দৈনিক পল্লীবাংলা
আপডেট : বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

চান্দনা চৌরাস্তায় গায়েবানা জানাজার চেষ্টার সময় এনসিপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

চান্দনা চৌরাস্তায় গায়েবানা জানাজার চেষ্টার সময় এনসিপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

গাজীপুর মহানগরের বাংলাবাজার এলাকায় পোশাক কারখানা শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় আয়োজিত গায়েবানা জানাজার কর্মসূচিতে ধাওয়া দিয়ে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) পৌনে ১২টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, পোশাক শ্রমিক তৌফিক নিহতের প্রতিবাদে আজ দুপুর ১২টায় চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে গায়েবানা জানাজার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। নির্ধারিত সময়ে এনসিপি নেতা আলী নাসের খানের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি ব্যানার নিয়ে মোড়ে অবস্থান নেন। এনসিপি ও জাতীয় শ্রমিক শক্তির বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা বক্তব্য প্রদান শেষে গায়েবানা জানাজার পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত মোনাজাত শুরু করেন। মোনাজাত শেষ হওয়া মাত্রই পুলিশ ধাওয়া দিয়ে এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান অভিযোগ করে বলেন, “পোশাক শ্রমিক তৌফিক হত্যার বিচার ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতে আমাদের এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু পুলিশ অযাচিতভাবে হামলায় চালিয়ে তা পণ্ড করে দিয়েছে।” পুলিশের ধাওয়া ও হামলায় জাতীয় শ্রমিক শক্তির সভাপতি এবং এনসিপি গাজীপুর জেলা কমিটির নেতাসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে আহত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনর রশীদ জানান, এনসিপির নেতাকর্মীরা ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তার মূল সড়কে জানাজার নামে রাস্তা অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। প্রশাসন থেকে তাঁদের পাশের মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ কিংবা খেলার মাঠে জানাজা পড়ার অনুরোধ জানানো হলেও তাঁরা তা শোনেননি। জনভোগান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়েই তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো নেতাকর্মী আহত হননি বলে দাবি করেন ওসি।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দৈনিক পল্লীবাংলা

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


চান্দনা চৌরাস্তায় গায়েবানা জানাজার চেষ্টার সময় এনসিপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

গাজীপুর মহানগরের বাংলাবাজার এলাকায় পোশাক কারখানা শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় আয়োজিত গায়েবানা জানাজার কর্মসূচিতে ধাওয়া দিয়ে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) পৌনে ১২টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, পোশাক শ্রমিক তৌফিক নিহতের প্রতিবাদে আজ দুপুর ১২টায় চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে গায়েবানা জানাজার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। নির্ধারিত সময়ে এনসিপি নেতা আলী নাসের খানের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি ব্যানার নিয়ে মোড়ে অবস্থান নেন। এনসিপি ও জাতীয় শ্রমিক শক্তির বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা বক্তব্য প্রদান শেষে গায়েবানা জানাজার পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত মোনাজাত শুরু করেন। মোনাজাত শেষ হওয়া মাত্রই পুলিশ ধাওয়া দিয়ে এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান অভিযোগ করে বলেন, “পোশাক শ্রমিক তৌফিক হত্যার বিচার ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতে আমাদের এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু পুলিশ অযাচিতভাবে হামলায় চালিয়ে তা পণ্ড করে দিয়েছে।” পুলিশের ধাওয়া ও হামলায় জাতীয় শ্রমিক শক্তির সভাপতি এবং এনসিপি গাজীপুর জেলা কমিটির নেতাসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে আহত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনর রশীদ জানান, এনসিপির নেতাকর্মীরা ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তার মূল সড়কে জানাজার নামে রাস্তা অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। প্রশাসন থেকে তাঁদের পাশের মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ কিংবা খেলার মাঠে জানাজা পড়ার অনুরোধ জানানো হলেও তাঁরা তা শোনেননি। জনভোগান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়েই তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো নেতাকর্মী আহত হননি বলে দাবি করেন ওসি।


দৈনিক পল্লীবাংলা

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শেখ আজমল হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত পল্লী বাংলা