ঢাকা ০১ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল অভিনেতা জাহের আলভী রিমান্ড শেষে কারাগারে দেশে ফিরতে বাধা দিচ্ছে ভেনেজুয়েলা সরকার : মাচাদো জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য ঢাবিতে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণায় এএফএম মেশিনের ব্যবহার নিয়ে প্রশিক্ষণ জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করল ব্রাজিল গণমাধ্যমে তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে মাদ্রাসাছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু, বজ্রপাতে আহত-২  মুন্সীগঞ্জে আধুনিক কৃষি ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

জুলাই আন্দোলনের মামলার আসামি আটক করে ছাড়লো গাছা থানা পুলিশ: নেপথ্যে বিএনপি নেতাদের তদবির !

#
news image

গাজীপুর মহানগরীর গাছা মেট্রো থানায় বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলনের মামলায় অভিযুক্ত এক আসামিকে আটকের পর রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। থানা পুলিশের দাবি, যাচাই-বাছাই ও জামিনের কাগজ দেখে তাকে ছাড়া হয়েছে। তবে মামলার আসামিকে এভাবে ছেড়ে দেওয়া এবং পুলিশের বক্তব্যে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের তদবিরের বিষয়টি উঠে আসায় সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও থানা সূত্র জানায়, গাছা থানার মালেকের বাড়ি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তিকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করে পুলিশ। কিন্তু আটকের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গাছা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আউয়াল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, “তার (আব্দুর রহিম) বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন। এছাড়া তিনি সম্প্রতি বিএনপিতে যোগদান করেছেন। বিভিন্ন নেতাকর্মীর অনুরোধের বিষয়টিও বিবেচনায় এসেছে।” তদন্ত কর্মকর্তার এমন বক্তব্যে স্পষ্ট যে, মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয় নেতাকর্মীদের তদবিরের কারণেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় এনসিপি নেতা আলী নাসের অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে মালেকের বাড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় গাছা থানার একজন এসআই-কে প্রত্যাহার এবং তৎকালীন ওসি-কে ডিবিতে সংযুক্ত করা হয়েছিল। এরপর নতুন ওসি যোগ দিলেও থানার রহস্যজনক ভূমিকা ও আসামিদের প্রতি নমনীয়তা বদলায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থক বা নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিলেও, প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা আসামিদের ক্ষেত্রে গাছা থানা পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে। আন্দোলনের আসামিরা এভাবে পার পেয়ে যাওয়ায় জুলাই বিপ্লবের চেতনা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম রব্বানী বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায় তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। সেই বিবেচনায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
তবে জামিনে থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনের মামলার একজন আসামিকে আটকের পর কেন রাজনৈতিক নেতাদের "অনুরোধ" বা তদবিরে ছাড়তে হলো—সেই প্রশ্নই এখন গাজীপুরজুড়ে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

গাজীপুর প্রতিনিধি :

৩০ জুন, ২০২৬,  8:08 PM

news image

গাজীপুর মহানগরীর গাছা মেট্রো থানায় বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলনের মামলায় অভিযুক্ত এক আসামিকে আটকের পর রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। থানা পুলিশের দাবি, যাচাই-বাছাই ও জামিনের কাগজ দেখে তাকে ছাড়া হয়েছে। তবে মামলার আসামিকে এভাবে ছেড়ে দেওয়া এবং পুলিশের বক্তব্যে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের তদবিরের বিষয়টি উঠে আসায় সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও থানা সূত্র জানায়, গাছা থানার মালেকের বাড়ি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তিকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করে পুলিশ। কিন্তু আটকের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গাছা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আউয়াল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, “তার (আব্দুর রহিম) বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন। এছাড়া তিনি সম্প্রতি বিএনপিতে যোগদান করেছেন। বিভিন্ন নেতাকর্মীর অনুরোধের বিষয়টিও বিবেচনায় এসেছে।” তদন্ত কর্মকর্তার এমন বক্তব্যে স্পষ্ট যে, মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয় নেতাকর্মীদের তদবিরের কারণেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় এনসিপি নেতা আলী নাসের অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে মালেকের বাড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় গাছা থানার একজন এসআই-কে প্রত্যাহার এবং তৎকালীন ওসি-কে ডিবিতে সংযুক্ত করা হয়েছিল। এরপর নতুন ওসি যোগ দিলেও থানার রহস্যজনক ভূমিকা ও আসামিদের প্রতি নমনীয়তা বদলায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থক বা নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিলেও, প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা আসামিদের ক্ষেত্রে গাছা থানা পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে। আন্দোলনের আসামিরা এভাবে পার পেয়ে যাওয়ায় জুলাই বিপ্লবের চেতনা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম রব্বানী বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায় তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। সেই বিবেচনায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
তবে জামিনে থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনের মামলার একজন আসামিকে আটকের পর কেন রাজনৈতিক নেতাদের "অনুরোধ" বা তদবিরে ছাড়তে হলো—সেই প্রশ্নই এখন গাজীপুরজুড়ে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।