ঢাকা ০৫ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর নোয়াখালী সদরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড জমকালো আয়োজনে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ঈদে যাত্রী সেবার  মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে ডেটা চার্জ ছাড়াই ইমোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বাংলালিংকের গ্রাহকেরা 'চরপার্বতীতে পানের বরজ ভাঙচুরের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ' বড়লেখায় অবৈধ  বালু উত্তোলন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীর সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার বিচার কবে ? কয়রা উপজেলাতে কাবিটা প্রকল্পে দুর্নীতি, তিন লাখ টাকার কাজে ব্যয় মাত্র ৪০ হাজার

গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

#
news image

গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য জবাবদিহিতার সীমানা নির্ধারণ করার জন্য গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জবাবদিহিতার সীমানা কতটুকু ও কীভাবে নির্ধারণ করতে হবে তা সরকারকে অবহিত করুন। 

তিনি বলেন, আপনাদের নির্ধারিত সেই সীমানার মধ্যে যাতে কোন গোয়েন্দা সংস্থা, রাষ্ট্রীয় অথবা রাষ্ট্রবহির্ভূত কোন হস্তক্ষেপ যাতে গণমাধ্যমকে কোন ধরনের বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সেই দায়িত্ব তথ্য মন্ত্রণালয় পালন করার জন্য প্রস্তুত আছে। 

বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

চট্টগ্রাম ক্লাবের সুইমিংপুল সাইডে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। 

সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিকদের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোন আনুষ্ঠানিক স্তম্ভ নয়। কিন্তু বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ এবং আইন বিভাগের পাশাপাশি গণমাধ্যম এমনভাবে বিরাজ করে, যে কারণে রাষ্ট্রবিজ্ঞান গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে। আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে আমার উপরে আস্থা রেখেছেন দায়িত্ব পালন করার জন্য। 

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের মতো এরকম একটা ক্ষেত্র, যেখানে আমরা চাই পরিপূর্ণ স্বাধীনতা থাকুক। এবং আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যেই আমরা গণমাধ্যমের এই স্বাধীনতার কথা উচ্চারণ করেছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বারবার এই কথা বলেছেন। 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আবার একই সঙ্গে আপনারা জানেন কোন স্বাধীনতা যদি দায়িত্বের কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ করা না যায়, তাহলে স্বাধীনতার সুফল ভোগ করা যায় না।

এবং অপরদিকে এই কাঠামো জবাবদিহিতার এই সীমানা যদি আমরা একতরফা সরকার থেকে নির্ধারণ করতে যাই, তাহলে অতীতের সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন পার্থক্য থাকবে না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যৌথভাবে পথ চলার পথনকশা তৈরি করতে হবে। তারপর সেই পথনকশা ধরে আমরা যদি প্রকৃত অর্থে একটি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারি, তাহলে আপনারা-আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে যেতে পারবো। 

তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে দেখলাম সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন বন্টন করার তেমন কোন নীতিমালা নাই। সরকারি দলের দয়া দক্ষিণা অথবা তোষামোদি করাটাই হয়ে গেছে একটা মাধ্যম। বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা যে অনুদান গুলো দিয়ে থাকি সেখানেও কোন নিয়ম নীতিমালা নাই। বিভিন্ন পত্রিকা ব্যাঙের ছাতার মতো তৈরি হচ্ছে, আমাকে অনেক পত্রিকার মালিক বলেছেন এই ব্যাপারে নীতিমালা থাকা দরকার। আবার বিভিন্ন ধরনের জন্ম নেয়া গণমাধ্যম যদি আমরা ঠেকাতে যায় তাহলে গণমাধ্যমের কণ্ঠস্বররোধ করার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থার উপরে রাষ্ট্র তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে পারেনা।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমরা ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের উপরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি। 

যাতে সাংবাদিকরা একটা ন্যায্য বেতন কাঠামোর মধ্যে থাকতে পারে। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নকারী পত্রিকাকে আমরা একভাবে দেখব, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করতে পারে নাই এমন পত্রিকাকে আমরা আরেকভাবে দেখব। 

এভাবে প্রত্যেকটি পর্বে পর্বে নিয়ম-নীতিমালা আমরা তৈরি করার চেষ্টা করছি। 

প্রধান বক্তা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, সংবাদ মাধ্যম হচ্ছে আমাদের সমাজের দর্পণ। আমরা বিশ্বাস করতে চাই এই পিপলস পার্লামেন্ট সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সাথে থাকবে, দেশের মানুষের সাথে থাকবে, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের সাথে থাকবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা প্রবর্তন করেছিলেন সেটির ধারিাবাহিকতা যেন আমরা রক্ষা করতে পারি। সাংবাদিকরাও বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের পক্ষে সবসময় সোচ্চার থাকবে সেই প্রত্যাশা রইল। 

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আরিফের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, প্রেসক্লাবের জ্যৈষ্ঠ সদস্য মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, ও ছাত্রনেতা রিদুয়ান সিদ্দিকী প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৪ মার্চ, ২০২৬,  10:13 PM

news image

গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য জবাবদিহিতার সীমানা নির্ধারণ করার জন্য গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জবাবদিহিতার সীমানা কতটুকু ও কীভাবে নির্ধারণ করতে হবে তা সরকারকে অবহিত করুন। 

তিনি বলেন, আপনাদের নির্ধারিত সেই সীমানার মধ্যে যাতে কোন গোয়েন্দা সংস্থা, রাষ্ট্রীয় অথবা রাষ্ট্রবহির্ভূত কোন হস্তক্ষেপ যাতে গণমাধ্যমকে কোন ধরনের বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সেই দায়িত্ব তথ্য মন্ত্রণালয় পালন করার জন্য প্রস্তুত আছে। 

বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

চট্টগ্রাম ক্লাবের সুইমিংপুল সাইডে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। 

সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিকদের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোন আনুষ্ঠানিক স্তম্ভ নয়। কিন্তু বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ এবং আইন বিভাগের পাশাপাশি গণমাধ্যম এমনভাবে বিরাজ করে, যে কারণে রাষ্ট্রবিজ্ঞান গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে। আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে আমার উপরে আস্থা রেখেছেন দায়িত্ব পালন করার জন্য। 

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের মতো এরকম একটা ক্ষেত্র, যেখানে আমরা চাই পরিপূর্ণ স্বাধীনতা থাকুক। এবং আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যেই আমরা গণমাধ্যমের এই স্বাধীনতার কথা উচ্চারণ করেছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বারবার এই কথা বলেছেন। 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আবার একই সঙ্গে আপনারা জানেন কোন স্বাধীনতা যদি দায়িত্বের কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ করা না যায়, তাহলে স্বাধীনতার সুফল ভোগ করা যায় না।

এবং অপরদিকে এই কাঠামো জবাবদিহিতার এই সীমানা যদি আমরা একতরফা সরকার থেকে নির্ধারণ করতে যাই, তাহলে অতীতের সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন পার্থক্য থাকবে না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যৌথভাবে পথ চলার পথনকশা তৈরি করতে হবে। তারপর সেই পথনকশা ধরে আমরা যদি প্রকৃত অর্থে একটি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারি, তাহলে আপনারা-আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে যেতে পারবো। 

তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে দেখলাম সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন বন্টন করার তেমন কোন নীতিমালা নাই। সরকারি দলের দয়া দক্ষিণা অথবা তোষামোদি করাটাই হয়ে গেছে একটা মাধ্যম। বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা যে অনুদান গুলো দিয়ে থাকি সেখানেও কোন নিয়ম নীতিমালা নাই। বিভিন্ন পত্রিকা ব্যাঙের ছাতার মতো তৈরি হচ্ছে, আমাকে অনেক পত্রিকার মালিক বলেছেন এই ব্যাপারে নীতিমালা থাকা দরকার। আবার বিভিন্ন ধরনের জন্ম নেয়া গণমাধ্যম যদি আমরা ঠেকাতে যায় তাহলে গণমাধ্যমের কণ্ঠস্বররোধ করার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থার উপরে রাষ্ট্র তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে পারেনা।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমরা ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের উপরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি। 

যাতে সাংবাদিকরা একটা ন্যায্য বেতন কাঠামোর মধ্যে থাকতে পারে। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নকারী পত্রিকাকে আমরা একভাবে দেখব, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করতে পারে নাই এমন পত্রিকাকে আমরা আরেকভাবে দেখব। 

এভাবে প্রত্যেকটি পর্বে পর্বে নিয়ম-নীতিমালা আমরা তৈরি করার চেষ্টা করছি। 

প্রধান বক্তা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, সংবাদ মাধ্যম হচ্ছে আমাদের সমাজের দর্পণ। আমরা বিশ্বাস করতে চাই এই পিপলস পার্লামেন্ট সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সাথে থাকবে, দেশের মানুষের সাথে থাকবে, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের সাথে থাকবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা প্রবর্তন করেছিলেন সেটির ধারিাবাহিকতা যেন আমরা রক্ষা করতে পারি। সাংবাদিকরাও বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের পক্ষে সবসময় সোচ্চার থাকবে সেই প্রত্যাশা রইল। 

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আরিফের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, প্রেসক্লাবের জ্যৈষ্ঠ সদস্য মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, ও ছাত্রনেতা রিদুয়ান সিদ্দিকী প্রমুখ।