ঢাকা ১৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাঁচবিবিতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার দিলেন বিএনপির নেতা ছবদের হাসান আশুগঞ্জে পুলিশের অভিযানে চোরাচালানকৃত জিরার (৬৮৪০ কেজি) ট্রাকসহ ০৪ জন গ্রেপ্তার ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন মাদক ও সন্ত্রাসের গডফাদার রব বেপারীর হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কোম্পানীগঞ্জে সৌদি আরব থেকে প্রাপ্ত খেজুর মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ কোনাবাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলমের উপর সন্ত্রাসী হামলা পঞ্চগড়ের দেবনগড় ইউনিয়নে টিআর কাবিটা-কাবিখা কাজে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও বিরোধী দল গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে, আশা স্পিকারের

খালেদা জিয়া কখনও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি : ড. মঈন খান

#
news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া কখনও অন্যায়, নির্যাতন কিংবা স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি তাঁর পুরো জীবন বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন।

আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এক শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া জনগণের মনের কথা বুঝতেন। জনগণের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অতুলনীয়। জনগণের শক্তিই ছিল তাঁর শক্তি। 

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে তিনি কতটা জনপ্রিয় নেত্রী ছিলেন।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া আপসহীনভাবে সংগ্রাম করেছেন। তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। 

এ সময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেতৃত্ব আবার কখন ফিরে পাওয়া যাবে, তা আমরা জানি না।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন এবং জীবনে যতগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তার সবগুলোতেই বিজয়ী হয়েছেন। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন আর কোনো নেতা নেই, যিনি জীবনের সব নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত উন্নয়ন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। 

তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রের নামে যারা জনগণের ক্ষতি করেছিল, তাদের পরাজয়ের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবেন।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের আয়োজিত এই শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের মুখপাত্র এস এম শাহাদাত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল ইসলাম, গণদলের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, এনপিপি’র মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বাংলাদেশ ন্যাপ-এর চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী এবং এনডিপি’র চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  4:02 PM

news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া কখনও অন্যায়, নির্যাতন কিংবা স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি তাঁর পুরো জীবন বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন।

আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এক শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া জনগণের মনের কথা বুঝতেন। জনগণের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অতুলনীয়। জনগণের শক্তিই ছিল তাঁর শক্তি। 

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে তিনি কতটা জনপ্রিয় নেত্রী ছিলেন।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া আপসহীনভাবে সংগ্রাম করেছেন। তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। 

এ সময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেতৃত্ব আবার কখন ফিরে পাওয়া যাবে, তা আমরা জানি না।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন এবং জীবনে যতগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তার সবগুলোতেই বিজয়ী হয়েছেন। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন আর কোনো নেতা নেই, যিনি জীবনের সব নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত উন্নয়ন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। 

তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রের নামে যারা জনগণের ক্ষতি করেছিল, তাদের পরাজয়ের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবেন।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের আয়োজিত এই শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের মুখপাত্র এস এম শাহাদাত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল ইসলাম, গণদলের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, এনপিপি’র মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বাংলাদেশ ন্যাপ-এর চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী এবং এনডিপি’র চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল।