ঢাকা ১২ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম নীলফামারীতে 'ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি’ অর্জনকারী ২৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা হবিগঞ্জ কারাগারে এক হাজতি বন্দির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল, তদন্তের দাবি পরিবারের শিবগঞ্জ সীমান্তে পৃথক অভিযান, নেশাজাতীয় সিরাপ ও ট্যাবলেটসহ আটক ১ বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার গাইবান্ধায় শ্রমিকদলের নেতা রঞ্জুর ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার স্পার বাঁধ থেকে অবৈধ মাটি কাটায় অর্থদণ্ড। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে নবনির্বাচিত ৪ এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান। পৌরসভার নাকের ডগায় নিয়ম ভাঙছে ডেভেলপাররা, রহস্যজনকভাবে নীরব পৌরসভা ঈদে সড়ক পথে নিরাপদ যাত্রায় প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ শীর্ষক সভা 

সাদমানের সেঞ্চুরিতে এগিয়ে বাংলাদেশ

#
news image

ওপেনার সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেট হাতে নিয়ে ৬৪ রানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের ২২৭ রানে জবাবে দিন শেষে ৭ উইকেটে ২৯১ রান করেছে বাংলাদেশ। সাদমান ১২০ রানে আউট হন।

চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৯০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৭ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে।

দ্বিতীয় দিনের প্রথম বলেই শেষ ব্যাটার ব্লেসিং মুজারাবানিকে আউট করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। মুজারাবানি ২ রান করেন। ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন উইকেটরক্ষক টাফাডজোয়া সিগা।

তাইজুল ২৭.১ ওভার বোলিং করে ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন। এছাড়া নাইম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান ১টি উইকেট নেন।

জবাবে দুই ওপেনার সাদমান ও এনামুল হকের দৃঢ়তায় ১১৮ রানের সূচনা পায় বাংলাদেশ। ১৪তম ওভারে ৫০ ও ২৬তম ওভারে দলের রান ১শ পূর্ণ করেন তারা। ৩২ ইনিংস ও ২৮ মাস পর টেস্টের উদ্বোধনী জুটিতে শতরান হল বাংলাদেশের। সর্বশেষ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রান তুলেছিলেন জাকির হাসান ও নাজমুল হোসেন।

চা-বিরতির পর ভাঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন এনামুল। তিন বছর পর টেস্ট দলে ফিরে ৪টি চারে ৮০ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। ৬ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান এনামুলের।

এরপর মোমিনুল হককে নিয়ে রানের চাকা সচল রেখে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন সাদমান। ২৬ ইনিংস পর টেস্টে শতক হাঁকালেন তিনি। সর্বশেষ ২০২১ সালের জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন সাদমান।

সাদমান-মোমিনুলের হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে দ্বিতীয় সেশন ভালোভাবে শেষ করার পথেই ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চা-বিরতির আগে পরপর দু’ওভারে সাদমান ও মোমিনুুলকে হারায় টাইগাররা।

১৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৮১ বলে ১২০ রান করেন সাদমান। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৩ রানে থামেন মোমিনুল। দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ও মোমিনুল ৭৬ রান যোগ করেন।

১৯৪ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে বাংলাদেশের লিড নিশ্চিত করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

শেষ বিকেলে ৩ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে লড়াইয়ে ফেরান লেগ-স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৩ রান করা শান্তকে, উইকেটরক্ষক জাকের আলিকে ৫ এবং টেল-এন্ডার নাইম হাসানকে ৩ রানে শিকার করেন মাসেকেসা। ২৭৯ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অষ্টম উইকেটে ১২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিনের খেলা শেষ করেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল। মিরাজ ১৬ ও তাইজুল ৫ রানে অপরাজিত আছেন।

মাসেকেসা ৪৪ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

জিম্বাবুয়ে : ২২৭/১০, ৯০.১ ওভার (উইলিয়ামস ৬৭, ওয়েলচ ৫৪, তাইজুল ৬/৬০)।

বাংলাদেশ : ২৯১/৭, ৮৭ ওভার (সাদমান ১২০, মুশফিক ৪০, মাসেকেসা ৩/৪৪)।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৩০ এপ্রিল, ২০২৫,  1:55 AM

news image

ওপেনার সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেট হাতে নিয়ে ৬৪ রানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের ২২৭ রানে জবাবে দিন শেষে ৭ উইকেটে ২৯১ রান করেছে বাংলাদেশ। সাদমান ১২০ রানে আউট হন।

চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৯০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৭ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে।

দ্বিতীয় দিনের প্রথম বলেই শেষ ব্যাটার ব্লেসিং মুজারাবানিকে আউট করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। মুজারাবানি ২ রান করেন। ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন উইকেটরক্ষক টাফাডজোয়া সিগা।

তাইজুল ২৭.১ ওভার বোলিং করে ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন। এছাড়া নাইম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান ১টি উইকেট নেন।

জবাবে দুই ওপেনার সাদমান ও এনামুল হকের দৃঢ়তায় ১১৮ রানের সূচনা পায় বাংলাদেশ। ১৪তম ওভারে ৫০ ও ২৬তম ওভারে দলের রান ১শ পূর্ণ করেন তারা। ৩২ ইনিংস ও ২৮ মাস পর টেস্টের উদ্বোধনী জুটিতে শতরান হল বাংলাদেশের। সর্বশেষ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রান তুলেছিলেন জাকির হাসান ও নাজমুল হোসেন।

চা-বিরতির পর ভাঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন এনামুল। তিন বছর পর টেস্ট দলে ফিরে ৪টি চারে ৮০ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। ৬ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান এনামুলের।

এরপর মোমিনুল হককে নিয়ে রানের চাকা সচল রেখে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন সাদমান। ২৬ ইনিংস পর টেস্টে শতক হাঁকালেন তিনি। সর্বশেষ ২০২১ সালের জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন সাদমান।

সাদমান-মোমিনুলের হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে দ্বিতীয় সেশন ভালোভাবে শেষ করার পথেই ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চা-বিরতির আগে পরপর দু’ওভারে সাদমান ও মোমিনুুলকে হারায় টাইগাররা।

১৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৮১ বলে ১২০ রান করেন সাদমান। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৩ রানে থামেন মোমিনুল। দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ও মোমিনুল ৭৬ রান যোগ করেন।

১৯৪ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে বাংলাদেশের লিড নিশ্চিত করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

শেষ বিকেলে ৩ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে লড়াইয়ে ফেরান লেগ-স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৩ রান করা শান্তকে, উইকেটরক্ষক জাকের আলিকে ৫ এবং টেল-এন্ডার নাইম হাসানকে ৩ রানে শিকার করেন মাসেকেসা। ২৭৯ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অষ্টম উইকেটে ১২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিনের খেলা শেষ করেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল। মিরাজ ১৬ ও তাইজুল ৫ রানে অপরাজিত আছেন।

মাসেকেসা ৪৪ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

জিম্বাবুয়ে : ২২৭/১০, ৯০.১ ওভার (উইলিয়ামস ৬৭, ওয়েলচ ৫৪, তাইজুল ৬/৬০)।

বাংলাদেশ : ২৯১/৭, ৮৭ ওভার (সাদমান ১২০, মুশফিক ৪০, মাসেকেসা ৩/৪৪)।