পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তারা, অফিসের চেয়ার ফাঁকা
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
১২ মার্চ, ২০২৬, 12:19 AM
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তারা, অফিসের চেয়ার ফাঁকা
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তারা, নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে না আসায় চেয়ার ফাঁকা পড়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত কর্মঘণ্টা উপেক্ষা করে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ইচ্ছেমতো অফিসে আসা-যাওয়া করছেন বলে জানা গেছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ সেবা প্রার্থীরা।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ৯টায় সরেজমিনে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টা পাড় হয়ে গেলেও অনেক কর্মকর্তা উপস্থিত হননি। এছাড়াও সকাল ৯টায় অফিস শুরুর নিয়ম থাকলেও অনেক দপ্তরে বেলা বাড়লেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি দেখা যায় না। কেউ কেউ দেরিতে এলেও হাজিরা খাতায় সময়মতো স্বাক্ষর করেন, আবার কেউ অফিসে না এসেও হাজিরা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় দপ্তরগুলো কার্যত অচল অবস্থায় থাকে।
এমন চিত্র দেখা গেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিস, উপজেলা প্রকৌশল অফিস, উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা এলএসডি অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস, মহিলা বিষয়ক অফিস, উপজেলা সমবায় অফিস, উপজেলা সমাজসেবা অফিস, সেটেলমেন্ট অফিস সহ আরো কয়েকটি সরকারি দপ্তরে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবা গ্রহীতা জানান, গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে অফিসে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় কাজ না করেই ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে সময়, অর্থ ও শ্রম সব কিছুর অপচয় হচ্ছে।
সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিতে উপজেলা ভূমি অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, এলজিইডি অফিস, এলএসডি অফিস ও সমাজসেবা অফিসে এসে দেখি কর্মকর্তা নেই। দপ্তরের কর্মচারীরা বলছে পরে আসেন অনেকেই বলছে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় উপস্থিত নেই আবার আসেন। এভাবেই সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।’
অভিযোগ রয়েছে, তদারকির অভাবে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নিয়মিত মনিটরিং ও শৃঙ্খলা না থাকায় কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বহীন আচরণ করছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, অফিসের সময় হলো সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। সরকারি যে দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস সময়ে আসবেনা ওই দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এসিল্যান্ড ট্রেনিং এ থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন পঞ্চগড় সদর এসিল্যান্ড।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, সরকারি সেবার মান উন্নয়নে দপ্তরগুলোতে নিয়মিত উপস্থিতি, সময়ানুবর্তিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে বলে মনে করছেন তারা।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
১২ মার্চ, ২০২৬, 12:19 AM
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তারা, নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে না আসায় চেয়ার ফাঁকা পড়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত কর্মঘণ্টা উপেক্ষা করে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ইচ্ছেমতো অফিসে আসা-যাওয়া করছেন বলে জানা গেছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ সেবা প্রার্থীরা।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ৯টায় সরেজমিনে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টা পাড় হয়ে গেলেও অনেক কর্মকর্তা উপস্থিত হননি। এছাড়াও সকাল ৯টায় অফিস শুরুর নিয়ম থাকলেও অনেক দপ্তরে বেলা বাড়লেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি দেখা যায় না। কেউ কেউ দেরিতে এলেও হাজিরা খাতায় সময়মতো স্বাক্ষর করেন, আবার কেউ অফিসে না এসেও হাজিরা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় দপ্তরগুলো কার্যত অচল অবস্থায় থাকে।
এমন চিত্র দেখা গেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিস, উপজেলা প্রকৌশল অফিস, উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা এলএসডি অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস, মহিলা বিষয়ক অফিস, উপজেলা সমবায় অফিস, উপজেলা সমাজসেবা অফিস, সেটেলমেন্ট অফিস সহ আরো কয়েকটি সরকারি দপ্তরে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবা গ্রহীতা জানান, গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে অফিসে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় কাজ না করেই ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে সময়, অর্থ ও শ্রম সব কিছুর অপচয় হচ্ছে।
সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিতে উপজেলা ভূমি অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, এলজিইডি অফিস, এলএসডি অফিস ও সমাজসেবা অফিসে এসে দেখি কর্মকর্তা নেই। দপ্তরের কর্মচারীরা বলছে পরে আসেন অনেকেই বলছে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় উপস্থিত নেই আবার আসেন। এভাবেই সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।’
অভিযোগ রয়েছে, তদারকির অভাবে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নিয়মিত মনিটরিং ও শৃঙ্খলা না থাকায় কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বহীন আচরণ করছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, অফিসের সময় হলো সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। সরকারি যে দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস সময়ে আসবেনা ওই দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এসিল্যান্ড ট্রেনিং এ থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন পঞ্চগড় সদর এসিল্যান্ড।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, সরকারি সেবার মান উন্নয়নে দপ্তরগুলোতে নিয়মিত উপস্থিতি, সময়ানুবর্তিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে বলে মনে করছেন তারা।