ঢাকা ০৫ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর নোয়াখালী সদরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড জমকালো আয়োজনে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ঈদে যাত্রী সেবার  মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে ডেটা চার্জ ছাড়াই ইমোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বাংলালিংকের গ্রাহকেরা 'চরপার্বতীতে পানের বরজ ভাঙচুরের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ' বড়লেখায় অবৈধ  বালু উত্তোলন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীর সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার বিচার কবে ? কয়রা উপজেলাতে কাবিটা প্রকল্পে দুর্নীতি, তিন লাখ টাকার কাজে ব্যয় মাত্র ৪০ হাজার

নাশকতার মামলায় নেত্রকোনায় ১৩ আ.লীগ নেতা-কর্মী কারাগারে

#
news image

নাশকতার মামলায় বারহাট্টার উপজেলা আওয়ামী লীগের ১৩ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি)  দুপুরে নেত্রকোনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কামাল হোসাইন এই আদেশ দেন। এর আগে হাইকোর্টের আদেশে জামিনে ছিলেন আসামিরা। আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রেমানন্দ চন্দ্র সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে প্রেরণের আদেশপ্রাপ্তদের মধ্যে বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার সাহা সেন্টু, সাহতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান খান সুজাত ও একই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান আংগুর, বাউসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির, বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য পারভেজ মিয়াসহ মামলার ১৩ আসামি রয়েছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, গত ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে স্থানীয় গোপালপুর এলাকার বারহাট্টা-বাউসী সড়কের পাশে মঞ্চ তৈরী করা হয়। ওই মঞ্চ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বিএনপির ডাকা সম্মেলন পন্ড হয়ে যায়। এই অভিযোগে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের ছাদেক মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান লিটন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল কবীর খোকন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাঈনুল হক কাসেমসহ ৫৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৪০ জনকে আসামি করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রেমানন্দ চন্দ্র সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। রোববার সকালের দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা করলে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

২৭ জানুয়ারি, ২০২৫,  4:49 AM

news image

নাশকতার মামলায় বারহাট্টার উপজেলা আওয়ামী লীগের ১৩ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি)  দুপুরে নেত্রকোনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কামাল হোসাইন এই আদেশ দেন। এর আগে হাইকোর্টের আদেশে জামিনে ছিলেন আসামিরা। আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রেমানন্দ চন্দ্র সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে প্রেরণের আদেশপ্রাপ্তদের মধ্যে বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার সাহা সেন্টু, সাহতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান খান সুজাত ও একই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান আংগুর, বাউসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির, বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য পারভেজ মিয়াসহ মামলার ১৩ আসামি রয়েছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, গত ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে স্থানীয় গোপালপুর এলাকার বারহাট্টা-বাউসী সড়কের পাশে মঞ্চ তৈরী করা হয়। ওই মঞ্চ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বিএনপির ডাকা সম্মেলন পন্ড হয়ে যায়। এই অভিযোগে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের ছাদেক মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান লিটন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল কবীর খোকন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাঈনুল হক কাসেমসহ ৫৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৪০ জনকে আসামি করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রেমানন্দ চন্দ্র সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। রোববার সকালের দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা করলে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।