ঢাকা ১৮ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা: ৪০ বছর পর আবারও সেই চেনা রূপ সরিষাবাড়ীতে ৩০২ প্রান্তিক শিশুর মাঝে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, গাছের চারা ও মুরগি বিতরণ চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা গাজীপুরে ডিবির আদলে সদর পুলিশের হানা ২ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ২ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান তথ্য অধিদফতরের বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ

সাত বিভাগে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

#
news image

১৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘সাতটি বিভাগীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী । 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৫’ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে ৩২টি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মাদকসেবীদের সংখ্যা যেন ধীরে ধীরে পুরোপুরি কমে আসে-এ ব্যাপারে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। গত একনেক সভায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘সাতটি বিভাগীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। তিনি বলেন, যেভাবেই হোক আমাদের সমাজ থেকে মাদককে উচ্ছেদ করতে হবে৷

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মাদক নির্মূলে সবার আগে এর পিছনে থাকা গডফাদারদের ধরতে হবে। তবেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কর্মসূচি সাফল্য পাবে। শুধু মাদকের বাহকদের ধরে লাভ নেই।

উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দুইটি বড় শত্রু রয়েছে৷ এক নম্বর হচ্ছে দুর্নীতি এবং আরেকটি হলো মাদক। মাদক এখন সমাজের সর্বত্র ও সকল শ্রেণির মানুষের মাঝে ছেয়ে গেছে। মাদক থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সচেতনতা। শুধু মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মাধ্যমে এটি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। 

তিনি বলেন, মাদক যেন বাহির থেকে দেশে ঢুকতে না পারে সে বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর হতে হবে। মাদক পাচারের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্তি নিরাময়ের খরচ এখন অনেক বেশি। গরিবের পক্ষে এটা বহন করা অনেক কষ্টসাধ্য। কেউ যেন মাদকাসক্ত হয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হতে না হয় সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে উপদেষ্টা ঢাকা মেট্রো এরিয়াসহ ঢাকা বিভাগের ৩২টি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের মাঝে ৫৭ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৫ জুন, ২০২৫,  10:15 PM

news image

১৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘সাতটি বিভাগীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী । 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৫’ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে ৩২টি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মাদকসেবীদের সংখ্যা যেন ধীরে ধীরে পুরোপুরি কমে আসে-এ ব্যাপারে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। গত একনেক সভায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘সাতটি বিভাগীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। তিনি বলেন, যেভাবেই হোক আমাদের সমাজ থেকে মাদককে উচ্ছেদ করতে হবে৷

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মাদক নির্মূলে সবার আগে এর পিছনে থাকা গডফাদারদের ধরতে হবে। তবেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কর্মসূচি সাফল্য পাবে। শুধু মাদকের বাহকদের ধরে লাভ নেই।

উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দুইটি বড় শত্রু রয়েছে৷ এক নম্বর হচ্ছে দুর্নীতি এবং আরেকটি হলো মাদক। মাদক এখন সমাজের সর্বত্র ও সকল শ্রেণির মানুষের মাঝে ছেয়ে গেছে। মাদক থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সচেতনতা। শুধু মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মাধ্যমে এটি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। 

তিনি বলেন, মাদক যেন বাহির থেকে দেশে ঢুকতে না পারে সে বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর হতে হবে। মাদক পাচারের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্তি নিরাময়ের খরচ এখন অনেক বেশি। গরিবের পক্ষে এটা বহন করা অনেক কষ্টসাধ্য। কেউ যেন মাদকাসক্ত হয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হতে না হয় সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে উপদেষ্টা ঢাকা মেট্রো এরিয়াসহ ঢাকা বিভাগের ৩২টি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের মাঝে ৫৭ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন।