ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

গাছা থানার বিতর্কিত ওসি রাশেদ বদলি

#
news image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার বিতর্কিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদকে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র নয় মাসের মাথায় থাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

গত ১৬ জুন মঙ্গলবার জিএমপি কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। ঐদিনেই ডিবি (উত্তর) এর পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলামকে গাছা থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জানা যায়, ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ গাছা থানার আগে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে তিনি গাছা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান কবার কিছুদিন পর থেকে মামলা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকোন্ডে জড়িয়ে গাজীপুরে আলোচিত ও সমালোচিত হন।

স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছেন, গাছা থানায় দায়িত্ব পালনকালে ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার একাধিক আসামিকে ছেড়ে দেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্য, মাটি বিক্রি চক্র ও জলমহাল দখলে সহায়তা, মোট অংকের ঘুষ লেনদেন এবং ঝুট নিয়ন্ত্রণসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সূত্র জানিয়েছে, ওসি রাশেদ যুবলীগ নেতা আল-আমিনের মাধ্যমে ‘মামলা বাণিজ্য’ চালাতেন। মামলা বাণিজ্য করতে গিয়ে এমনকি গাজীপুরের বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তি, দুই বছরের বেশি সময় ধরে প্রবাসে থাকা প্রবাসী এবং নিরীহ ব্যক্তিদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, যুবলীগ নেতা থেকে কথিত ‘ছাত্র সমন্বয়ক’ পরিচয়ধারী আল-আমিনের মাধ্যমে গাছা থানায় একটি ‘মামলা বাণিজ্য চক্র’ গড়ে ওঠে। যার নেপথ্যে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ছিলেন ওসি রাশেদ। এছাড়াও আলামিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় (তারিখ: ৩ মে ২০২৫, মামলা নম্বর: ৩, আসামি নম্বর: ৩৮) নিজে আসামি হয়েও ওসি রাশেদের মদদে বিভিন্ন মামলায় সাধারণ মানুষকে আসামি করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।আলামিনের স্ত্রীসহ তার পরিবারের ঘনিষ্ঠদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের বিশেষ একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এসব অভিযোগ উঠে এসেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়গুলো নিয়ে ভোক্তভোগিদের সংবাদ সম্মেলন ও দৈনিক পল্লীবাংলা সহ একাধিক গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

১৮ জুন, ২০২৫,  1:43 AM

news image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার বিতর্কিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদকে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র নয় মাসের মাথায় থাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

গত ১৬ জুন মঙ্গলবার জিএমপি কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। ঐদিনেই ডিবি (উত্তর) এর পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলামকে গাছা থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জানা যায়, ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ গাছা থানার আগে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে তিনি গাছা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান কবার কিছুদিন পর থেকে মামলা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকোন্ডে জড়িয়ে গাজীপুরে আলোচিত ও সমালোচিত হন।

স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছেন, গাছা থানায় দায়িত্ব পালনকালে ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার একাধিক আসামিকে ছেড়ে দেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্য, মাটি বিক্রি চক্র ও জলমহাল দখলে সহায়তা, মোট অংকের ঘুষ লেনদেন এবং ঝুট নিয়ন্ত্রণসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সূত্র জানিয়েছে, ওসি রাশেদ যুবলীগ নেতা আল-আমিনের মাধ্যমে ‘মামলা বাণিজ্য’ চালাতেন। মামলা বাণিজ্য করতে গিয়ে এমনকি গাজীপুরের বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তি, দুই বছরের বেশি সময় ধরে প্রবাসে থাকা প্রবাসী এবং নিরীহ ব্যক্তিদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, যুবলীগ নেতা থেকে কথিত ‘ছাত্র সমন্বয়ক’ পরিচয়ধারী আল-আমিনের মাধ্যমে গাছা থানায় একটি ‘মামলা বাণিজ্য চক্র’ গড়ে ওঠে। যার নেপথ্যে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ছিলেন ওসি রাশেদ। এছাড়াও আলামিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় (তারিখ: ৩ মে ২০২৫, মামলা নম্বর: ৩, আসামি নম্বর: ৩৮) নিজে আসামি হয়েও ওসি রাশেদের মদদে বিভিন্ন মামলায় সাধারণ মানুষকে আসামি করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।আলামিনের স্ত্রীসহ তার পরিবারের ঘনিষ্ঠদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের বিশেষ একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এসব অভিযোগ উঠে এসেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়গুলো নিয়ে ভোক্তভোগিদের সংবাদ সম্মেলন ও দৈনিক পল্লীবাংলা সহ একাধিক গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।