ঢাকা ০৫ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর নোয়াখালী সদরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড জমকালো আয়োজনে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ঈদে যাত্রী সেবার  মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে ডেটা চার্জ ছাড়াই ইমোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বাংলালিংকের গ্রাহকেরা 'চরপার্বতীতে পানের বরজ ভাঙচুরের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ' বড়লেখায় অবৈধ  বালু উত্তোলন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীর সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার বিচার কবে ? কয়রা উপজেলাতে কাবিটা প্রকল্পে দুর্নীতি, তিন লাখ টাকার কাজে ব্যয় মাত্র ৪০ হাজার

রোহিঙ্গা শিশু আরকান অপহরণকারী একজন কে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ

#
news image

উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের ১৯ নং ক্যাম্প  থেকে ছয় বছরের শিশু আরকান কে অপহরণের পর মাটিতে পুঁতে রেখে মুক্তিপন দাবীর ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তখন থেকে টনকনড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। 

মুক্তিপন দিয়ে ফেরত আসার ৪ দিন পর একজন রোহিঙ্গা অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বিষয় টি নিশ্চিত করছেন।  উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লক থেকে নুর ইসলাম (২১) কে সোমবার বিকেলে গ্রেফতার করা হয়। সে একই ক্যাম্পের মৃত নুরুল হকের সন্তান।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, ৮ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার পর শিশু আরাকান কে ছোলা মুড়ি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায় গ্রেফতার নুর ইসলাম। তার সাথে থাকা মো. সাদেক নামের আরো একজন। সে পলাতক রয়েছে তাহাকে ও গ্রেফতারের জন্যে কাজ চলছে। 

জসীম উদ্দিন বলেন, অপহরণের পর শিশু আরাকানকে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। সেখান থেকে শিশুটির পিতা আব্দু রহমানের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ দিতে না চাইলে অপহরণকারীরা শিশুটির গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রেখে ভিডিও পাঠায় আব্দু রহমানের কাছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন দাবী করেন, পুলিশের তৎপরতায় ১৭ জানুয়ারি অপহরণকারীরা ভুক্তভোগী আরাকানকে উখিয়ার কুতুপালং বাজারে রেখে চলে যায়।

ভুক্তভোগী আরাকানের পিতা আব্দু রহমান বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দাবী করেছিলেন, ২ লাখ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তার সন্তানকে ফেরত দিয়েছিলো অপহরণকারীরা।

তবে তাহার সর্বমোট ২ লাখ ৬০ হাজার খরচ গিয়েছে বলে দাবি করছেন তিনি। 
আসামি আটক সম্পর্কে আরকানের বাবা কে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি এখনো পর্যন্ত জানেন না বলে জানান।

উখিয়া প্রতিনিধি :

২০ জানুয়ারি, ২০২৫,  9:34 PM

news image

উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের ১৯ নং ক্যাম্প  থেকে ছয় বছরের শিশু আরকান কে অপহরণের পর মাটিতে পুঁতে রেখে মুক্তিপন দাবীর ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তখন থেকে টনকনড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। 

মুক্তিপন দিয়ে ফেরত আসার ৪ দিন পর একজন রোহিঙ্গা অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বিষয় টি নিশ্চিত করছেন।  উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লক থেকে নুর ইসলাম (২১) কে সোমবার বিকেলে গ্রেফতার করা হয়। সে একই ক্যাম্পের মৃত নুরুল হকের সন্তান।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, ৮ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার পর শিশু আরাকান কে ছোলা মুড়ি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায় গ্রেফতার নুর ইসলাম। তার সাথে থাকা মো. সাদেক নামের আরো একজন। সে পলাতক রয়েছে তাহাকে ও গ্রেফতারের জন্যে কাজ চলছে। 

জসীম উদ্দিন বলেন, অপহরণের পর শিশু আরাকানকে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। সেখান থেকে শিশুটির পিতা আব্দু রহমানের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ দিতে না চাইলে অপহরণকারীরা শিশুটির গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রেখে ভিডিও পাঠায় আব্দু রহমানের কাছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন দাবী করেন, পুলিশের তৎপরতায় ১৭ জানুয়ারি অপহরণকারীরা ভুক্তভোগী আরাকানকে উখিয়ার কুতুপালং বাজারে রেখে চলে যায়।

ভুক্তভোগী আরাকানের পিতা আব্দু রহমান বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দাবী করেছিলেন, ২ লাখ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তার সন্তানকে ফেরত দিয়েছিলো অপহরণকারীরা।

তবে তাহার সর্বমোট ২ লাখ ৬০ হাজার খরচ গিয়েছে বলে দাবি করছেন তিনি। 
আসামি আটক সম্পর্কে আরকানের বাবা কে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি এখনো পর্যন্ত জানেন না বলে জানান।