ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার গাজীপুরে টঙ্গীতে হাজী বস্তিতে অভিযান, মাদক সেবনরত ৩০ জন আটক কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত

#
news image

জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা রাখায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ছয় কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে স্থায়ীভাবে, আর তিনজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক  আদেশে এ বরখাস্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 দীর্ঘদিন কর্ম ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে স্থায়ী বরখাস্ত হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি রেজিস্টার (স্টোর) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিকাইল ইসলাম ও জেষ্ঠ্য চিকিৎসক কর্মকর্তা  অভিষেক বিশ্বাস। ওই অফিসে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে অনুপস্থিত থাকায় ওই তিন কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুইবার করণ দর্শানো নোটিশ দেন। কিন্তু তারা কারণ দর্শানোর নোটিশের কোন জবাব না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা মোতাবেক তাদের পলাতক বলে গণ্য করা হয়, ওই  আইন অনুযায়ী বিষয়টি শাস্তিযোগ্য হওয়ায়, শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ এবং রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী স্থায়ীভাবে চাকুরি হতে বরখাস্ত করা হল।

সাময়িক বরখাস্ত করা অপর তিন কর্মকর্তা হলেন‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্টার ফারজানা ইসলাম (শাহবাগ থানায় একাধিক মামলা আছে), নজরুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক (পউও) তুহিন মাহামুদ। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম ও ফারজানা ইসলাম দুজনেই ফৌজদারী মামলার ও তুহিন মাহমুদ বিভাগীয় মামলার আসামি এবং বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে বহিষ্কৃত কর্মকর্তারা। ২৪ এর ৩রা আগস্ট এক মিছিলে তারা আন্দোলনবিরোধী নানা স্লোগান দেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের চামড়া তুলে নেওয়া সহ বিএনপি, জামাত এর বিপক্ষে হুশিয়ারীসূলক বক্তব্য প্রদান করেন তারা। পরে আওয়ামী লীগের পতন হলে তারা পলায়ন করে।

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

১৪ নভেম্বর, ২০২৫,  8:57 PM

news image

জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা রাখায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ছয় কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে স্থায়ীভাবে, আর তিনজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক  আদেশে এ বরখাস্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 দীর্ঘদিন কর্ম ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে স্থায়ী বরখাস্ত হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি রেজিস্টার (স্টোর) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিকাইল ইসলাম ও জেষ্ঠ্য চিকিৎসক কর্মকর্তা  অভিষেক বিশ্বাস। ওই অফিসে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে অনুপস্থিত থাকায় ওই তিন কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুইবার করণ দর্শানো নোটিশ দেন। কিন্তু তারা কারণ দর্শানোর নোটিশের কোন জবাব না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা মোতাবেক তাদের পলাতক বলে গণ্য করা হয়, ওই  আইন অনুযায়ী বিষয়টি শাস্তিযোগ্য হওয়ায়, শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ এবং রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী স্থায়ীভাবে চাকুরি হতে বরখাস্ত করা হল।

সাময়িক বরখাস্ত করা অপর তিন কর্মকর্তা হলেন‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্টার ফারজানা ইসলাম (শাহবাগ থানায় একাধিক মামলা আছে), নজরুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক (পউও) তুহিন মাহামুদ। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম ও ফারজানা ইসলাম দুজনেই ফৌজদারী মামলার ও তুহিন মাহমুদ বিভাগীয় মামলার আসামি এবং বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে বহিষ্কৃত কর্মকর্তারা। ২৪ এর ৩রা আগস্ট এক মিছিলে তারা আন্দোলনবিরোধী নানা স্লোগান দেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের চামড়া তুলে নেওয়া সহ বিএনপি, জামাত এর বিপক্ষে হুশিয়ারীসূলক বক্তব্য প্রদান করেন তারা। পরে আওয়ামী লীগের পতন হলে তারা পলায়ন করে।