ঢাকা ০৯ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে সমনবাগ চা বাগানে গণবিক্ষোভ দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সফরে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া কেবল সংস্কার দিয়ে টেকসই গণতন্ত্র সম্ভব নয়: রুহুল কবির রিজভী অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ ও বিনিয়োগবান্ধব করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৫ আগস্ট ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শিল্পকলা একাডেমিতে আগামীকাল জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা অনুষ্ঠান চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর, সহযোগীদের ৫ দিন দ্রুত চুক্তির শর্তে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের জুলাইয়ে প্রবাসী রেমিট্যান্স বেড়ে ২.৮৬ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৫.৪ শতাংশ সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

বড়লেখায় ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে সমনবাগ চা বাগানে গণবিক্ষোভ

#
news image

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান ও মোকাম ডিভিশনে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি বাস্তবায়ন, ন্যায্য শ্রম অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং শ্রম অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপমুক্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও গণবিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন চা শ্রমিকরা।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নিউ সমনবাগ চা বাগানের প্রধান অফিস প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিউ সমনবাগ ও মোকাম ডিভিশনের বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ চা শ্রমিক এবং ছাত্র-যুবকেরা অংশ নেন। তারা বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেন।
নিউ সমনবাগ চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি নারায়ণ কালোয়ারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গাচরণ সাঁওতালের সঞ্চালনায় গণবিক্ষোভ সমাবেশটি পরিচালিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, "দেশের চা শিল্প ও জাতীয় অর্থনীতিতে চা শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে বর্তমান মজুরিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। জাতীয় সংসদে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনায় এলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি।" শ্রমিকরা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যক্রম ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শ্রম অধিদপ্তরের অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে। তারা অবিলম্বে হস্তক্ষেপমুক্ত পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ ইউনিয়ন নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান, যাতে শ্রমিকরা স্বাধীনভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা একদফা দাবি জানিয়ে বলেন, দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন। বিক্ষোভ চলাকালে ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ এবং ‘বাংলাদেশের চা শ্রমিক ঐক্যবদ্ধ হও’ স্লোগানে পুরো বাগান এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সুজিত কানু, সাবেক ইউপি সদস্য মতিলাল ঘাটুয়ার, সাবেক ইউপি সদস্য বুটন রিকমুন, সমনবাগ চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বপন চাষা, মোকাম ডিভিশন পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ফজল তাঁতি ও সাধারণ সম্পাদক চৈতন সাহা।
এছাড়া নারী চা শ্রমিকদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মনিমিতা বাকতি, সিলা রিকমুন এবং মোকাম ডিভিশনের জানকি গড়াইতসহ সর্বস্তরের চা শ্রমিক ও ছাত্র-যুব নেতারা।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

০৮ আগস্ট, ২০২৬,  8:26 PM

news image

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান ও মোকাম ডিভিশনে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি বাস্তবায়ন, ন্যায্য শ্রম অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং শ্রম অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপমুক্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও গণবিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন চা শ্রমিকরা।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নিউ সমনবাগ চা বাগানের প্রধান অফিস প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিউ সমনবাগ ও মোকাম ডিভিশনের বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ চা শ্রমিক এবং ছাত্র-যুবকেরা অংশ নেন। তারা বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেন।
নিউ সমনবাগ চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি নারায়ণ কালোয়ারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গাচরণ সাঁওতালের সঞ্চালনায় গণবিক্ষোভ সমাবেশটি পরিচালিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, "দেশের চা শিল্প ও জাতীয় অর্থনীতিতে চা শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে বর্তমান মজুরিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। জাতীয় সংসদে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনায় এলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি।" শ্রমিকরা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যক্রম ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শ্রম অধিদপ্তরের অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে। তারা অবিলম্বে হস্তক্ষেপমুক্ত পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ ইউনিয়ন নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান, যাতে শ্রমিকরা স্বাধীনভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা একদফা দাবি জানিয়ে বলেন, দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন। বিক্ষোভ চলাকালে ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ এবং ‘বাংলাদেশের চা শ্রমিক ঐক্যবদ্ধ হও’ স্লোগানে পুরো বাগান এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সুজিত কানু, সাবেক ইউপি সদস্য মতিলাল ঘাটুয়ার, সাবেক ইউপি সদস্য বুটন রিকমুন, সমনবাগ চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বপন চাষা, মোকাম ডিভিশন পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ফজল তাঁতি ও সাধারণ সম্পাদক চৈতন সাহা।
এছাড়া নারী চা শ্রমিকদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মনিমিতা বাকতি, সিলা রিকমুন এবং মোকাম ডিভিশনের জানকি গড়াইতসহ সর্বস্তরের চা শ্রমিক ও ছাত্র-যুব নেতারা।