ঢাকা ০৫ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর নোয়াখালী সদরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড জমকালো আয়োজনে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ঈদে যাত্রী সেবার  মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে ডেটা চার্জ ছাড়াই ইমোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বাংলালিংকের গ্রাহকেরা 'চরপার্বতীতে পানের বরজ ভাঙচুরের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ' বড়লেখায় অবৈধ  বালু উত্তোলন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীর সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার বিচার কবে ? কয়রা উপজেলাতে কাবিটা প্রকল্পে দুর্নীতি, তিন লাখ টাকার কাজে ব্যয় মাত্র ৪০ হাজার

পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণার রহিম গ্রেফতার 

#
news image

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের অন্যতম সহযোগী রহিম সরকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার এসআই সজিব দত্ত নগরীর ভিটিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
 
রহিম সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
 
বাসন থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, স্কুলের বারান্দায় পা না দিলেও রহিম সরকার অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির। কখনো সাংবাদিক, কখনো পুলিশ আবার কখনো ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিতেন রহিম সরকার। তার প্রতারণা নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিস্তারিত উঠে আসে। এ নিয়ে ডিসি অফিসের সামনে মানববন্ধন করেন সাধারণ জনতা। তারপরও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন রহিম সরকার।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রাকিব সরকারসহ একাধিক নেতার সঙ্গে পোস্টার থাকলেও প্রতারণার কারণে কোথাও স্থায়ী হতে পারেননি রহিম। সর্বশেষ সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের পেছনে ভেড়েন। রহিম সরকারের ছেলে জাকির হোসেনকে বানানো হয় জাহাঙ্গীর আলমের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। এরপর আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেন রহিম।
স্থানীয় একজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রহিম সরকার দীর্ঘদিন দক্ষিণ কোরিয়ায় ছিলেন। সেখান থেকে দেশে ফেরার সময় জনৈক বাংলাদেশি কয়েক লাখ টাকার মালামাল দিয়ে দেন পরিবারকে দেওয়ার জন্য; কিন্তু রহিম সরকার মালামাল না দিয়ে সেগুলো আত্মসাৎ করেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হলেও ফেরত দেননি। রহিম সরকারের স্ত্রী সাবেক এসপি হারুনের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কাউকে পাত্তা দিতেন না।
এমনকি এসপি হারুনের ক্ষমতায় মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করতেন। জমি জালিয়াতিসহ একাধিক প্রতারণার সঙ্গে জড়িত রহিম সরকার ৫ আগস্ট চৌরাস্তাসহ গাজীপুর মহানগরের বেশ কয়েকটি এলাকায় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে মারামারিতে জনবল সরবরাহ করেন।
রহিম সরকারকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বাসন থানার ওসি কায়সার আহমেদ জানান, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গাজীপুর প্রতিনিধি :

১৩ জানুয়ারি, ২০২৫,  3:03 AM

news image

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের অন্যতম সহযোগী রহিম সরকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার এসআই সজিব দত্ত নগরীর ভিটিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
 
রহিম সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
 
বাসন থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, স্কুলের বারান্দায় পা না দিলেও রহিম সরকার অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির। কখনো সাংবাদিক, কখনো পুলিশ আবার কখনো ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিতেন রহিম সরকার। তার প্রতারণা নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিস্তারিত উঠে আসে। এ নিয়ে ডিসি অফিসের সামনে মানববন্ধন করেন সাধারণ জনতা। তারপরও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন রহিম সরকার।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রাকিব সরকারসহ একাধিক নেতার সঙ্গে পোস্টার থাকলেও প্রতারণার কারণে কোথাও স্থায়ী হতে পারেননি রহিম। সর্বশেষ সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের পেছনে ভেড়েন। রহিম সরকারের ছেলে জাকির হোসেনকে বানানো হয় জাহাঙ্গীর আলমের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। এরপর আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেন রহিম।
স্থানীয় একজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রহিম সরকার দীর্ঘদিন দক্ষিণ কোরিয়ায় ছিলেন। সেখান থেকে দেশে ফেরার সময় জনৈক বাংলাদেশি কয়েক লাখ টাকার মালামাল দিয়ে দেন পরিবারকে দেওয়ার জন্য; কিন্তু রহিম সরকার মালামাল না দিয়ে সেগুলো আত্মসাৎ করেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হলেও ফেরত দেননি। রহিম সরকারের স্ত্রী সাবেক এসপি হারুনের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কাউকে পাত্তা দিতেন না।
এমনকি এসপি হারুনের ক্ষমতায় মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করতেন। জমি জালিয়াতিসহ একাধিক প্রতারণার সঙ্গে জড়িত রহিম সরকার ৫ আগস্ট চৌরাস্তাসহ গাজীপুর মহানগরের বেশ কয়েকটি এলাকায় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে মারামারিতে জনবল সরবরাহ করেন।
রহিম সরকারকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বাসন থানার ওসি কায়সার আহমেদ জানান, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।