বে থাকে, তবে ক্র্যাশের ঘটনা তদন্ত করে ক্রাইম বিভাগ। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা তদন্তে ট্রাফিক পুলিশকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে সড়ক ব্যবহারকারীদের ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে চলা প্রয়োজন। বিশেষ করে নির্ধারিত গতিসীমা না মানা, হঠাৎ লেন পরিবর্তন ও যত্রতত্র রাস্তা পারাপার ক্র্যাশের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। 

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে অধিকাংশ রোড ক্র্যাশ মধ্যরাত থেকে সকালের মধ্যে ঘটে, যখন সড়ক তুলনামূলক ফাঁকা থাকে। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস) এর ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুল ওয়াদুদ। 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সুপারিন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মাহবুব আলম এ প্রশিক্ষণে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন। এ সময় জিআরএপি’র এশিয়া-প্যাসিফিক ম্যানেজার ব্র্যাট হারম্যান ও সিনিয়র রোড পুলিশিং এডভাইজর পিটার জোনস্, ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এতে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ৬০ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

জিআরএসপি’র এশিয়া-প্যাসিফিক ম্যানেজার ব্র্যাট হারম্যান ও সিনিয়র রোড পুলিশিং এডভাইজর পিটার জোনস্ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। 

কর্মশালায় ট্রাফিক সার্জেন্ট, উপ-পরিদর্শক, পুলিশ পরিদর্শক, সহকারী পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালা শেষে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সারওয়ার, অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।