ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার গাজীপুরে টঙ্গীতে হাজী বস্তিতে অভিযান, মাদক সেবনরত ৩০ জন আটক কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

#
news image

ফরিদপুরে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্ত্রী রুবাইয়া বেগম (২৫)কে হত্যার দায়ে স্বামী আহাদ শেখ (৩৩)কে যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের কাজী বল্লভদী গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রুবাইয়া বেগম একই উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের বাসিন্দা।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে রুবাইয়া বেগমের সঙ্গে আহাদ শেখের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের তিন বছর পর সৌদি আরব যাওয়ার জন্য স্ত্রীর পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আহাদ শেখ। এর মধ্যে এক লাখ টাকা দেওয়া হলেও বাকি দুই লাখ টাকার জন্য তিনি চাপ দিতে থাকেন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১ আগস্ট বাকি টাকা না পেয়ে আহাদ শেখ প্রথমে স্ত্রীকে মারধর করেন এবং পরে মুখে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেন।
 
এ ঘটনায় নিহতের মা রোমেছা বেগম বাদী হয়ে আহাদ শেখ, তার মা ও তিন ভাইসহ পাঁচজনকে আসামি করে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
 
মামলাটি তদন্ত করেন ফরিদপুর জেলা সিআইডির পরিদর্শক মো. আমিনুজ্জামান। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৩ জুন আহাদ শেখ এবং তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ (৩৮) ও মাহিম শেখ (৩৪)কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী জানান, মামলার শুনানি শেষে আদালত স্বামী আহাদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ ও মাহিম শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।
 
তিনি বলেন, যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। আদালতের এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
আপনি চাইলে আমি এটাকে টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট বা খুব সংক্ষিপ্ত অনলাইন নিউজ ভার্সনও করে দিতে পারি।

বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :

১২ মার্চ, ২০২৬,  7:44 PM

news image

ফরিদপুরে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্ত্রী রুবাইয়া বেগম (২৫)কে হত্যার দায়ে স্বামী আহাদ শেখ (৩৩)কে যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের কাজী বল্লভদী গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রুবাইয়া বেগম একই উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের বাসিন্দা।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে রুবাইয়া বেগমের সঙ্গে আহাদ শেখের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের তিন বছর পর সৌদি আরব যাওয়ার জন্য স্ত্রীর পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আহাদ শেখ। এর মধ্যে এক লাখ টাকা দেওয়া হলেও বাকি দুই লাখ টাকার জন্য তিনি চাপ দিতে থাকেন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১ আগস্ট বাকি টাকা না পেয়ে আহাদ শেখ প্রথমে স্ত্রীকে মারধর করেন এবং পরে মুখে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেন।
 
এ ঘটনায় নিহতের মা রোমেছা বেগম বাদী হয়ে আহাদ শেখ, তার মা ও তিন ভাইসহ পাঁচজনকে আসামি করে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
 
মামলাটি তদন্ত করেন ফরিদপুর জেলা সিআইডির পরিদর্শক মো. আমিনুজ্জামান। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৩ জুন আহাদ শেখ এবং তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ (৩৮) ও মাহিম শেখ (৩৪)কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী জানান, মামলার শুনানি শেষে আদালত স্বামী আহাদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ ও মাহিম শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।
 
তিনি বলেন, যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। আদালতের এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
আপনি চাইলে আমি এটাকে টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট বা খুব সংক্ষিপ্ত অনলাইন নিউজ ভার্সনও করে দিতে পারি।