১৫ টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের দ্বিতীয় শিফট শিক্ষার্থীশূন্য, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
শিক্ষা প্রতিবেদক :
২৭ জুলাই, ২০২৬, 11:07 PM
১৫ টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের দ্বিতীয় শিফট শিক্ষার্থীশূন্য, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
দেশের ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সরকারি জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীশূন্যতার প্রকৃত কারণ, সংকট সমাধানের প্রস্তাবনা এবং কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্তমান কাজের বিবরণী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক সাম্প্রতিক চিঠিতে এ কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অনলাইনে সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে—উক্ত ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে বর্তমানে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত নেই। বিপুল জনবল ও অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থী না থাকার কারণ উদঘাটন করে জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করা আবশ্যক।
চিঠিতে পরিস্থিতি মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণক পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: ১. দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার মূল কারণ ও সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা।
২. শিক্ষার্থী বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য ও প্রমাণ।
৩. দ্বিতীয় শিফটের জন্য পদায়নকৃত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্তমানে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন তার প্রামাণিক বিবরণ।
ব্যাখ্যা তলব করা ১৫টি প্রতিষ্ঠান হলো—মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, বান্দরবান, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল, নওগাঁ, নাটোর এবং জয়পুরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।
শিক্ষা প্রতিবেদক :
২৭ জুলাই, ২০২৬, 11:07 PM
দেশের ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সরকারি জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীশূন্যতার প্রকৃত কারণ, সংকট সমাধানের প্রস্তাবনা এবং কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্তমান কাজের বিবরণী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক সাম্প্রতিক চিঠিতে এ কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অনলাইনে সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে—উক্ত ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে বর্তমানে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত নেই। বিপুল জনবল ও অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থী না থাকার কারণ উদঘাটন করে জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করা আবশ্যক।
চিঠিতে পরিস্থিতি মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণক পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: ১. দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার মূল কারণ ও সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা।
২. শিক্ষার্থী বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য ও প্রমাণ।
৩. দ্বিতীয় শিফটের জন্য পদায়নকৃত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্তমানে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন তার প্রামাণিক বিবরণ।
ব্যাখ্যা তলব করা ১৫টি প্রতিষ্ঠান হলো—মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, বান্দরবান, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল, নওগাঁ, নাটোর এবং জয়পুরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।