ঢাকা ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো গ্লোরিয়াস মডেল স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান গাজীপুরে ধানের শীষের প্রচারণায় শ্রমিকদল নেতা বারেক সরকার  কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম হয়েছে : অর্থ উপদেষ্টা শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ত্রয়োদশ নির্বাচন শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভোট গণনায় কেউ সুযোগ নিতে চাইলে প্রতিরোধ করতে হবে: তারেক রহমান ডাকসু দিয়ে শুরু, ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে : জামায়াত আমির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩.২৫ বিলিয়ন ডলার

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর নানা বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, আহত ১

#
news image

পারিবারিক কলহের জেরে পিরোজপুর সদরের টোনা ইউনিয়নের চর লখাকাঠী এলাকায় এক গৃহবধূর নানা বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ওদনকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ওয়ারেছ হাওলাদারের ছেলে ফারদিন হাওলাদারের সঙ্গে তার স্ত্রী জেনীর দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী ) আনুমানিক রাত ৯টার দিকে ওই বিরোধের চরম আকার ধারণ করে। এ সময় স্বামীর নির্যাতনের মুখে জেনী তার নানাবাড়ি চর লখাকাঠী এলাকায় আশ্রয় নেন।
জেনীর নানা আ. সালাম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, আমার নাতনি নির্যাতনের শিকার হয়ে আমার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে তার স্বামী ফারদিন হাওলাদার ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের বাড়িতে এসে গালিগালাজ শুরু করে এবং একপর্যায়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযুক্ত ফারদিন হাওলাদার বাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বাঁধা দিতে গেলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে বাড়িতে অবস্থানরত জেনীর বড় মামি গুরুতর আহত হন। আহত নারীকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর জেনির নানা বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। ঘটনার পর অভিযুক্ত ফারদিন হাওলাদার এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় জেনী বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহামুদ হোসেন বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফারদিন হাওলাদারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬,  6:19 PM

news image

পারিবারিক কলহের জেরে পিরোজপুর সদরের টোনা ইউনিয়নের চর লখাকাঠী এলাকায় এক গৃহবধূর নানা বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ওদনকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ওয়ারেছ হাওলাদারের ছেলে ফারদিন হাওলাদারের সঙ্গে তার স্ত্রী জেনীর দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী ) আনুমানিক রাত ৯টার দিকে ওই বিরোধের চরম আকার ধারণ করে। এ সময় স্বামীর নির্যাতনের মুখে জেনী তার নানাবাড়ি চর লখাকাঠী এলাকায় আশ্রয় নেন।
জেনীর নানা আ. সালাম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, আমার নাতনি নির্যাতনের শিকার হয়ে আমার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে তার স্বামী ফারদিন হাওলাদার ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের বাড়িতে এসে গালিগালাজ শুরু করে এবং একপর্যায়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযুক্ত ফারদিন হাওলাদার বাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বাঁধা দিতে গেলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে বাড়িতে অবস্থানরত জেনীর বড় মামি গুরুতর আহত হন। আহত নারীকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর জেনির নানা বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। ঘটনার পর অভিযুক্ত ফারদিন হাওলাদার এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় জেনী বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহামুদ হোসেন বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফারদিন হাওলাদারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।