ঢাকা ২২ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ভিসা জটিলতা নিরসনে ব্যবস্থা নিতে ইতালির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা

#
news image

ঢাকা আজ উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশী কর্মীদের ভিসা আবেদন নিষ্পত্তির যথাযথ ব্যবস্থা নিতে এবং বিদ্যমান ভিসা জটিলতা দ্রুত সমাধানে ইতালির দূতাবাসকে অনুরোধ করেছে। 

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার সময় এই আহ্বান জানানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে।

আলোচনাকালে পররাষ্ট্র সচিব ভিসা আবেদনের বিশেষ করে অভিবাসী কর্মীদের আটকে থাকা ভিসার বিষয়টি উত্থাপন করেন।

তিনি আরও বলেন, ভিসা প্রদানে এই ধরনের বিলম্বের ফলে ওয়ার্ক পারমিট (নুলা ওস্তাস) মেয়াদোত্তীর্ণ বা বাতিল হতে পারে। এতে ভিসা প্রার্থী ও তাদের পরিবারের উপর বিশাল আর্থিক, সামাজিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো এই বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তিনি আরো জানিয়েছেন যে, গত বছরের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের দেয়া সকল লুল্লা ওস্তাস বর্তমানে ইতালিয় সরকারের নতুন আইনের অধীনে স্থগিত রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আইনটি গৃহীত হওয়ার আগে যারা ইতিমধ্যেই ভিসা আবেদন জমা দিয়েছেন তাদের ভ্রমণ নথি ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদূত আরও জানান যে, লুল্লা ওস্তার পুনঃপরীক্ষা প্রক্রিয়া কেবলমাত্র ইতালির প্রাদেশিক অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়, যারা লুল্লা ওস্তা নিশ্চিত বা বাতিল করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, মুলতুবি থাকা লুল্লা ওস্তার যাচাই-বাছাইয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনও ক্ষমতা দূতাবাসের নেই।

প্রক্রিয়াকরণের সময় সম্পর্কে একটি প্রশ্নের বিষয়ে, ইতালিয় রাষ্ট্রদূত ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, দূতাবাস ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অবস্থানে নেই।

বাংলাদেশে গৃহীত কাজের ভিসা আবেদন এবং ইতালিতে ‘ফ্লো ডিক্রি’ বাস্তবায়নের বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণের জন্য কখনও কখনও ৯০ দিনেরও বেশি সময় লাগে।

“লুল্লা ওস্তা”-এর মেয়াদ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো বলেছেন, আইনত স্থগিতাদেশের ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ হিমায়িত অবস্থায় রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো পররাষ্ট্র সচিবকে আশ্বস্ত করেছেন, তিনি ইতালির উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে মুলতবি থাকা লুল্লা ওস্তাসের পুনঃপরীক্ষা দ্রুত করার এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যাটির সমাধানের অনুরোধ পৌঁছে দেবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২০ মার্চ, ২০২৫,  6:34 AM

news image

ঢাকা আজ উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশী কর্মীদের ভিসা আবেদন নিষ্পত্তির যথাযথ ব্যবস্থা নিতে এবং বিদ্যমান ভিসা জটিলতা দ্রুত সমাধানে ইতালির দূতাবাসকে অনুরোধ করেছে। 

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার সময় এই আহ্বান জানানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে।

আলোচনাকালে পররাষ্ট্র সচিব ভিসা আবেদনের বিশেষ করে অভিবাসী কর্মীদের আটকে থাকা ভিসার বিষয়টি উত্থাপন করেন।

তিনি আরও বলেন, ভিসা প্রদানে এই ধরনের বিলম্বের ফলে ওয়ার্ক পারমিট (নুলা ওস্তাস) মেয়াদোত্তীর্ণ বা বাতিল হতে পারে। এতে ভিসা প্রার্থী ও তাদের পরিবারের উপর বিশাল আর্থিক, সামাজিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো এই বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তিনি আরো জানিয়েছেন যে, গত বছরের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের দেয়া সকল লুল্লা ওস্তাস বর্তমানে ইতালিয় সরকারের নতুন আইনের অধীনে স্থগিত রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আইনটি গৃহীত হওয়ার আগে যারা ইতিমধ্যেই ভিসা আবেদন জমা দিয়েছেন তাদের ভ্রমণ নথি ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদূত আরও জানান যে, লুল্লা ওস্তার পুনঃপরীক্ষা প্রক্রিয়া কেবলমাত্র ইতালির প্রাদেশিক অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়, যারা লুল্লা ওস্তা নিশ্চিত বা বাতিল করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, মুলতুবি থাকা লুল্লা ওস্তার যাচাই-বাছাইয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনও ক্ষমতা দূতাবাসের নেই।

প্রক্রিয়াকরণের সময় সম্পর্কে একটি প্রশ্নের বিষয়ে, ইতালিয় রাষ্ট্রদূত ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, দূতাবাস ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অবস্থানে নেই।

বাংলাদেশে গৃহীত কাজের ভিসা আবেদন এবং ইতালিতে ‘ফ্লো ডিক্রি’ বাস্তবায়নের বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণের জন্য কখনও কখনও ৯০ দিনেরও বেশি সময় লাগে।

“লুল্লা ওস্তা”-এর মেয়াদ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো বলেছেন, আইনত স্থগিতাদেশের ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ হিমায়িত অবস্থায় রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো পররাষ্ট্র সচিবকে আশ্বস্ত করেছেন, তিনি ইতালির উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে মুলতবি থাকা লুল্লা ওস্তাসের পুনঃপরীক্ষা দ্রুত করার এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যাটির সমাধানের অনুরোধ পৌঁছে দেবেন।