ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

#
news image

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক এমপি আ ন ম শামসুল ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচন আমাদের দেশকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। দীর্ঘ ষোলো বছর পর মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি,এই নির্বাচন একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। আর সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের গতিপথ নির্ধারণ হবে। তাই শ্রমিকজনতা ও সর্বস্তরের নাগরিকদের সচেতনতার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পরও বৈষম্যহীন ও শ্রমিকবান্ধব সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। আর বিগত ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী আমলে তো, শ্রমিকরা ছিল আরও বেশি নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত। সেই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে চব্বিশের গণ-আন্দোলনে ছাত্রদের পাশাপাশি শ্রমিকরা জীবন দিয়েছে। রক্ত দিয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শ্রমিকদের জীবন ও রক্তের হিস্যা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। আর চব্বিশের শহিদ ও আহতদের ত্যাগ-কুরবানি তখনই সার্থক হবে, যদি আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন, শ্রমিকবান্ধব ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। আর সেই শ্রমিকবান্ধব বাংলাদেশ পরিগঠনে আগামীর নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ম্যান্ডেট দিতে হবে। শ্রমিকবান্ধব দেশ গঠনে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। শ্রমিকজনতা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টিতে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ। 
 
১১ জুলাই শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন হলে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, চট্টগ্রাম মহানগরীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ ন ম শামসুল ইসলাম উপর্যুক্ত কথা বলেন।
 
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি এস এম লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগরীর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আহছানুল্লাহ ভূইয়া, মহানগরীর প্রধান উপদেষ্টা পরিবেশবিদ নজরুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক জাফর সাদেক ও  ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসহাক।
 
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি নজির হোসেন, মকবুল আহম্মেদ ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শিহাবউল্লাহ ও অধ্যক্ষ আসাদ উল্লাহ আদিল, কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।পুরো ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক স ম শামীম, শিক্ষা ও প্রশিক্ষন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মজুমদার প্রকাশনা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, আইন আদালত সম্পাদক সাব্বির আহমদ উসমানী প্রমুখ।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

১১ জুলাই, ২০২৫,  8:18 PM

news image

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক এমপি আ ন ম শামসুল ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচন আমাদের দেশকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। দীর্ঘ ষোলো বছর পর মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি,এই নির্বাচন একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। আর সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের গতিপথ নির্ধারণ হবে। তাই শ্রমিকজনতা ও সর্বস্তরের নাগরিকদের সচেতনতার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পরও বৈষম্যহীন ও শ্রমিকবান্ধব সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। আর বিগত ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী আমলে তো, শ্রমিকরা ছিল আরও বেশি নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত। সেই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে চব্বিশের গণ-আন্দোলনে ছাত্রদের পাশাপাশি শ্রমিকরা জীবন দিয়েছে। রক্ত দিয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শ্রমিকদের জীবন ও রক্তের হিস্যা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। আর চব্বিশের শহিদ ও আহতদের ত্যাগ-কুরবানি তখনই সার্থক হবে, যদি আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন, শ্রমিকবান্ধব ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। আর সেই শ্রমিকবান্ধব বাংলাদেশ পরিগঠনে আগামীর নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ম্যান্ডেট দিতে হবে। শ্রমিকবান্ধব দেশ গঠনে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। শ্রমিকজনতা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টিতে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ। 
 
১১ জুলাই শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন হলে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, চট্টগ্রাম মহানগরীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ ন ম শামসুল ইসলাম উপর্যুক্ত কথা বলেন।
 
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি এস এম লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগরীর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আহছানুল্লাহ ভূইয়া, মহানগরীর প্রধান উপদেষ্টা পরিবেশবিদ নজরুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক জাফর সাদেক ও  ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসহাক।
 
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি নজির হোসেন, মকবুল আহম্মেদ ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শিহাবউল্লাহ ও অধ্যক্ষ আসাদ উল্লাহ আদিল, কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।পুরো ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক স ম শামীম, শিক্ষা ও প্রশিক্ষন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মজুমদার প্রকাশনা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, আইন আদালত সম্পাদক সাব্বির আহমদ উসমানী প্রমুখ।