গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন দক্ষিণ খাইলকুর এলাকায় এক নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া, টাকা ও মোবাইল ফোনসহ ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া, শ্লীলতাহানি এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুকুল (৫৮) ও তাঁর ছেলে মো. আকাশ (৩০)-এর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৪ থেকে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে গাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সুমি আক্তার জেরিন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নিজ বাসা থেকে বড়বাড়ীর উদ্দেশে বের হন ওই নারী। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ খাইলকুর এলাকার নিউ কমার্স গার্মেন্টস-সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে মুকুল তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে কুপ্রস্তাব দেওয়া এবং টাকা-পয়সার লোভ দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। তিনি এতে রাজি না হওয়ায় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, নগদ পাঁচ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ একটি ভ্যানিটি ব্যাগ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এ সময় তাঁকে অশালীন কথাবার্তা বলা এবং জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি। একপর্যায়ে নিজেকে রক্ষা করতে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত মুকুল মোবাইল ফোনে তাঁর ছেলে আকাশসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৪-২৫ জনকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরবর্তীতে আকাশ তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর চুল ও পরিহিত পোশাক টানাহেঁচড়া করে ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয়। একই সঙ্গে এলোপাতাড়ি মারধরে তাঁর মাথা, কপাল, কান, বুক, পিঠ ও গালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তাঁকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসায় ফিরে পোশাক পরিবর্তন করে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। অভিযোগপত্রে হাসপাতালের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৮৮১৩/০৩ এবং তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুমি আক্তার জেরিন গাছা থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত মুকুল, তাঁর ছেলে মো. আকাশ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৪-২৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে গাছা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন দক্ষিণ খাইলকুর এলাকায় এক নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া, টাকা ও মোবাইল ফোনসহ ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া, শ্লীলতাহানি এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুকুল (৫৮) ও তাঁর ছেলে মো. আকাশ (৩০)-এর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৪ থেকে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে গাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সুমি আক্তার জেরিন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নিজ বাসা থেকে বড়বাড়ীর উদ্দেশে বের হন ওই নারী। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ খাইলকুর এলাকার নিউ কমার্স গার্মেন্টস-সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে মুকুল তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে কুপ্রস্তাব দেওয়া এবং টাকা-পয়সার লোভ দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। তিনি এতে রাজি না হওয়ায় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, নগদ পাঁচ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ একটি ভ্যানিটি ব্যাগ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এ সময় তাঁকে অশালীন কথাবার্তা বলা এবং জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি। একপর্যায়ে নিজেকে রক্ষা করতে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত মুকুল মোবাইল ফোনে তাঁর ছেলে আকাশসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৪-২৫ জনকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরবর্তীতে আকাশ তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর চুল ও পরিহিত পোশাক টানাহেঁচড়া করে ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয়। একই সঙ্গে এলোপাতাড়ি মারধরে তাঁর মাথা, কপাল, কান, বুক, পিঠ ও গালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তাঁকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসায় ফিরে পোশাক পরিবর্তন করে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। অভিযোগপত্রে হাসপাতালের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৮৮১৩/০৩ এবং তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুমি আক্তার জেরিন গাছা থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত মুকুল, তাঁর ছেলে মো. আকাশ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৪-২৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে গাছা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতামত