থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :
০৮ মার্চ, ২০২৬, 7:09 PM
থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি
খুলনার কয়রা উপজেলা সদরে থানার সামনে অবস্থিত কয়রা প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব থেকে ১৭টি ল্যাপটপ, প্রিন্টার,শিশুদের পরিবহনের ১০টি ভ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় কোনো একদিন রাতে চোরেরা বিদ্যালয় ভবনের দরজা ও জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা কম্পিউটার ল্যাবসহ বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৭টি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টার, কম্পিউটার ল্যাবের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, টেবিল-চেয়ার, বেঞ্চ এবং জানালার গ্রিল। এছাড়া বিদ্যালয়ের পানির পাম্প ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত একটি ভ্যানও চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ১৭ মাস ধরে বিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভবনটি অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের কেয়ারটেকার মেহেদী হাসান বলেন, “কয়েক দিন আগে বিদ্যালয়ে এসে দেখি স্কুলের দরজা-জানালা ভাঙা এবং ভেতরের বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করা। পরে দেখা যায় কম্পিউটার ল্যাবের ১৭টি ল্যাপটপ, প্রিন্টারসহ প্রায় সব যন্ত্রপাতি নেই। এছাড়া বেঞ্চ, পানির পাম্প ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের ভ্যানটিও চুরি হয়ে গেছে।”
বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মরিয়ম বলে, “অনেক দিন ধরে আমাদের স্কুল বন্ধ। আমরা আবার স্কুলে ফিরতে চাই। স্কুল বন্ধ থাকায় আমাদের পড়ালেখা ঠিকমতো হচ্ছে না।”
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য এই বিদ্যালয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকলেও ভেতরে থাকা শিক্ষাসামগ্রী সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু এই চুরির ঘটনায় বিদ্যালয়ের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, “বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনার বিষয়টি আমরা একটি সংবাদ মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে এখনো এ বিষয়ে কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :
০৮ মার্চ, ২০২৬, 7:09 PM
খুলনার কয়রা উপজেলা সদরে থানার সামনে অবস্থিত কয়রা প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব থেকে ১৭টি ল্যাপটপ, প্রিন্টার,শিশুদের পরিবহনের ১০টি ভ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় কোনো একদিন রাতে চোরেরা বিদ্যালয় ভবনের দরজা ও জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা কম্পিউটার ল্যাবসহ বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৭টি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টার, কম্পিউটার ল্যাবের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, টেবিল-চেয়ার, বেঞ্চ এবং জানালার গ্রিল। এছাড়া বিদ্যালয়ের পানির পাম্প ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত একটি ভ্যানও চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ১৭ মাস ধরে বিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভবনটি অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের কেয়ারটেকার মেহেদী হাসান বলেন, “কয়েক দিন আগে বিদ্যালয়ে এসে দেখি স্কুলের দরজা-জানালা ভাঙা এবং ভেতরের বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করা। পরে দেখা যায় কম্পিউটার ল্যাবের ১৭টি ল্যাপটপ, প্রিন্টারসহ প্রায় সব যন্ত্রপাতি নেই। এছাড়া বেঞ্চ, পানির পাম্প ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের ভ্যানটিও চুরি হয়ে গেছে।”
বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মরিয়ম বলে, “অনেক দিন ধরে আমাদের স্কুল বন্ধ। আমরা আবার স্কুলে ফিরতে চাই। স্কুল বন্ধ থাকায় আমাদের পড়ালেখা ঠিকমতো হচ্ছে না।”
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য এই বিদ্যালয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকলেও ভেতরে থাকা শিক্ষাসামগ্রী সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু এই চুরির ঘটনায় বিদ্যালয়ের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, “বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনার বিষয়টি আমরা একটি সংবাদ মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে এখনো এ বিষয়ে কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”