ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ফরিদপুরে বিশাল বাড়িতে নিঃসঙ্গ মৃত্যু, শেষ বিদায়েও এলোনা স্বজনেরা

#
news image

ফরিদপুরে তিনতলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ৫৪ বছর বয়সী কোয়েল চৌধুরী নামে একজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষ দেখার জন্য কানাডাপ্রবাসী একমাত্র বোন ও অন্যান্য স্বজনরা কেউ আসেননি । শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে শহরের আলীপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের দিকে সরকারি চাকরিজীবী হাসমত আলী চৌধুরী ও আছিয়া খানম দম্পতি পূর্ব খাবাসপুর এলাকায় চৌধুরী ভিলা নামে ভবনটি কিনে বসবাস শুরু করেন। তাদের মৃত্যুর পর দুই ছেলে বাবু চৌধুরী ও কোয়েল চৌধুরী ওই বাড়িতে বসবাস করেন এবং একমাত্র মেয়ে কানাডায় স্থায়ী হন। দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগলেও শান্ত স্বভাবের ছিলেন এবং একে অপরের সঙ্গেই বেশির ভাগ সময় কাটাতেন।
প্রায় দেড় বছর আগে বড় ভাই বাবু চৌধুরীর মৃত্যু হলে কোয়েল চৌধুরী ওই ফ্ল্যাটে একা হয়ে যান। ভবনের ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত তার খাবারের ব্যবস্থা করতেন, আর প্রতিবেশীরাও খোঁজ-খবর রাখতেন।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে এক ভাড়াটিয়া খাবার দিতে গিয়ে দরজায় সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের জানান। পরে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে কোয়েল চৌধুরীকে উদ্ধার করে। প্রথমে ফরিদপুর সদর হাসপাতাল এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রতিবেশী আশিকুর রহমান খান বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে কানাডাপ্রবাসী বোন ফোনে দাফনের ব্যবস্থা করতে বলেন। অন্য স্বজনদের জানানো হলেও কেউ উপস্থিত হননি। পরে এলাকাবাসীর উদ্যোগে কোয়েল চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত একটি দাবি রয়েছে যে, ছোটোবেলায় বাবা-মা কর্মস্থলে যাওয়ার আগে দুই ভাইকে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খাওয়াতেন, যার প্রভাবেই তাদের মানসিক সমস্যা তৈরি হয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো সরকারি বা চিকিৎসা বিষয়ক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কোয়েল চৌধুরীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

এস.এম আকাশ, ফরিদপুর :

১৩ জুলাই, ২০২৬,  8:21 PM

news image

ফরিদপুরে তিনতলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ৫৪ বছর বয়সী কোয়েল চৌধুরী নামে একজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষ দেখার জন্য কানাডাপ্রবাসী একমাত্র বোন ও অন্যান্য স্বজনরা কেউ আসেননি । শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে শহরের আলীপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের দিকে সরকারি চাকরিজীবী হাসমত আলী চৌধুরী ও আছিয়া খানম দম্পতি পূর্ব খাবাসপুর এলাকায় চৌধুরী ভিলা নামে ভবনটি কিনে বসবাস শুরু করেন। তাদের মৃত্যুর পর দুই ছেলে বাবু চৌধুরী ও কোয়েল চৌধুরী ওই বাড়িতে বসবাস করেন এবং একমাত্র মেয়ে কানাডায় স্থায়ী হন। দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগলেও শান্ত স্বভাবের ছিলেন এবং একে অপরের সঙ্গেই বেশির ভাগ সময় কাটাতেন।
প্রায় দেড় বছর আগে বড় ভাই বাবু চৌধুরীর মৃত্যু হলে কোয়েল চৌধুরী ওই ফ্ল্যাটে একা হয়ে যান। ভবনের ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত তার খাবারের ব্যবস্থা করতেন, আর প্রতিবেশীরাও খোঁজ-খবর রাখতেন।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে এক ভাড়াটিয়া খাবার দিতে গিয়ে দরজায় সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের জানান। পরে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে কোয়েল চৌধুরীকে উদ্ধার করে। প্রথমে ফরিদপুর সদর হাসপাতাল এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রতিবেশী আশিকুর রহমান খান বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে কানাডাপ্রবাসী বোন ফোনে দাফনের ব্যবস্থা করতে বলেন। অন্য স্বজনদের জানানো হলেও কেউ উপস্থিত হননি। পরে এলাকাবাসীর উদ্যোগে কোয়েল চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত একটি দাবি রয়েছে যে, ছোটোবেলায় বাবা-মা কর্মস্থলে যাওয়ার আগে দুই ভাইকে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খাওয়াতেন, যার প্রভাবেই তাদের মানসিক সমস্যা তৈরি হয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো সরকারি বা চিকিৎসা বিষয়ক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কোয়েল চৌধুরীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।