ঈদে যাত্রী সেবার মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে
নীলফামারী প্রতিনিধি :
০৩ মার্চ, ২০২৬, 5:04 AM
ঈদে যাত্রী সেবার মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সরজমিনে দেখা যায় কারখানার ২৬টি শপের শ্রমিকদের যেন দম ফেলার সুযোগ নেই।
নির্ধারিত আট ঘণ্টা কাজের পরে অতিরিক্ত সময় দিচ্ছেন তারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সুবধার্থে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় মেরামত হচ্ছে ১১২টি রেল কোচ। এবারের ঈদ যাত্রায় এসব কোচ বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনবহরে যুক্ত করা হবে।
এরইমধ্যে প্রস্তুত হওয়া ৭৪টি রেলকোচ চলে গেছে পাকশী ও লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের কাছে।
বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কারখানার বেশিরভাগ শপ অচল হয়ে পড়ে আছে। এ ছাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের পদ সংখ্যা ২ হাজার ৮৫৯টি। এরমধ্যে মাত্র ৭১০ জন কর্মরত। জনবল সংকটের কারণে কারখানায় ক্যারেজ মেরামতের প্রতিদিনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের আগে এবার ১১২টি রেলকোচ মেরামত করে রেলের পরিবহন বিভাগকে হস্তান্তর করা হবে। আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে বাকি রেলকোচগুলো হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।ক্যারেজ শপের শ্রমিক আলামিন ইসলাম বলেন, ঈদে ঘরমুখী মানুষের বাড়ি ফেরা নিবিঘ্নে করতে আমরা রেলকোচ প্রস্তুত করছি। সেইসঙ্গে শ্রমিক কম থাকায় আমাদের বাড়তি কাজ করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল সংকট, বাজেট স্বল্পতা, উপকরণ সরবরাহসহ নানা সমস্যার মধ্যেও এবারের ঈদযাত্রায় কারখানা থেকে ১১২টি রেলকোচ সংযুক্ত করা হবে। এরমধ্যে ১০০টি সিডিউল এবং ১২টি অতিরিক্ত রেল কোচ।
নীলফামারী প্রতিনিধি :
০৩ মার্চ, ২০২৬, 5:04 AM
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সরজমিনে দেখা যায় কারখানার ২৬টি শপের শ্রমিকদের যেন দম ফেলার সুযোগ নেই।
নির্ধারিত আট ঘণ্টা কাজের পরে অতিরিক্ত সময় দিচ্ছেন তারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সুবধার্থে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় মেরামত হচ্ছে ১১২টি রেল কোচ। এবারের ঈদ যাত্রায় এসব কোচ বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনবহরে যুক্ত করা হবে।
এরইমধ্যে প্রস্তুত হওয়া ৭৪টি রেলকোচ চলে গেছে পাকশী ও লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের কাছে।
বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কারখানার বেশিরভাগ শপ অচল হয়ে পড়ে আছে। এ ছাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের পদ সংখ্যা ২ হাজার ৮৫৯টি। এরমধ্যে মাত্র ৭১০ জন কর্মরত। জনবল সংকটের কারণে কারখানায় ক্যারেজ মেরামতের প্রতিদিনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের আগে এবার ১১২টি রেলকোচ মেরামত করে রেলের পরিবহন বিভাগকে হস্তান্তর করা হবে। আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে বাকি রেলকোচগুলো হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।ক্যারেজ শপের শ্রমিক আলামিন ইসলাম বলেন, ঈদে ঘরমুখী মানুষের বাড়ি ফেরা নিবিঘ্নে করতে আমরা রেলকোচ প্রস্তুত করছি। সেইসঙ্গে শ্রমিক কম থাকায় আমাদের বাড়তি কাজ করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল সংকট, বাজেট স্বল্পতা, উপকরণ সরবরাহসহ নানা সমস্যার মধ্যেও এবারের ঈদযাত্রায় কারখানা থেকে ১১২টি রেলকোচ সংযুক্ত করা হবে। এরমধ্যে ১০০টি সিডিউল এবং ১২টি অতিরিক্ত রেল কোচ।
সম্পর্কিত