ঢাকা ২৩ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
‘হৃদয়ে ঢাকা-৪১৬’: মধুমিতায় সপ্তাহব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন, বরেণ্যদের সম্মাননা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৭০২ জন অনন্য সৌন্দর্যের আধার হাকালুকি হাওর শাল্লায় বর্ণিল আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত পালংখালীতে এজেন্ট ব্যাংক জালিয়াতি: গ্রাহকদের মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ সরিষাবাড়ীতে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও সমাবেশ রাজশাহীতে জমকালো আয়োজনে ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল শুরু তেঁতুলিয়ায় বুড়াবুড়ি ইউনিয়নবাসীর জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করলেন চেয়ারম্যান তারেক বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ১৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা: গ্রেপ্তার ১ নরসিংদীর এডিসি মাহমুদা বেগমকে বদলি ও অবমুক্ত

বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ১৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা: গ্রেপ্তার ১

#
news image

সিলেটের বিশ্বনাথে বিশেষ ক্ষমতা আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ১৬২ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় উপজেলার অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ইরন মিয়া বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় এ মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৭, তারিখ: ২১/০৮/২০২৬)। মামলায় ৯২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে মামলা দায়েরের পরপরই শুক্রবার দিবাগত রাতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে এজাহারনামীয় অভিযুক্ত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিশ্বনাথ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল কাইয়ুম পৌর শহরের অলংকারী গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে।

মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ আসাদুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক মকদ্দছ আলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজ মিয়া, সদস্য কবির আহমদ কুব্বার, এনামুল হক এনাম মেম্বার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মুহিবুর রহমান সুইট, বিশ্বনাথ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা-পৌর শাখার সদস্য রফিক হাসান, ফজর আলী, বারাম উদ্দিন, পৌর শাখার আহ্বায়ক আব্দুল জলিল জালাল, যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাব হোসেন, সদস্য শংকর দাস শংকু, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আব্দুর নূর, সাধারণ সম্পাদক শংকর চন্দ্র ধর, অলংকারী ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরা মিয়া, রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শেখ ফজর রহমান এবং নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি পার্থ সারথী দাশ পাপ্পু।

মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন—শামীম, রুহেল খান, ওয়াহাব আলী, জুনাব আলী, আবদুল হান্নান তোতা, হাবিব মিয়া, দুদু, মানিক মিয়া, রফিক মিয়া, শাখাওয়াত হোসেন, সৈয়দ হোসেন, আব্দুস ছত্তার, সেলিম মিয়া, ইবাদুল ইসলাম, শাহজাহান সিরাজ, বাবুল মিয়া, আব্দুল মনাফ, আবুল কালাম, আব্দুস ছোবান, কাওছার আহমদ, মতিন আহমদ, মঈন উদ্দিন, সালমান খান, লায়েক আহমদ, জাহেদ আহমদ, আমিনুল ইসলাম, সাহেদ মিয়া, সানুর আলী, সিরাজুল হক, আব্দুল মান্নান, আব্দুস শহিদ, তোরণ মিয়া, শামিম মিয়া, খোকন মিয়া, রাজন মিয়া, নজরুল ইসলাম, মামুন মিয়া, শামছুল হক, ইয়াছিন আলী, আনোয়ার হোসেন আনোয়ার, জসিম উদ্দিন, আকবর আলী, কমরু মিয়া, শাহেদ, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ মিয়া, এখলাছ মিয়া, বাবুল মিয়া, রাজন মিয়া, সারোয়ার মিয়া, জুবেল মিয়া, নাহি মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, নাছির আলী, রাসেল মিয়া, ফয়ছল আহমদ, শেখ সালমান আহমদ, আব্দুল আহাদ রোকন, বাচ্চু মিয়া, নজমুল আলম, বদরুল আলম, জয়নাল মিয়া, আকরাম মিয়া, নুরুজ্জামান, রেনু মিয়া, জামাল মিয়া, রনি মিয়া, আফাজ মিয়া, শাহিন মিয়া, ফারুক মিয়া ও কাজী সাঈদ। এছাড়া মামলায় বিশ্বনাথ উপজেলার পাশাপাশি ওসমানীনগর উপজেলার একাধিক ব্যক্তিকেও এজাহারনামীয় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাতে উপজেলার রামপাশা এলাকায় অভিযুক্তরা সড়কের ওপর গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

লিখিত অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, ত্রাস সৃষ্টি, দেশের উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটানো এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল কাইয়ুমকে শনিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি :

২২ আগস্ট, ২০২৬,  8:26 PM

news image

সিলেটের বিশ্বনাথে বিশেষ ক্ষমতা আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ১৬২ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় উপজেলার অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ইরন মিয়া বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় এ মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৭, তারিখ: ২১/০৮/২০২৬)। মামলায় ৯২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে মামলা দায়েরের পরপরই শুক্রবার দিবাগত রাতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে এজাহারনামীয় অভিযুক্ত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিশ্বনাথ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল কাইয়ুম পৌর শহরের অলংকারী গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে।

মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ আসাদুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক মকদ্দছ আলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজ মিয়া, সদস্য কবির আহমদ কুব্বার, এনামুল হক এনাম মেম্বার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মুহিবুর রহমান সুইট, বিশ্বনাথ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা-পৌর শাখার সদস্য রফিক হাসান, ফজর আলী, বারাম উদ্দিন, পৌর শাখার আহ্বায়ক আব্দুল জলিল জালাল, যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাব হোসেন, সদস্য শংকর দাস শংকু, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আব্দুর নূর, সাধারণ সম্পাদক শংকর চন্দ্র ধর, অলংকারী ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরা মিয়া, রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শেখ ফজর রহমান এবং নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি পার্থ সারথী দাশ পাপ্পু।

মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন—শামীম, রুহেল খান, ওয়াহাব আলী, জুনাব আলী, আবদুল হান্নান তোতা, হাবিব মিয়া, দুদু, মানিক মিয়া, রফিক মিয়া, শাখাওয়াত হোসেন, সৈয়দ হোসেন, আব্দুস ছত্তার, সেলিম মিয়া, ইবাদুল ইসলাম, শাহজাহান সিরাজ, বাবুল মিয়া, আব্দুল মনাফ, আবুল কালাম, আব্দুস ছোবান, কাওছার আহমদ, মতিন আহমদ, মঈন উদ্দিন, সালমান খান, লায়েক আহমদ, জাহেদ আহমদ, আমিনুল ইসলাম, সাহেদ মিয়া, সানুর আলী, সিরাজুল হক, আব্দুল মান্নান, আব্দুস শহিদ, তোরণ মিয়া, শামিম মিয়া, খোকন মিয়া, রাজন মিয়া, নজরুল ইসলাম, মামুন মিয়া, শামছুল হক, ইয়াছিন আলী, আনোয়ার হোসেন আনোয়ার, জসিম উদ্দিন, আকবর আলী, কমরু মিয়া, শাহেদ, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ মিয়া, এখলাছ মিয়া, বাবুল মিয়া, রাজন মিয়া, সারোয়ার মিয়া, জুবেল মিয়া, নাহি মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, নাছির আলী, রাসেল মিয়া, ফয়ছল আহমদ, শেখ সালমান আহমদ, আব্দুল আহাদ রোকন, বাচ্চু মিয়া, নজমুল আলম, বদরুল আলম, জয়নাল মিয়া, আকরাম মিয়া, নুরুজ্জামান, রেনু মিয়া, জামাল মিয়া, রনি মিয়া, আফাজ মিয়া, শাহিন মিয়া, ফারুক মিয়া ও কাজী সাঈদ। এছাড়া মামলায় বিশ্বনাথ উপজেলার পাশাপাশি ওসমানীনগর উপজেলার একাধিক ব্যক্তিকেও এজাহারনামীয় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাতে উপজেলার রামপাশা এলাকায় অভিযুক্তরা সড়কের ওপর গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

লিখিত অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, ত্রাস সৃষ্টি, দেশের উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটানো এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল কাইয়ুমকে শনিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।