ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার গাজীপুরে টঙ্গীতে হাজী বস্তিতে অভিযান, মাদক সেবনরত ৩০ জন আটক কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

পদ্মার চরে চিনাবাদাম চাষে ফিরছে আর্থিক সচ্ছলতা

#
news image

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার অনাবাদি চরে বৈরী আবহাওয়ার পরও আগাম চিনাবাদাম চাষ করে এবছরও সাফল্য পেয়েছেন চরাঞ্চলের চাষীরা। পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে চাষ করা সোনালি ফসল বাদাম ঘরে তুলে তা বিক্রি করতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। অর্থকরী এ ফসল চাষ করে চরবাসীর আর্থিক সচ্ছলতা বেড়েছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে কুষ্টিয়ায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে দৌলতপুরের বিস্তীর্ণ চরে চাষ হয়েছে ৭৫০ হেক্টর জমিতে।

একসময় পদ্মা নদীতে জেগে উঠা বালুচর পড়ে থাকতো। যা চরবাসীর কোনো কাজেই আসতো না। জেগে উঠা পদ্মার চরে চাষিরা চিনা বাদাম চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ায় প্রতিবছরই চাষিদের বাদাম চাষ আগ্রহ বাড়ছে। এবছরও চরে বাদাম চাষ করে চাষিরা সাফল্য পাচ্ছেন। তবে অতিরিক্ত খরার কারণে সেচ দিয়ে বাদাম চাষ করতে গিয়ে চাষিদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপরও খরচ বাদ দিয়ে চাষিদের লাভের অঙ্ক দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিঘা প্রতি চাষিদের খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

প্রতিবিঘায় বাদামের ফলন হচ্ছে ৭ মণ থেকে ৮ মণ। আর বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৪ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দরে। অল্প পরিশ্রমে মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে লাভ বেশি হওয়ায় খুশি চাষীরা।

গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিন দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গেলে বাদাম চাষি আব্দুল জব্বার জানান, এবছর চরে বাদাম চাষে খরচ বেড়েছে। অতিরিক্ত খরার কারণে সেচ দিয়ে বাদাম চাষ করতে হয়েছে। তারপরও বিঘাপ্রতি ৭/৮ মণ হারে বাদাম হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে লাভ হচ্ছে উৎপাদন খরচের প্রায় দ্বিগুণ।

খেতে বাদাম ঝরিয়ে শ্রমজীবীদেরও আয় বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্ষেত থেকে বাদাম ঝরিয়ে ৫০০ টাকা বা তারও বেশি আয় হচ্ছে শ্রমিকদের। এমনটি জানিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সিরাজ মন্ডল। কৃষি বিভাগ থেকে বাদামের নতুনজাত সরবরাহসহ প্রণোদনা ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান এবং সাধারণের সহায়তা দেওয়ার ফলে বৈরী আবহাওয়ার পরও বাদাম চাষে চাষিরা এবছরও সাফল্য পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম। চরাঞ্চলে পড়ে থাকা অনাবাদি জমিতে অর্থকরী ফসল বাদাম চাষ সম্প্রসারিত হলে চরবাসীর সচ্ছলতা বাড়বে এমনটি জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

০৬ নভেম্বর, ২০২৫,  12:28 AM

news image

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার অনাবাদি চরে বৈরী আবহাওয়ার পরও আগাম চিনাবাদাম চাষ করে এবছরও সাফল্য পেয়েছেন চরাঞ্চলের চাষীরা। পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে চাষ করা সোনালি ফসল বাদাম ঘরে তুলে তা বিক্রি করতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। অর্থকরী এ ফসল চাষ করে চরবাসীর আর্থিক সচ্ছলতা বেড়েছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে কুষ্টিয়ায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে দৌলতপুরের বিস্তীর্ণ চরে চাষ হয়েছে ৭৫০ হেক্টর জমিতে।

একসময় পদ্মা নদীতে জেগে উঠা বালুচর পড়ে থাকতো। যা চরবাসীর কোনো কাজেই আসতো না। জেগে উঠা পদ্মার চরে চাষিরা চিনা বাদাম চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ায় প্রতিবছরই চাষিদের বাদাম চাষ আগ্রহ বাড়ছে। এবছরও চরে বাদাম চাষ করে চাষিরা সাফল্য পাচ্ছেন। তবে অতিরিক্ত খরার কারণে সেচ দিয়ে বাদাম চাষ করতে গিয়ে চাষিদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপরও খরচ বাদ দিয়ে চাষিদের লাভের অঙ্ক দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিঘা প্রতি চাষিদের খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

প্রতিবিঘায় বাদামের ফলন হচ্ছে ৭ মণ থেকে ৮ মণ। আর বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৪ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দরে। অল্প পরিশ্রমে মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে লাভ বেশি হওয়ায় খুশি চাষীরা।

গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিন দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গেলে বাদাম চাষি আব্দুল জব্বার জানান, এবছর চরে বাদাম চাষে খরচ বেড়েছে। অতিরিক্ত খরার কারণে সেচ দিয়ে বাদাম চাষ করতে হয়েছে। তারপরও বিঘাপ্রতি ৭/৮ মণ হারে বাদাম হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে লাভ হচ্ছে উৎপাদন খরচের প্রায় দ্বিগুণ।

খেতে বাদাম ঝরিয়ে শ্রমজীবীদেরও আয় বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্ষেত থেকে বাদাম ঝরিয়ে ৫০০ টাকা বা তারও বেশি আয় হচ্ছে শ্রমিকদের। এমনটি জানিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সিরাজ মন্ডল। কৃষি বিভাগ থেকে বাদামের নতুনজাত সরবরাহসহ প্রণোদনা ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান এবং সাধারণের সহায়তা দেওয়ার ফলে বৈরী আবহাওয়ার পরও বাদাম চাষে চাষিরা এবছরও সাফল্য পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম। চরাঞ্চলে পড়ে থাকা অনাবাদি জমিতে অর্থকরী ফসল বাদাম চাষ সম্প্রসারিত হলে চরবাসীর সচ্ছলতা বাড়বে এমনটি জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।