ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

কুষ্টিয়ার চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ-পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

#
news image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামের মৃত বাদশা শাহের ছেলে বারিক শাহ (৫৫)।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পল্লী চিকিৎসক বারিক শাহ তার স্ত্রীর অসুস্থতার বাহানায় প্রতিবেশীর সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে কলার সঙ্গে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে।  

মেয়েটির জ্ঞান ফেরার পর বাড়িতে পৌঁছে আবার অজ্ঞান হয়ে গেলে বাড়ির লোকজন তাকে কুমার খালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তারা কুমারখালী থানায় জানান এবং থানা পুলিশ নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই শিক্ষার্থীকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা মিললে রাতেই পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়।   কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়।

মো: কামরুজ্জামান (রিপন), কুষ্টিয়া:

১৮ মে, ২০২৫,  1:29 AM

news image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামের মৃত বাদশা শাহের ছেলে বারিক শাহ (৫৫)।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পল্লী চিকিৎসক বারিক শাহ তার স্ত্রীর অসুস্থতার বাহানায় প্রতিবেশীর সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে কলার সঙ্গে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে।  

মেয়েটির জ্ঞান ফেরার পর বাড়িতে পৌঁছে আবার অজ্ঞান হয়ে গেলে বাড়ির লোকজন তাকে কুমার খালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তারা কুমারখালী থানায় জানান এবং থানা পুলিশ নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই শিক্ষার্থীকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা মিললে রাতেই পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়।   কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়।