ঢাকা ০৬ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
শিবগঞ্জ সীমান্তে অভিনব কৌশলে  মাদক পাচার ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে আটক এক বড়লেখায় ঈদ ঘনিয়ে আসায় দর্জিপাড়ায় ব্যস্ততা বগুড়ার উন্নয়নে সকলকে কাঁধেকাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে- বাদশা আবারও জনগণের সেবায় এগিয়ে আসতে চান আছিয়া বেগম কোম্পানীগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটেক্টস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ফরিদপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড "সুপেয় পানিতে বদলাচ্ছে গ্রামের চিত্র" কথা রেখেছেন এমপির ছেলে সৈয়দ সাফকাত নোয়াখালীতে ১০ বছরের শিশুর ৬ মাসে কুরআন হিফজ বড়লেখায় পানির অভাবে বোরো ধানের মাঠ ফেটে চৌচির, শঙ্কায় কৃষক গাইবান্ধায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

নোয়াখালীতে ১০ বছরের শিশুর ৬ মাসে কুরআন হিফজ

#
news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাত্র ১০ বছর বয়সে ছয় মাসে পবিত্র কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে আলোচনায় এসেছে শিশু আবু বকর সিদ্দিক। তার এই অসাধারণ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
 
আবু বকর সিদ্দিক হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরচেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. বেলাল উদ্দিন ও আয়েশা ছিদ্দিকা দম্পতির ছেলে। কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগ থেকে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে সে।
 
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকের পরিবারে কয়েকজন কোরআনের হাফেজ রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই কুরআনের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। ছেলে জন্মের পর থেকেই তাকে কুরআনের হাফেজ বানানোর নিয়ত করেন তার বাবা-মা। সেই লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়।
 
পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মাত্র ছয় মাসে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয় সিদ্দিক।
 
শিশু হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে। মাদরাসার শিক্ষকদের সহযোগিতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণায় নিয়মিত পড়াশোনা করেছে সে। ভবিষ্যতে বড় আলেম ও দেশবরেণ্য হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সিদ্দিক।
 
সিদ্দিকের বাবা মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছেলের মধ্যে কুরআনের প্রতি আগ্রহ দেখেছি। তাই তাকে হিফজ বিভাগে ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যেই সে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। একজন বাবা হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তিনি সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া চান, যাতে ভবিষ্যতে সে একজন যোগ্য আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করতে পারে।
 
দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মুহাম্মদ মুনাওয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় সিদ্দিক দ্রুত কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সে বড় আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করবে।
 
মাদরাসার সহকারী মুহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্দিক খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই সে অল্প সময়ের মধ্যে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
 
 

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

০৫ মার্চ, ২০২৬,  9:59 PM

news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাত্র ১০ বছর বয়সে ছয় মাসে পবিত্র কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে আলোচনায় এসেছে শিশু আবু বকর সিদ্দিক। তার এই অসাধারণ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
 
আবু বকর সিদ্দিক হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরচেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. বেলাল উদ্দিন ও আয়েশা ছিদ্দিকা দম্পতির ছেলে। কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগ থেকে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে সে।
 
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকের পরিবারে কয়েকজন কোরআনের হাফেজ রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই কুরআনের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। ছেলে জন্মের পর থেকেই তাকে কুরআনের হাফেজ বানানোর নিয়ত করেন তার বাবা-মা। সেই লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়।
 
পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মাত্র ছয় মাসে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয় সিদ্দিক।
 
শিশু হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে। মাদরাসার শিক্ষকদের সহযোগিতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণায় নিয়মিত পড়াশোনা করেছে সে। ভবিষ্যতে বড় আলেম ও দেশবরেণ্য হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সিদ্দিক।
 
সিদ্দিকের বাবা মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছেলের মধ্যে কুরআনের প্রতি আগ্রহ দেখেছি। তাই তাকে হিফজ বিভাগে ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যেই সে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। একজন বাবা হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তিনি সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া চান, যাতে ভবিষ্যতে সে একজন যোগ্য আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করতে পারে।
 
দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মুহাম্মদ মুনাওয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় সিদ্দিক দ্রুত কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সে বড় আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করবে।
 
মাদরাসার সহকারী মুহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্দিক খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই সে অল্প সময়ের মধ্যে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।