ঢাকা ১৭ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা: ৪০ বছর পর আবারও সেই চেনা রূপ সরিষাবাড়ীতে ৩০২ প্রান্তিক শিশুর মাঝে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, গাছের চারা ও মুরগি বিতরণ চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা গাজীপুরে ডিবির আদলে সদর পুলিশের হানা ২ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ২ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান তথ্য অধিদফতরের বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ

'হবিগঞ্জ জেলার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি চক্রের ০৬ সদস্য গ্রেফতার ও বৈদ্যুতিক  মালামাল উদ্ধার '

#
news image

হবিগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ তারেক মাহমুদ মহোদয়ের সুদক্ষ দিক-নির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ সুপার, (মাধবপুর সার্কেল) জনাব এ,কে,এম সালিমুল হক এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে গত ২৬ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে অভিযান পরিচালনা করেন। 

উক্ত অভিযানে চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আল আমিন মীর এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ সুমন মিয়াসহ সঙ্গীয় ফোর্স প্রথমে হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। মোঃ জহির হোসেন (২৫) ও ২।  মোঃ জাকির হোসেন (২৮), উভয়ের পিতা- মোঃ জালাল, সাং- শিবপাশা, থানা- আজমিরিগঞ্জ, বর্তমান ঠিকানা- উমেদনগর গরুরচর, হবিগঞ্জ পৌরসভা-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্য ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পরবর্তীতে মাধবপুর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চক্রের আরও ০৪ জন সক্রিয় সদস্যদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। মোঃ সোহেল মিয়া ওরফে রহমত আলী (৪৬), ২। মোঃ নাহিদ মিয়া (২৪), ৩। মোঃ কালু মিয়া (৪০) এবং ৪। মোঃ সোহাগ মিয়া (৩৩)। গ্রেফতারকৃত সকলের বর্তমান ঠিকানা মাধবপুর পৌরসভা, থানা- মাধবপুর, জেলা- হবিগঞ্জ।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে অভিযান চালিয়ে আসামী মোঃ সোহাগ মিয়ার ভাঙ্গারীর দোকান থেকে মামলার (চুনারুঘাট থানার মামলা নং-২৭, তারিখ-২৮/০৩/২০২৬ ইং, ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড) চুরি যাওয়া ২২ কেজি তামার তার, ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম তামার প্লেইট ও ৪৬ কেজি ৯০০ গ্রাম ট্রান্সফরমারের লোহা উদ্ধার করা হয়, যার সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৩,৭৬০ টাকা। 

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে।

 পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

২৮ এপ্রিল, ২০২৬,  1:51 AM

news image

হবিগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ তারেক মাহমুদ মহোদয়ের সুদক্ষ দিক-নির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ সুপার, (মাধবপুর সার্কেল) জনাব এ,কে,এম সালিমুল হক এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে গত ২৬ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে অভিযান পরিচালনা করেন। 

উক্ত অভিযানে চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আল আমিন মীর এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ সুমন মিয়াসহ সঙ্গীয় ফোর্স প্রথমে হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। মোঃ জহির হোসেন (২৫) ও ২।  মোঃ জাকির হোসেন (২৮), উভয়ের পিতা- মোঃ জালাল, সাং- শিবপাশা, থানা- আজমিরিগঞ্জ, বর্তমান ঠিকানা- উমেদনগর গরুরচর, হবিগঞ্জ পৌরসভা-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্য ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পরবর্তীতে মাধবপুর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চক্রের আরও ০৪ জন সক্রিয় সদস্যদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। মোঃ সোহেল মিয়া ওরফে রহমত আলী (৪৬), ২। মোঃ নাহিদ মিয়া (২৪), ৩। মোঃ কালু মিয়া (৪০) এবং ৪। মোঃ সোহাগ মিয়া (৩৩)। গ্রেফতারকৃত সকলের বর্তমান ঠিকানা মাধবপুর পৌরসভা, থানা- মাধবপুর, জেলা- হবিগঞ্জ।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে অভিযান চালিয়ে আসামী মোঃ সোহাগ মিয়ার ভাঙ্গারীর দোকান থেকে মামলার (চুনারুঘাট থানার মামলা নং-২৭, তারিখ-২৮/০৩/২০২৬ ইং, ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড) চুরি যাওয়া ২২ কেজি তামার তার, ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম তামার প্লেইট ও ৪৬ কেজি ৯০০ গ্রাম ট্রান্সফরমারের লোহা উদ্ধার করা হয়, যার সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৩,৭৬০ টাকা। 

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে।

 পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।