ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিমলায় জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান, ছাদের পলেস্তরা খসে শিক্ষিকা ও শিশুসন্তান আহত

#
news image

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে এক শিক্ষিকা ও তার নয় মাস বয়সি শিশুসন্তান গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
আহত শিক্ষিকার নাম রেহানা পারভীন (৩২)। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তার ছেলে সাদাত হোসেনের বয়স নয় মাস। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় রেহানা পারভীনকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশু সাদাত হোসেন সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগেও ওই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৮সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর টিনশেড ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) চার কক্ষবিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মাণ করে। তবে ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তারা খসে পড়ছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কর্মকর্তারা বিদ্যালয় পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দিলেও নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, "আজ সকাল দশটার দিকে শিক্ষিকা রেহানা পারভীন অফিস কক্ষে তার সন্তানকে কোলে নিয়ে পরিচর্যা করছিলেন। এ সময় জানালা বন্ধ করতে চেয়ার থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে তার মাথায় পড়ে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। তার নয় মাস বয়সী ছেলেও আঘাত পেয়েছে। এর আগেও পলেস্তারা খসে পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভবনের অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।"

এ বিষয়ে নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুমারেশ চন্দ্র গাছি বলেন, "আমরা খুব শিগগিরই ওই বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব। পরিদর্শনের পর ঝুঁকিপূর্ণ দুটি কক্ষে আপাতত অফিস ও পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।''

নীলফামারী প্রতিনিধি :

২৫ এপ্রিল, ২০২৫,  3:04 AM

news image

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে এক শিক্ষিকা ও তার নয় মাস বয়সি শিশুসন্তান গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
আহত শিক্ষিকার নাম রেহানা পারভীন (৩২)। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তার ছেলে সাদাত হোসেনের বয়স নয় মাস। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় রেহানা পারভীনকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশু সাদাত হোসেন সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগেও ওই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৮সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর টিনশেড ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) চার কক্ষবিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মাণ করে। তবে ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তারা খসে পড়ছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কর্মকর্তারা বিদ্যালয় পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দিলেও নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, "আজ সকাল দশটার দিকে শিক্ষিকা রেহানা পারভীন অফিস কক্ষে তার সন্তানকে কোলে নিয়ে পরিচর্যা করছিলেন। এ সময় জানালা বন্ধ করতে চেয়ার থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে তার মাথায় পড়ে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। তার নয় মাস বয়সী ছেলেও আঘাত পেয়েছে। এর আগেও পলেস্তারা খসে পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভবনের অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।"

এ বিষয়ে নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুমারেশ চন্দ্র গাছি বলেন, "আমরা খুব শিগগিরই ওই বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব। পরিদর্শনের পর ঝুঁকিপূর্ণ দুটি কক্ষে আপাতত অফিস ও পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।''