ঢাকা ৩১ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সকলকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের মহাসমারোহ ফটিকছড়িতে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান – ড. ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী শাহাদাত বার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী

র‌্যাব পরিচয়ে রোহিঙ্গা যুবক অপহরণ: গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার, বরখাস্ত সৈনিক গ্রেফতার

#
news image

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫ থেকে র‌্যাব পরিচয়ে অপহরণ হওয়া রোহিঙ্গা যুবক হাফিজ উল্লাহকে গহীন পাহাড় থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় বরখাস্ত সেনা সদস্য মো. সুমন মুন্সিকে র‌্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৫ জানায়, গত ১১ জুন রাত ১১টার দিকে ক্যাম্প-১৫ এর বাসিন্দা মো. রহিমুল্লাহর ছেলে হাফিজ উল্লাহকে তার নিজ ঘর থেকে র‌্যাব পরিচয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে। এ অপহরণে সরাসরি জড়িত ছিল তিনজন—সুমন, রাকিব ও শিকদার। তাদের সহযোগিতা করে স্থানীয় এনায়েত উল্লাহ ও নবী হোসেন।

অপহরণের পর ভিকটিমের পরিবারের কাছে অজ্ঞাত স্থান থেকে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। একইসঙ্গে হুমকি দেওয়া হয়—প্রশাসনের সহায়তা নিলে ভিকটিমকে হত্যা করা হবে।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আফ্রিদি ও আব্দুল গফুরকে আটক করা হয়। এরপর মরিচা বাজার এলাকা থেকে অপহরণের মূল হোতা বরখাস্ত সৈনিক মো. সুমন মুন্সিকে গ্রেফতার করা হয়।

পরবর্তীতে শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত র‌্যাব, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ ও বন বিভাগ যৌথভাবে ২৫৬ সদস্যের একটি টিম নিয়ে রঙ্গিখালীর গহীন অরণ্যে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। অভিযানের ৭২ ঘণ্টা পর হাফিজ উল্লাহকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

অভিযান চলাকালে উদ্ধার করা হয় ১টি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩ রাউন্ড গুলি, র‌্যাবের পোশাক এবং ওয়াকিটকি।

গ্রেফতার সন্ত্রাসী মো. সুমন মুন্সি (৩২), পিতা আকবর আলী মুন্সি, বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ডুমরাকান্দি গ্রামে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ১১টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব আরও জানায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে সন্ত্রাসী দমন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে আরও বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

১৬ জুন, ২০২৫,  12:12 AM

news image

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫ থেকে র‌্যাব পরিচয়ে অপহরণ হওয়া রোহিঙ্গা যুবক হাফিজ উল্লাহকে গহীন পাহাড় থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় বরখাস্ত সেনা সদস্য মো. সুমন মুন্সিকে র‌্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৫ জানায়, গত ১১ জুন রাত ১১টার দিকে ক্যাম্প-১৫ এর বাসিন্দা মো. রহিমুল্লাহর ছেলে হাফিজ উল্লাহকে তার নিজ ঘর থেকে র‌্যাব পরিচয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে। এ অপহরণে সরাসরি জড়িত ছিল তিনজন—সুমন, রাকিব ও শিকদার। তাদের সহযোগিতা করে স্থানীয় এনায়েত উল্লাহ ও নবী হোসেন।

অপহরণের পর ভিকটিমের পরিবারের কাছে অজ্ঞাত স্থান থেকে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। একইসঙ্গে হুমকি দেওয়া হয়—প্রশাসনের সহায়তা নিলে ভিকটিমকে হত্যা করা হবে।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আফ্রিদি ও আব্দুল গফুরকে আটক করা হয়। এরপর মরিচা বাজার এলাকা থেকে অপহরণের মূল হোতা বরখাস্ত সৈনিক মো. সুমন মুন্সিকে গ্রেফতার করা হয়।

পরবর্তীতে শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত র‌্যাব, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ ও বন বিভাগ যৌথভাবে ২৫৬ সদস্যের একটি টিম নিয়ে রঙ্গিখালীর গহীন অরণ্যে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। অভিযানের ৭২ ঘণ্টা পর হাফিজ উল্লাহকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

অভিযান চলাকালে উদ্ধার করা হয় ১টি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩ রাউন্ড গুলি, র‌্যাবের পোশাক এবং ওয়াকিটকি।

গ্রেফতার সন্ত্রাসী মো. সুমন মুন্সি (৩২), পিতা আকবর আলী মুন্সি, বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ডুমরাকান্দি গ্রামে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ১১টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব আরও জানায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে সন্ত্রাসী দমন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে আরও বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।