সরিষাবাড়ীতে দুই সন্তানের জননীসহ সাবেক পুলিশ সদস্য আটক, পরে চম্পট
সরিষাবাড়ী (জামালপুর ) প্রতিনিধি :
৩১ জুলাই, ২০২৬, 11:11 PM
সরিষাবাড়ীতে দুই সন্তানের জননীসহ সাবেক পুলিশ সদস্য আটক, পরে চম্পট
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দুই সন্তানের জননীকে নিয়ে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের গোপনে ভাড়া বাসায় বসবাসের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে পৌরসভার বাউসি উত্তরপাড়া এলাকায় লিয়াকত শিকদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে কাজী ডেকে তাৎক্ষণিক তালাক সম্পন্ন হলেও বিয়ের আগেই সটকে পড়েন অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ সদস্য।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ভাটারা ইউনিয়নের মহিষাবাদুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আফছার আলীর সঙ্গে দুই সন্তানের জননী সবুজা আক্তার শিলার পূর্বপরিচয় ছিল। সম্প্রতি শিলা বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে স্বামীর ঘর ছাড়েন। গত ২৫ জুলাই থেকে তিনি আফছার আলীর সঙ্গে ওই ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন।
শিলা নিখোঁজের পর তাঁর স্বামী আল আমিন স্বজনদের নিয়ে সন্ধান চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে আর্থিক বিনিময়ে আফছারের এক সহযোগীর মাধ্যমে গোপন আস্তানার তথ্য পান তিনি। পরে আল আমিন, তাঁর বাবা-মা ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে ওই বাসা থেকে শিলা ও আফছারকে হাতেনাতে আটক করেন। তবে উপস্থিত লোকজনের ভিড়ের সুযোগে কৌশলে সটকে পড়েন আফছার আলী।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শিলা তাঁর স্বামী আল আমিনকে তালাক দিয়ে আফছারের সঙ্গেই সংসার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে কাজী ডেকে আল আমিন ও শিলার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটানো হয়। তবে অভিযুক্ত আফছার পালিয়ে যাওয়ায় শিলার সঙ্গে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন করা যায়নি।
অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ সদস্য আফছার আলী দাবি করেন, পরবর্তীতে তাঁরা নিয়ম মেনে কাবিন রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেছেন।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, খবরটি তাঁরা শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরিষাবাড়ী (জামালপুর ) প্রতিনিধি :
৩১ জুলাই, ২০২৬, 11:11 PM
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দুই সন্তানের জননীকে নিয়ে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের গোপনে ভাড়া বাসায় বসবাসের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে পৌরসভার বাউসি উত্তরপাড়া এলাকায় লিয়াকত শিকদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে কাজী ডেকে তাৎক্ষণিক তালাক সম্পন্ন হলেও বিয়ের আগেই সটকে পড়েন অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ সদস্য।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ভাটারা ইউনিয়নের মহিষাবাদুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আফছার আলীর সঙ্গে দুই সন্তানের জননী সবুজা আক্তার শিলার পূর্বপরিচয় ছিল। সম্প্রতি শিলা বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে স্বামীর ঘর ছাড়েন। গত ২৫ জুলাই থেকে তিনি আফছার আলীর সঙ্গে ওই ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন।
শিলা নিখোঁজের পর তাঁর স্বামী আল আমিন স্বজনদের নিয়ে সন্ধান চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে আর্থিক বিনিময়ে আফছারের এক সহযোগীর মাধ্যমে গোপন আস্তানার তথ্য পান তিনি। পরে আল আমিন, তাঁর বাবা-মা ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে ওই বাসা থেকে শিলা ও আফছারকে হাতেনাতে আটক করেন। তবে উপস্থিত লোকজনের ভিড়ের সুযোগে কৌশলে সটকে পড়েন আফছার আলী।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শিলা তাঁর স্বামী আল আমিনকে তালাক দিয়ে আফছারের সঙ্গেই সংসার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে কাজী ডেকে আল আমিন ও শিলার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটানো হয়। তবে অভিযুক্ত আফছার পালিয়ে যাওয়ায় শিলার সঙ্গে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন করা যায়নি।
অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ সদস্য আফছার আলী দাবি করেন, পরবর্তীতে তাঁরা নিয়ম মেনে কাবিন রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেছেন।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, খবরটি তাঁরা শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।