ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭৬ ফরিদপুরে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ ।  গাজীপুরে অধ্যাপক এম এ মান্নান এর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালিত আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার

মাহমুদুর রহমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট

#
news image

সম্পদের হিসাব দাখিল না করা সংক্রান্ত মামলায় ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি সহিদুল করিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

আদালতে মাহমুদুর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পারভেজ হোসেন, ওমর ফারুক ও বনি আদম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ।

২০১০ সালের ১৯ এপ্রিল সম্পদের বিবরণী চেয়ে মাহমুদুর রহমানকে নোটিশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই নোটিশে বিনিয়োগ বোর্ডের সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানের নিজ নামে, তাঁর স্ত্রীর নামে ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের নামে-বেনামে থাকা অর্জিত স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা, আয়ের উৎস ও ওই সম্পদ অর্জনের বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়। তবে সম্পদের তথ্য বিবরণী নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় দুদকের উপ-পরিচালক নূর আহম্মেদ গুলশান থানায় মামলা করেন। সে মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারিক আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন মাহমুদুর রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ মার্চ, ২০২৫,  7:21 PM

news image

সম্পদের হিসাব দাখিল না করা সংক্রান্ত মামলায় ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি সহিদুল করিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

আদালতে মাহমুদুর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পারভেজ হোসেন, ওমর ফারুক ও বনি আদম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ।

২০১০ সালের ১৯ এপ্রিল সম্পদের বিবরণী চেয়ে মাহমুদুর রহমানকে নোটিশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই নোটিশে বিনিয়োগ বোর্ডের সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানের নিজ নামে, তাঁর স্ত্রীর নামে ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের নামে-বেনামে থাকা অর্জিত স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা, আয়ের উৎস ও ওই সম্পদ অর্জনের বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়। তবে সম্পদের তথ্য বিবরণী নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় দুদকের উপ-পরিচালক নূর আহম্মেদ গুলশান থানায় মামলা করেন। সে মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারিক আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন মাহমুদুর রহমান।