গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে চোলাই মদের বিশাল কারখানা সিলগালা
আমিনুল ইসলাম রবিন :
১৩ জুলাই, ২০২৬, 8:27 PM
গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে চোলাই মদের বিশাল কারখানা সিলগালা
গাজীপুর মহানগরীর সদর থানা এলাকায় একটি অবৈধ চোলাই মদের কারখানায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মদ, মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ) ও বিপুল সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের দিকনির্দেশনায় গতকাল রবিবার (১২ জুলাই) রাত পৌনে ১০টায় সদর থানাধীন দাখিনখান মধ্যপাড়া এলাকায় এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিএমপির গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) সৈয়দ মিজানুর ইসলাম ও এসআই মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম মহানগর এলাকায় মাদক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাই-ডাকাতি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযানে বের হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে, দাখিনখান মধ্যপাড়া এলাকার মোমেন ভূঁইয়ার একটি টিনশেড হাফ-বিল্ডিং ঘরের ভেতর কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে।
পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ডিবি পুলিশের দলটি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই ঘরে আকস্মিক হানা দেয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ঘরটি থেকে মালামাল জব্দ করা হয়, ১২টি ৫ লিটারের প্লাস্টিকের বোতলে ভর্তি মোট ৬০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ।২৯টি নীল রঙের বড় ড্রামে রক্ষিত দেশীয় চোলাই মদ তৈরির তরল উপকরণ (ওয়াশ) মোট ১,৪৫০ লিটার।মদ প্রস্তুত করার কাজে ব্যবহৃত স্টেইনলেস স্টিলের বড় ২টি বিশেষ ট্যাংক (সরঞ্জামাদি)।
ডিবি পুলিশ জানায়, অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে মূল কারবারি মো. কামরুজ্জামান মিরাজ (৩৩) ও মো. রুবেল মিয়া (৩৮) আগেই কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ফলে অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি তাদের গ্রেপ্তারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জিএমপি প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজীপুর মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই নিয়মিত চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আমিনুল ইসলাম রবিন :
১৩ জুলাই, ২০২৬, 8:27 PM
গাজীপুর মহানগরীর সদর থানা এলাকায় একটি অবৈধ চোলাই মদের কারখানায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মদ, মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ) ও বিপুল সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের দিকনির্দেশনায় গতকাল রবিবার (১২ জুলাই) রাত পৌনে ১০টায় সদর থানাধীন দাখিনখান মধ্যপাড়া এলাকায় এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিএমপির গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) সৈয়দ মিজানুর ইসলাম ও এসআই মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম মহানগর এলাকায় মাদক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাই-ডাকাতি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযানে বের হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে, দাখিনখান মধ্যপাড়া এলাকার মোমেন ভূঁইয়ার একটি টিনশেড হাফ-বিল্ডিং ঘরের ভেতর কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে।
পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ডিবি পুলিশের দলটি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই ঘরে আকস্মিক হানা দেয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ঘরটি থেকে মালামাল জব্দ করা হয়, ১২টি ৫ লিটারের প্লাস্টিকের বোতলে ভর্তি মোট ৬০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ।২৯টি নীল রঙের বড় ড্রামে রক্ষিত দেশীয় চোলাই মদ তৈরির তরল উপকরণ (ওয়াশ) মোট ১,৪৫০ লিটার।মদ প্রস্তুত করার কাজে ব্যবহৃত স্টেইনলেস স্টিলের বড় ২টি বিশেষ ট্যাংক (সরঞ্জামাদি)।
ডিবি পুলিশ জানায়, অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে মূল কারবারি মো. কামরুজ্জামান মিরাজ (৩৩) ও মো. রুবেল মিয়া (৩৮) আগেই কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ফলে অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি তাদের গ্রেপ্তারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জিএমপি প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজীপুর মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই নিয়মিত চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে।