রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ১ জন নিহত,আহত ৪
মোঃ ফারুক মিয়া, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
০১ জুন, ২০২৬, 9:50 PM
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ১ জন নিহত,আহত ৪
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ফয়জল্লাপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফয়জল্লাপুর গ্রামে আঃ কাদির গ্রুপ ও শান্তাজ মিয়ার গ্রুপের মধ্যে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন ফয়জল্লাপুর গ্রামের মীর হোসেনের ছেলে ছাদির হোসেন (সাদির মিয়া)। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন— ১. রোজিনা বেগম ২. আব্দুল হালিম ৩. ইলিয়াস হোসেন ৪. শাহিদা আক্তার, আহতদের মধ্যে রোজিনা বেগম ও নিহত ছাদির হোসেনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের পরপরই প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আতঙ্কে অনেক পরিবার ঘরের ভেতর অবস্থান করছেন।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে
মোঃ ফারুক মিয়া, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
০১ জুন, ২০২৬, 9:50 PM
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ফয়জল্লাপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফয়জল্লাপুর গ্রামে আঃ কাদির গ্রুপ ও শান্তাজ মিয়ার গ্রুপের মধ্যে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন ফয়জল্লাপুর গ্রামের মীর হোসেনের ছেলে ছাদির হোসেন (সাদির মিয়া)। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন— ১. রোজিনা বেগম ২. আব্দুল হালিম ৩. ইলিয়াস হোসেন ৪. শাহিদা আক্তার, আহতদের মধ্যে রোজিনা বেগম ও নিহত ছাদির হোসেনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের পরপরই প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আতঙ্কে অনেক পরিবার ঘরের ভেতর অবস্থান করছেন।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে