ঢাকা ৩১ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সকলকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের মহাসমারোহ ফটিকছড়িতে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান – ড. ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী শাহাদাত বার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানার হত্যা মামলায় হবিগঞ্জের ১৫৯ আ’লীগ নেতা আসামী

#
news image

ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় হবিগঞ্জের ১৫৯ জন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীসহ জাতীয় পর্যায়ের ও বিভিন্ন জেলার ৩৫৮ জন আওয়ামীলীগ নেতার নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ২০০০-৩০০০ জনকে আসামি করে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাবেক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী মাহবুব আলী, সাবেক এমপি শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী, এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু, শাহজাহান মিয়া, মহসিন মিয়া, এডভোকেট হেলাল তালুকদার, রাছেল চৌধুরী, শাহীন মহালদার, মুহিবুর রহমান শিপলু, আব্দুল মন্নান খোকন, শেখ ফরিদ আহমেদ, বদরুল আলম, নলিউর রহমান তালুকদার, এডঃ সুলতান আহমেদ, সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ, মশিউর রহমান শামীম, তাজ উদ্দিন তাজ, সোহেল মিয়া, আঃ রব শোভন, শেখ রাকিব, সাইফুল ইসলাম, আলী হোসেন চৌধুরী, আব্দুল হান্নান সরদার, তাজু মিয়া, নজরুল মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, আঃ জলিল, আজগর আলী, ফিরোজ মিয়া, মাহফুজ মিয়া, নিপু দেব, আপন মিয়া, ফোরকান মিয়া, সৈয়দ জুয়েল, আব্দুল জলিল, আব্দুল ওয়াহাব, সাব্বির হোসেন, জাকারিয়া, আঃ হাই, শাহাবুদ্দিন মিয়া, জাকারিয়া চৌধুরী,সালই মিয়া,কাজল মিয়া, এখলাছুর রহমান, সৈয়দ হামিদুর রহমানসহ হবিগঞ্জ জেলার ১৫৯ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়। মামলা নং-৩৪। যাত্রাবাড়ি থানার কাজীরগাঁও ভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুস সামাদের পুত্র মোঃ আব্দুর রহিম বাদি হয়ে গত ১০ মার্চ মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আসামিরা গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বে-আইনীভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এতে তিনি

আহত হন। এসময় হামলাকারীরা তার শ্যালিকা রিপনা খাতুনের স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডের পর থেকে নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রিপনা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এজন্য বাধ্য হয়ে শ্যালিকার পক্ষে তিনি মামলার বাদী হন। এদিকে মামলার ঘটনার পর থেকে জেলায় এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। যাদের নাম আসামী তালিকায় রয়েছে তারা মামলার বিষয়ে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করতে থাকেন। সব মিলিয়ে এ মামলাটি টক অব দ্যা হবিগঞ্জে পরিণত হয়েছে।

মোঃ রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

১২ মার্চ, ২০২৫,  4:01 AM

news image

ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় হবিগঞ্জের ১৫৯ জন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীসহ জাতীয় পর্যায়ের ও বিভিন্ন জেলার ৩৫৮ জন আওয়ামীলীগ নেতার নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ২০০০-৩০০০ জনকে আসামি করে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাবেক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী মাহবুব আলী, সাবেক এমপি শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী, এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু, শাহজাহান মিয়া, মহসিন মিয়া, এডভোকেট হেলাল তালুকদার, রাছেল চৌধুরী, শাহীন মহালদার, মুহিবুর রহমান শিপলু, আব্দুল মন্নান খোকন, শেখ ফরিদ আহমেদ, বদরুল আলম, নলিউর রহমান তালুকদার, এডঃ সুলতান আহমেদ, সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ, মশিউর রহমান শামীম, তাজ উদ্দিন তাজ, সোহেল মিয়া, আঃ রব শোভন, শেখ রাকিব, সাইফুল ইসলাম, আলী হোসেন চৌধুরী, আব্দুল হান্নান সরদার, তাজু মিয়া, নজরুল মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, আঃ জলিল, আজগর আলী, ফিরোজ মিয়া, মাহফুজ মিয়া, নিপু দেব, আপন মিয়া, ফোরকান মিয়া, সৈয়দ জুয়েল, আব্দুল জলিল, আব্দুল ওয়াহাব, সাব্বির হোসেন, জাকারিয়া, আঃ হাই, শাহাবুদ্দিন মিয়া, জাকারিয়া চৌধুরী,সালই মিয়া,কাজল মিয়া, এখলাছুর রহমান, সৈয়দ হামিদুর রহমানসহ হবিগঞ্জ জেলার ১৫৯ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়। মামলা নং-৩৪। যাত্রাবাড়ি থানার কাজীরগাঁও ভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুস সামাদের পুত্র মোঃ আব্দুর রহিম বাদি হয়ে গত ১০ মার্চ মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আসামিরা গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বে-আইনীভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এতে তিনি

আহত হন। এসময় হামলাকারীরা তার শ্যালিকা রিপনা খাতুনের স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডের পর থেকে নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রিপনা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এজন্য বাধ্য হয়ে শ্যালিকার পক্ষে তিনি মামলার বাদী হন। এদিকে মামলার ঘটনার পর থেকে জেলায় এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। যাদের নাম আসামী তালিকায় রয়েছে তারা মামলার বিষয়ে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করতে থাকেন। সব মিলিয়ে এ মামলাটি টক অব দ্যা হবিগঞ্জে পরিণত হয়েছে।