ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পাঁচটি পানির মোটর চুরির অভিযোগে সাকিল (২৫) ও রতন খান (৩৫) নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া পানির মোটর তাদের খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বিএস ডাঙ্গী এলাকায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাকিলকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর অভিযুক্ত রতন খানের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে চোরাই পানির মোটর উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিএস ডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা মো. সোরহাব হোসেনের নবনির্মিত তিনতলা ভবনের নিচতলার সিঁড়ির নিচ থেকে গত ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি পানির মোটর চুরি হয়। এ ছাড়া একই এলাকার নুরু মোল্লা, মঞ্জু মৃধা ও আদেল উদ্দিন খানের বাড়ি থেকেও বিভিন্ন সময়ে আরও চারটি পানির মোটর চুরি হয়। চুরি হওয়া পাঁচটি মোটরের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৯ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার রাতে বিএস ডাঙ্গী এলাকায় সাকিলকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম, ইমাম হাসান ও জিহাদসহ কয়েকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাকিলকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাকিল পাঁচটি পানির মোটর চুরির কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। পরে তার দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে একই রাতে অপর অভিযুক্ত রতন খানের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে চোরাই পানির মোটর উদ্ধার করা হয়। এ সময় রতন খানকেও আটক করা হয়। তিনি চোরাই মোটর কিনে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বাদী মো. সোরহাব হোসেন সাকিল ও রতন খানের বিরুদ্ধে চুরি এবং চোরাই মালামাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফর আলী বলেন, পানির মোটর চুরির ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া পানির মোটর উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, চুরি, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পাঁচটি পানির মোটর চুরির অভিযোগে সাকিল (২৫) ও রতন খান (৩৫) নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া পানির মোটর তাদের খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বিএস ডাঙ্গী এলাকায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাকিলকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর অভিযুক্ত রতন খানের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে চোরাই পানির মোটর উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিএস ডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা মো. সোরহাব হোসেনের নবনির্মিত তিনতলা ভবনের নিচতলার সিঁড়ির নিচ থেকে গত ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি পানির মোটর চুরি হয়। এ ছাড়া একই এলাকার নুরু মোল্লা, মঞ্জু মৃধা ও আদেল উদ্দিন খানের বাড়ি থেকেও বিভিন্ন সময়ে আরও চারটি পানির মোটর চুরি হয়। চুরি হওয়া পাঁচটি মোটরের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৯ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার রাতে বিএস ডাঙ্গী এলাকায় সাকিলকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম, ইমাম হাসান ও জিহাদসহ কয়েকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাকিলকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাকিল পাঁচটি পানির মোটর চুরির কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। পরে তার দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে একই রাতে অপর অভিযুক্ত রতন খানের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে চোরাই পানির মোটর উদ্ধার করা হয়। এ সময় রতন খানকেও আটক করা হয়। তিনি চোরাই মোটর কিনে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বাদী মো. সোরহাব হোসেন সাকিল ও রতন খানের বিরুদ্ধে চুরি এবং চোরাই মালামাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফর আলী বলেন, পানির মোটর চুরির ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া পানির মোটর উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, চুরি, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

মতামত