চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি
মোঃ বিপ্লব হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
০৮ মার্চ, ২০২৬, 10:54 PM
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোনাকষা ইউনিয়নের সাতরসিয়া গ্রামে প্রায় ৬ শত বিঘা আয়তনের একটি মৎস্য বিল জবরদখল, চাঁদাবাজি, মাছ চুরি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ আলফাজ উদ্দীন ৫ শত মৎস্যজীবী পরিবারের হয়ে অভিযোগ করেন।
মোঃ আলফাজ উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে সাতরসিয়া গ্রামের চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের কুমিরাদহ বিল লিজ নিয়ে তার ৫০০ শত মৎস্যজীবী পরিবার সহ যৌথভাবে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের মোতুয়ালী, কাইয়ুম রেজা চৌধুরী, মর্তুজা রেজা আমের চৌধুরী, ও কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর মেয়ে সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জারা জাবিন মাহবুবের, হুকুমে স্থানীয় সন্ত্রাসী দাদনচক গ্রামের মোঃ ইমরোজ আলী , মোঃ পরাগ আলী, কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর ম্যানেজার সাইদুল ইসলাম রানা, মনাকষা গ্রামের, মহসিনের ছেলে, আব্দুর রাজ্জাক, ধাইনগর ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের আবু হেনা মোস্তুফা কামাল পরশ, রসুনচক গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে, ইয়াসিন আলী, ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের পারদিলালপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে, শামসুল আলম হোন্টু সহ আরও অজ্ঞাতনামা ২০/৩০ জন বিলটি দখলের পাঁয়তারা করছে।
আলফাজ উদ্দীন বলেন, চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোয়াদ ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লী, কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর নিকট কুমিরাদহ বিল ইজারা নেওয়া হয়েছে। ইজারা নেওয়া থাকলেও সাবেক এমপি জারা ও তার লোকজন বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করে। আলফাজ উদ্দীন বলেন, ২০২৫ সালে তিনি ওই বিলে প্রায় দুই কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। এরপর থেকেই বিলটি দখলে নিতে কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর হুকুমে চেষ্টা করছে অভিযুক্তরা ।
আলফাজ উদ্দীন আরও বলেন , প্রধান অভিযুক্ত কাইয়ুম রেজা চৌধুরীও ভুক্তভোগীদের উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়েছেন “প্রয়োজনে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে খুন-জখম করেও বিল দখল করব।” এই হুমকির কারণে মোঃ আলফাজ উদ্দীন ও তার সহযোগীরা দিন কাটাচ্ছেন চরম আতঙ্কে। অভিযুক্তরা প্রায়ই দলবল নিয়ে বিলে প্রবেশ করে মাছ চুরি করছে। সম্প্রতি কিছু দিন আগে ককটেল ফাটানোর ঘটনাও ঘটেছে,এতে আমার বিলের বাধাল ঘর মাছের খাদ্য পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এবং যা অবশিষ্ট ছিল তা লুটপাট করে নিয়ে যায় তারা। যা সম্পদ ধ্বংসের পরিকল্পিত চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।এ নিয়ে বেশ কয়েকটি সিভিল মামলা দায়ের করেছেন আলফাজ উদ্দীন। এবং একটি মামলায় শিবগঞ্জ আমলী আদালত রায় দিয়েছেন আলফাজ উদ্দীনের পক্ষে।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে আপোষ-মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তদের দখলদার মনোভাবের কারণে তা ব্যর্থ হয়েছে। তাই ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন । মৎস্য চাষিরা বলেন “আমরা বৈধভাবে কুমিরাদহ বিলে মাছ চাষ করছি। কিন্তু কিছু চিহ্নিত ভূমিদখলকারী আমাদের বিল দখলের চেষ্টা করছে। তারা প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে এবং মাছ চুরি করছে। এতে আমাদের জীবন ও সম্পদের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মোঃ বিপ্লব হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
০৮ মার্চ, ২০২৬, 10:54 PM
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোনাকষা ইউনিয়নের সাতরসিয়া গ্রামে প্রায় ৬ শত বিঘা আয়তনের একটি মৎস্য বিল জবরদখল, চাঁদাবাজি, মাছ চুরি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ আলফাজ উদ্দীন ৫ শত মৎস্যজীবী পরিবারের হয়ে অভিযোগ করেন।
মোঃ আলফাজ উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে সাতরসিয়া গ্রামের চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের কুমিরাদহ বিল লিজ নিয়ে তার ৫০০ শত মৎস্যজীবী পরিবার সহ যৌথভাবে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের মোতুয়ালী, কাইয়ুম রেজা চৌধুরী, মর্তুজা রেজা আমের চৌধুরী, ও কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর মেয়ে সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জারা জাবিন মাহবুবের, হুকুমে স্থানীয় সন্ত্রাসী দাদনচক গ্রামের মোঃ ইমরোজ আলী , মোঃ পরাগ আলী, কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর ম্যানেজার সাইদুল ইসলাম রানা, মনাকষা গ্রামের, মহসিনের ছেলে, আব্দুর রাজ্জাক, ধাইনগর ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের আবু হেনা মোস্তুফা কামাল পরশ, রসুনচক গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে, ইয়াসিন আলী, ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের পারদিলালপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে, শামসুল আলম হোন্টু সহ আরও অজ্ঞাতনামা ২০/৩০ জন বিলটি দখলের পাঁয়তারা করছে।
আলফাজ উদ্দীন বলেন, চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোয়াদ ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লী, কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর নিকট কুমিরাদহ বিল ইজারা নেওয়া হয়েছে। ইজারা নেওয়া থাকলেও সাবেক এমপি জারা ও তার লোকজন বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করে। আলফাজ উদ্দীন বলেন, ২০২৫ সালে তিনি ওই বিলে প্রায় দুই কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। এরপর থেকেই বিলটি দখলে নিতে কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর হুকুমে চেষ্টা করছে অভিযুক্তরা ।
আলফাজ উদ্দীন আরও বলেন , প্রধান অভিযুক্ত কাইয়ুম রেজা চৌধুরীও ভুক্তভোগীদের উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়েছেন “প্রয়োজনে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে খুন-জখম করেও বিল দখল করব।” এই হুমকির কারণে মোঃ আলফাজ উদ্দীন ও তার সহযোগীরা দিন কাটাচ্ছেন চরম আতঙ্কে। অভিযুক্তরা প্রায়ই দলবল নিয়ে বিলে প্রবেশ করে মাছ চুরি করছে। সম্প্রতি কিছু দিন আগে ককটেল ফাটানোর ঘটনাও ঘটেছে,এতে আমার বিলের বাধাল ঘর মাছের খাদ্য পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এবং যা অবশিষ্ট ছিল তা লুটপাট করে নিয়ে যায় তারা। যা সম্পদ ধ্বংসের পরিকল্পিত চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।এ নিয়ে বেশ কয়েকটি সিভিল মামলা দায়ের করেছেন আলফাজ উদ্দীন। এবং একটি মামলায় শিবগঞ্জ আমলী আদালত রায় দিয়েছেন আলফাজ উদ্দীনের পক্ষে।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে আপোষ-মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তদের দখলদার মনোভাবের কারণে তা ব্যর্থ হয়েছে। তাই ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন । মৎস্য চাষিরা বলেন “আমরা বৈধভাবে কুমিরাদহ বিলে মাছ চাষ করছি। কিন্তু কিছু চিহ্নিত ভূমিদখলকারী আমাদের বিল দখলের চেষ্টা করছে। তারা প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে এবং মাছ চুরি করছে। এতে আমাদের জীবন ও সম্পদের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।