ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

কয়রা উপজেলাতে কাবিটা প্রকল্পে দুর্নীতি, তিন লাখ টাকার কাজে ব্যয় মাত্র ৪০ হাজার

#
news image

খুলনার কয়রা উপজেলায় কাবিটা প্রকল্পের আওতায় রাস্তা সংস্কারের নামে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিন লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে মাত্র ৪০ হাজার টাকার কাজ করে প্রকল্পটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা (নগদ অর্থ) কর্মসূচির আওতায় ‘কালনা কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ইদ্রিসের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটি ও ইট দ্বারা উন্নয়ন’ প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কয়রা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিস।

প্রকল্পের আওতায় রাস্তা মাটি ও ইট দিয়ে উন্নয়ন করার কথা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র কিছু ইট ফেলে পুরোনো রাস্তার ওপর বালু ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে রাস্তার স্থায়িত্ব ও চলাচলের উপযোগিতা বাড়েনি। বরং অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার অবস্থা আবার আগের মতো হয়ে গেছে। সম্প্রতি রাস্তার আগের একটি কাজের ভিডিও ভাইরাল হয়, সেখানে দেখা যায় রাস্তায় কোন কাজ না করে পুরাতন রাস্তার উপর বালু ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সরোজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো.আব্দুল গনি বলেন,“নামমাত্র কাজ করে আমাদের বোকা বানানো হয়েছে। তিন লাখ টাকার প্রকল্পে যেটুকু কাজ হয়েছে, তার মূল্য ৪০ হাজার টাকার বেশি হবে না। বাকি টাকা কোথায় গেল, সেটার জবাব চাই।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চলাচল করে। ঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে।”

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মহারাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাসুম বিল্লাহ মিন্টু ছিলেন এই প্রকল্পের সভাপতি। তাঁর তত্ত্বাবধানেই কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে তদারকি করা হয়নি। 


প্রকল্পের সভাপতি ও মহারাজপুর ইউপি সদস্য মো.মাসুম বিল্লাহ মিন্টু বলেন,আমি পূর্বেও এই রাস্তায় কিছু টাকা খরচ করেছি। প্রকল্পে সমস্যা থাকলে নতুন করে আবার রাস্তা করতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন আব্দুল্লাহ আল জাবির বলেন, “ কোন কাজ সঠিক ভাবে করা না হলে অর্থ ছাড় দেওয়া হবে না,বিষয়টি তিনি দেখবেন।চলমান প্রকল্পগুলো স্বচ্ছ্বতার জন্য তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন।"


কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে ।”

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :

০৩ মার্চ, ২০২৬,  2:56 AM

news image

খুলনার কয়রা উপজেলায় কাবিটা প্রকল্পের আওতায় রাস্তা সংস্কারের নামে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিন লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে মাত্র ৪০ হাজার টাকার কাজ করে প্রকল্পটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা (নগদ অর্থ) কর্মসূচির আওতায় ‘কালনা কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ইদ্রিসের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটি ও ইট দ্বারা উন্নয়ন’ প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কয়রা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিস।

প্রকল্পের আওতায় রাস্তা মাটি ও ইট দিয়ে উন্নয়ন করার কথা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র কিছু ইট ফেলে পুরোনো রাস্তার ওপর বালু ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে রাস্তার স্থায়িত্ব ও চলাচলের উপযোগিতা বাড়েনি। বরং অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার অবস্থা আবার আগের মতো হয়ে গেছে। সম্প্রতি রাস্তার আগের একটি কাজের ভিডিও ভাইরাল হয়, সেখানে দেখা যায় রাস্তায় কোন কাজ না করে পুরাতন রাস্তার উপর বালু ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সরোজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো.আব্দুল গনি বলেন,“নামমাত্র কাজ করে আমাদের বোকা বানানো হয়েছে। তিন লাখ টাকার প্রকল্পে যেটুকু কাজ হয়েছে, তার মূল্য ৪০ হাজার টাকার বেশি হবে না। বাকি টাকা কোথায় গেল, সেটার জবাব চাই।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চলাচল করে। ঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে।”

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মহারাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাসুম বিল্লাহ মিন্টু ছিলেন এই প্রকল্পের সভাপতি। তাঁর তত্ত্বাবধানেই কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে তদারকি করা হয়নি। 


প্রকল্পের সভাপতি ও মহারাজপুর ইউপি সদস্য মো.মাসুম বিল্লাহ মিন্টু বলেন,আমি পূর্বেও এই রাস্তায় কিছু টাকা খরচ করেছি। প্রকল্পে সমস্যা থাকলে নতুন করে আবার রাস্তা করতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন আব্দুল্লাহ আল জাবির বলেন, “ কোন কাজ সঠিক ভাবে করা না হলে অর্থ ছাড় দেওয়া হবে না,বিষয়টি তিনি দেখবেন।চলমান প্রকল্পগুলো স্বচ্ছ্বতার জন্য তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন।"


কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে ।”