বাগেরহাটে সবজির দামে আগুন: এক সপ্তাহে দ্বিগুণ, নাভিশ্বাস ক্রেতাদের
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
১০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:57 PM
বাগেরহাটে সবজির দামে আগুন: এক সপ্তাহে দ্বিগুণ, নাভিশ্বাস ক্রেতাদের
বাগেরহাটের কাঁচাবাজারে হঠাৎ করেই বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। বিশেষ করে করল্লা, উস্তে, বেগুন ও পটলের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ছুটির দিন হওয়ায় বাজারে ক্রেতার চাপ বাড়লেও সরবরাহ কম থাকায় মূল্যবৃদ্ধি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, উস্তে, বেগুন ও পটল: গত সপ্তাহে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৮০-১০০ টাকা। অন্যান্য সবজি: লাউ, টমেটো, ঢেঁড়শ, শসা ও গাজরের দাম কেজিপ্রতি ১০-২০টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যান্য সবজির সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মিষ্টি কুমড়ার দামও।
বাজারের খুচরা বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, "পাইকারি বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। আগের মতো সবজি আসছে না। আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি, তাই খুচরায় দাম বাড়াতে হচ্ছে।" আরেক বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং মৌসুমি সবজির উৎপাদন কম থাকায় বাজারে এই বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
শহরের নাগেরবাজার এলাকায় সবজি কিনতে আসা মো. জাহিদুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, "এক সপ্তাহের মধ্যে সবজির দাম এভাবে বেড়ে যাবে ভাবিনি। এখন এক কেজির বদলে আধা কেজি করে কিনতে হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।" গৃহিণী সালমা বেগম প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "বাজারে তদারকি না থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।"
সবজির বাজারে অস্থিরতা থাকলেও স্বস্তির খবর দিচ্ছে মাছ, মাংস ও মুদি পণ্যের বাজার। এই খাতগুলো বর্তমানে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মাছ ও মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই অপরিবর্তিত আছে। এছাড়া চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের দামেও নতুন করে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক হলে সবজির দাম পুনরায় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে। তবে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
১০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:57 PM
বাগেরহাটের কাঁচাবাজারে হঠাৎ করেই বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। বিশেষ করে করল্লা, উস্তে, বেগুন ও পটলের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ছুটির দিন হওয়ায় বাজারে ক্রেতার চাপ বাড়লেও সরবরাহ কম থাকায় মূল্যবৃদ্ধি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, উস্তে, বেগুন ও পটল: গত সপ্তাহে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৮০-১০০ টাকা। অন্যান্য সবজি: লাউ, টমেটো, ঢেঁড়শ, শসা ও গাজরের দাম কেজিপ্রতি ১০-২০টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যান্য সবজির সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মিষ্টি কুমড়ার দামও।
বাজারের খুচরা বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, "পাইকারি বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। আগের মতো সবজি আসছে না। আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি, তাই খুচরায় দাম বাড়াতে হচ্ছে।" আরেক বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং মৌসুমি সবজির উৎপাদন কম থাকায় বাজারে এই বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
শহরের নাগেরবাজার এলাকায় সবজি কিনতে আসা মো. জাহিদুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, "এক সপ্তাহের মধ্যে সবজির দাম এভাবে বেড়ে যাবে ভাবিনি। এখন এক কেজির বদলে আধা কেজি করে কিনতে হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।" গৃহিণী সালমা বেগম প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "বাজারে তদারকি না থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।"
সবজির বাজারে অস্থিরতা থাকলেও স্বস্তির খবর দিচ্ছে মাছ, মাংস ও মুদি পণ্যের বাজার। এই খাতগুলো বর্তমানে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মাছ ও মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই অপরিবর্তিত আছে। এছাড়া চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের দামেও নতুন করে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক হলে সবজির দাম পুনরায় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে। তবে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।