ঢাকা ৩১ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
সরিষাবাড়ীতে দুই সন্তানের জননীসহ সাবেক পুলিশ সদস্য আটক, পরে চম্পট বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে দীপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত ছুটির দিনে নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর সড়ক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ধৰ্ম দিয়ে বিভাজনের অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সম্পর্ক নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: শেখ বশিরউদ্দীন লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই পদ্মায় পারাপার, ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ ফকিরহাটে ১০০ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মশকনিধন কার্যক্রম শুরু গাছা থানার বিভিন্ন রাস্তার উদ্ধোধন করেন  জিসিসির প্রশাসক কোনাবাড়িতে বিভিন্ন রাস্তার উদ্ধোধন ও বৃক্ষ রোপণ কর্মসুচিতে জিসিসির প্রশাসক

ধৰ্ম দিয়ে বিভাজনের অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

#
news image

ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘সম্মিলিত সনাতন পরিষদ’ আয়োজিত ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মির্জা ফখরুল বলেন, “ধর্মের নামে যারা দেশকে বিভাজনের দিকে নিয়ে যেতে চায়, তাদের অবশ্যই রুখে দিতে হবে। মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা একটি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই।”

ঐতিহাসিক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের দেশ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে ঐক্যের মূল আদর্শকে ভিত্তি করে। যারা একাত্তর ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনো বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না।

গত ১৫ বছরের শাসনকালে গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের সমান অধিকার, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা এবং জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করার একমাত্র গ্যারান্টি হলো কার্যকর একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।

অন্তর্বর্তী সংস্কার ও নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচিতে সনাতন সম্প্রদায়, জাতিগত সংখ্যালঘু, সমতল ও পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্গাপূজা ও রথযাত্রাসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসবগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। বিএনপি কাউকে ‘সংখ্যালঘু’ মনে করে না। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকতে হবে। আমরা একই মাতৃভূমির সন্তান, অভিন্ন সংস্কৃতি ও ইতিহাসের আলোকে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাব।”

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৩১ জুলাই, ২০২৬,  8:24 PM

news image

ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘সম্মিলিত সনাতন পরিষদ’ আয়োজিত ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মির্জা ফখরুল বলেন, “ধর্মের নামে যারা দেশকে বিভাজনের দিকে নিয়ে যেতে চায়, তাদের অবশ্যই রুখে দিতে হবে। মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা একটি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই।”

ঐতিহাসিক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের দেশ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে ঐক্যের মূল আদর্শকে ভিত্তি করে। যারা একাত্তর ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনো বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না।

গত ১৫ বছরের শাসনকালে গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের সমান অধিকার, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা এবং জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করার একমাত্র গ্যারান্টি হলো কার্যকর একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।

অন্তর্বর্তী সংস্কার ও নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচিতে সনাতন সম্প্রদায়, জাতিগত সংখ্যালঘু, সমতল ও পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্গাপূজা ও রথযাত্রাসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসবগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। বিএনপি কাউকে ‘সংখ্যালঘু’ মনে করে না। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকতে হবে। আমরা একই মাতৃভূমির সন্তান, অভিন্ন সংস্কৃতি ও ইতিহাসের আলোকে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাব।”