গাজীপুরের টঙ্গীতে স্কুলছাত্রী অপহরণের ১০ দিনেও উদ্ধার হয়নি
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 6:56 AM
গাজীপুরের টঙ্গীতে স্কুলছাত্রী অপহরণের ১০ দিনেও উদ্ধার হয়নি
গাজীপুরের টঙ্গীর পশ্চিমপাড়ার সাইশ এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ঘরের দরজা ভেঙে তুলে নেওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার ১০ দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফলে পরিবারে নেমে এসেছে চরম উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল রাত প্রায় ১টার দিকে মাসুম নামের এক যুবক জোরপূর্বক ঘরের দরজা ভেঙে নবম শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম আক্তার জিমকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ দরজা ভাঙার শব্দ ও মেয়ের চিৎকারে জেগে উঠলেও ততক্ষণে তাকে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
মেয়েটির বাবা আলমগীর জানান, সারা রাত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাতের শেষভাগে স্থানীয় একটি এলাকায় (রাস্তার ২৭ নম্বর এলাকায়) অভিযুক্ত যুবকের বাবাকে দেখতে পান তিনি। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, পরদিন প্রভাবশালী মহলের তদবিরে অভিযুক্তের বাবাকে ছেড়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শর্ত দেওয়া হয়, পরদিন মেয়েটিকে হাজির করা হবে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। বরং ঘটনার ১০ দিন পার হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে স্কুলছাত্রী মরিয়ম আক্তার জিম। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে মেয়েটির বাবা আলমগীর বলেন,
আমি জানি না আমার মেয়েটা বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে। আমি পাগলের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। প্রথমে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা মামলা নেয়নি—জিডি করেছে। এরপর যার বাবাকে ধরেছিলাম তাকেও ছেড়ে দেওয়া হলো। এখনো আমার মেয়েকে উদ্ধার করা হয়নি। আমরা খুব ভয়ের মধ্যে আছি। পরিবারের দাবি, শুরুতেই মামলা গ্রহণ না করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত বলে জানান। এদিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান হোসেন বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আমরা ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং মেয়েটিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগগুলো আমরা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তারা অবিলম্বে মেয়েটিকে উদ্ধার, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। একদিকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, অন্যদিকে পরিবারের অসহায়ত্ব—সব মিলিয়ে টঙ্গীর জনমনে বিরাজ করছে গভীর উদ্বেগ।
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 6:56 AM
গাজীপুরের টঙ্গীর পশ্চিমপাড়ার সাইশ এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ঘরের দরজা ভেঙে তুলে নেওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার ১০ দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফলে পরিবারে নেমে এসেছে চরম উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল রাত প্রায় ১টার দিকে মাসুম নামের এক যুবক জোরপূর্বক ঘরের দরজা ভেঙে নবম শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম আক্তার জিমকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ দরজা ভাঙার শব্দ ও মেয়ের চিৎকারে জেগে উঠলেও ততক্ষণে তাকে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
মেয়েটির বাবা আলমগীর জানান, সারা রাত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাতের শেষভাগে স্থানীয় একটি এলাকায় (রাস্তার ২৭ নম্বর এলাকায়) অভিযুক্ত যুবকের বাবাকে দেখতে পান তিনি। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, পরদিন প্রভাবশালী মহলের তদবিরে অভিযুক্তের বাবাকে ছেড়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শর্ত দেওয়া হয়, পরদিন মেয়েটিকে হাজির করা হবে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। বরং ঘটনার ১০ দিন পার হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে স্কুলছাত্রী মরিয়ম আক্তার জিম। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে মেয়েটির বাবা আলমগীর বলেন,
আমি জানি না আমার মেয়েটা বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে। আমি পাগলের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। প্রথমে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা মামলা নেয়নি—জিডি করেছে। এরপর যার বাবাকে ধরেছিলাম তাকেও ছেড়ে দেওয়া হলো। এখনো আমার মেয়েকে উদ্ধার করা হয়নি। আমরা খুব ভয়ের মধ্যে আছি। পরিবারের দাবি, শুরুতেই মামলা গ্রহণ না করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত বলে জানান। এদিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান হোসেন বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আমরা ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং মেয়েটিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগগুলো আমরা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তারা অবিলম্বে মেয়েটিকে উদ্ধার, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। একদিকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, অন্যদিকে পরিবারের অসহায়ত্ব—সব মিলিয়ে টঙ্গীর জনমনে বিরাজ করছে গভীর উদ্বেগ।