ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঠাকুরগাঁওয়ে তীব্র শীতে দিনের বেলায়ও দেখা মিলছে না সূর্যের

#
news image

ঠাকুরগাঁও জেলায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায়ও সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে রাস্তা-ঘাটে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ। যানবাহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। দিনের আলোতেও বাতি জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে বাধ্য হচ্ছে।

জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতায় শীতের কষ্ট আরও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত সমস্যায় বেশি ভুগছেন। হাসপাতালগুলোতে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বেড়েছে।

গ্রামাঞ্চল এবং শহরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় তাদের দিনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের

নিচে বসবাসরত এবং শ্রমজীবী মানুষরা ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ফাসাডাঙ্গী এলাকার কৃষক আব্দুল্লাহ জানান, রাতে শীতের তীব্রতায় গরম বস্ত্রের অভাব বেশি অনুভূত হচ্ছে। আর দিনে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করা সহজ।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ব্যক্তিরাও উদ্যোগ নিয়ে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে আরও সহায়তা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

২১ জানুয়ারি, ২০২৫,  3:43 AM

news image

ঠাকুরগাঁও জেলায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায়ও সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে রাস্তা-ঘাটে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ। যানবাহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। দিনের আলোতেও বাতি জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে বাধ্য হচ্ছে।

জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতায় শীতের কষ্ট আরও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত সমস্যায় বেশি ভুগছেন। হাসপাতালগুলোতে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বেড়েছে।

গ্রামাঞ্চল এবং শহরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় তাদের দিনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের

নিচে বসবাসরত এবং শ্রমজীবী মানুষরা ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ফাসাডাঙ্গী এলাকার কৃষক আব্দুল্লাহ জানান, রাতে শীতের তীব্রতায় গরম বস্ত্রের অভাব বেশি অনুভূত হচ্ছে। আর দিনে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করা সহজ।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ব্যক্তিরাও উদ্যোগ নিয়ে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে আরও সহায়তা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।