নরসিংদীর পলাশে ব্যক্তিগত বিরোধে ঘর ভাঙচুর
পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি :
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 6:09 AM
নরসিংদীর পলাশে ব্যক্তিগত বিরোধে ঘর ভাঙচুর
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে এলজিইডির উদ্যোগে সরকারচর মোড় থেকে মিল্টন নেতার বাড়ি পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। স্থানীয়দের চলাচলের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের আশা জাগলেও, এরই মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ওই এলাকায় সাবেক যুবদল নেতার ঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সরেজমিনে নিয়ে গিয়ে জানা যায় ভুক্তভোগী একজন প্রবাসী তিনি গজারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন । তিনি সাংবাদিকদের জানান দেশের উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাট হবে এটা আনন্দের বিষয় এবং গর্ভের বিষয় দীর্ঘদিন আমি লড়াই সংগ্রাম করে দলের সাথে একত্বতা প্রকাশ করে আসছি কিন্তু পেটের দায়ে আজ আমার প্রবাস জীবন কাটাতে হচ্ছে। দেশে আমার মা বাবা থাকেন বাড়িটিতে । রাস্তাটি সংস্কারের শেষ পর্যায়ে চলে আসছে। চার পাঁচ দিন আগে দিনের বেলায় অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন লোক সিএনজি করে এসে আমার ঘরের ভিটা ভেঙ্গে চলে যায়। পরে লোকমুখে জানতে পারি পলাশের সম্মানিত এমপি ডঃ আব্দুল মঈন খান মহোদয়ের পি এইচ মিল্টন ভাইয়ের ছোট ভাই শামীম ভাই নাকি লোক দিয়ে আমার ঘরে ভিটা ভেঙ্গেছে । তাদের বাড়িতে গাড়ি যেতে অসুবিধা হবে বলে আমার ঘরের ভিটা ভেঙ্গে ফেলেছে। আমার মা এবং বাবা প্রতিবাদ করলে তাদের কথাগুলো কর্ণপাত করেননি। আমি কন্টাকটার এবং এলজিডির কর্মকর্তাদের সাথেও কথা বলেছি তারা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, এলজিডি রাস্তা সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘর ভাঙ্গার অনুমতি দেয় না, আমরা কারো ঘরবাড়ি ভেঙে রাস্তা করি না। সরকার আমাদের যেভাবে করার অনুমতি দিয়েছেন আমরা সেই মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি। এখানে আমাদের কোন ভুলত্রুটি নেই আপনাদের পারিবারিক কলহরের জেরে হয়তো এগুলি হতে পারে ।এটা আমাদের রাস্তার লোকেরা ভাঙ্গে নাই ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সংস্কারাধীন সড়কের পাশে ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কবির হোসেনের বাড়ি শুক্রবার বিকেলে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। অভিযোগের তীর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টন এর ভাই শামিম ভূইয়ার দিকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শামিম ভূইয়া বলেন, "তাকে অনেকদিন যাবৎ বলে আসছি, আমার গাড়ি চলাচলে অসুবিধা হয়। ঘর ভেঙে দিতে বলেছি, সে দেয় নাই। তাই আমার লোকজন ভেঙে ফেলছে।"
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, সড়ক সংস্কার কাজ প্রায় শেষ। এ অবস্থায় ব্যক্তিগত বিরোধে এমন ভাঙচুরের ঘটনা এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করেছে। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে এলজি ইডি কর্মকর্তা জানান, আমার দশ ফুট রাস্তা করার কথা, আমি যদি সেখানে আট ফুট ও পাই তাই করবো।তবুও কারো বাড়িঘর ভাঙবো না। ঠিকাদার যত ফুট কাজ করবে তার বিলই পাবে।
পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি :
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 6:09 AM
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে এলজিইডির উদ্যোগে সরকারচর মোড় থেকে মিল্টন নেতার বাড়ি পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। স্থানীয়দের চলাচলের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের আশা জাগলেও, এরই মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ওই এলাকায় সাবেক যুবদল নেতার ঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সরেজমিনে নিয়ে গিয়ে জানা যায় ভুক্তভোগী একজন প্রবাসী তিনি গজারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন । তিনি সাংবাদিকদের জানান দেশের উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাট হবে এটা আনন্দের বিষয় এবং গর্ভের বিষয় দীর্ঘদিন আমি লড়াই সংগ্রাম করে দলের সাথে একত্বতা প্রকাশ করে আসছি কিন্তু পেটের দায়ে আজ আমার প্রবাস জীবন কাটাতে হচ্ছে। দেশে আমার মা বাবা থাকেন বাড়িটিতে । রাস্তাটি সংস্কারের শেষ পর্যায়ে চলে আসছে। চার পাঁচ দিন আগে দিনের বেলায় অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন লোক সিএনজি করে এসে আমার ঘরের ভিটা ভেঙ্গে চলে যায়। পরে লোকমুখে জানতে পারি পলাশের সম্মানিত এমপি ডঃ আব্দুল মঈন খান মহোদয়ের পি এইচ মিল্টন ভাইয়ের ছোট ভাই শামীম ভাই নাকি লোক দিয়ে আমার ঘরে ভিটা ভেঙ্গেছে । তাদের বাড়িতে গাড়ি যেতে অসুবিধা হবে বলে আমার ঘরের ভিটা ভেঙ্গে ফেলেছে। আমার মা এবং বাবা প্রতিবাদ করলে তাদের কথাগুলো কর্ণপাত করেননি। আমি কন্টাকটার এবং এলজিডির কর্মকর্তাদের সাথেও কথা বলেছি তারা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, এলজিডি রাস্তা সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘর ভাঙ্গার অনুমতি দেয় না, আমরা কারো ঘরবাড়ি ভেঙে রাস্তা করি না। সরকার আমাদের যেভাবে করার অনুমতি দিয়েছেন আমরা সেই মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি। এখানে আমাদের কোন ভুলত্রুটি নেই আপনাদের পারিবারিক কলহরের জেরে হয়তো এগুলি হতে পারে ।এটা আমাদের রাস্তার লোকেরা ভাঙ্গে নাই ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সংস্কারাধীন সড়কের পাশে ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কবির হোসেনের বাড়ি শুক্রবার বিকেলে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। অভিযোগের তীর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টন এর ভাই শামিম ভূইয়ার দিকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শামিম ভূইয়া বলেন, "তাকে অনেকদিন যাবৎ বলে আসছি, আমার গাড়ি চলাচলে অসুবিধা হয়। ঘর ভেঙে দিতে বলেছি, সে দেয় নাই। তাই আমার লোকজন ভেঙে ফেলছে।"
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, সড়ক সংস্কার কাজ প্রায় শেষ। এ অবস্থায় ব্যক্তিগত বিরোধে এমন ভাঙচুরের ঘটনা এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করেছে। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে এলজি ইডি কর্মকর্তা জানান, আমার দশ ফুট রাস্তা করার কথা, আমি যদি সেখানে আট ফুট ও পাই তাই করবো।তবুও কারো বাড়িঘর ভাঙবো না। ঠিকাদার যত ফুট কাজ করবে তার বিলই পাবে।