ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অব্যবস্থাপনা: অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনবল সংকটে ক্ষুব্ধ রোগীরা
বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:
১৯ জুন, ২০২৬, 6:25 PM
ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অব্যবস্থাপনা: অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনবল সংকটে ক্ষুব্ধ রোগীরা
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অব্যবস্থাপনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, জনবল সংকট এবং দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—একসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মূল্যায়নে দেশের শীর্ষ ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে স্থান পাওয়া এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় পিছিয়ে পড়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা এবং আগের তুলনায় সেবার মানও অনেক কমে গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তীব্র অভাব রয়েছে। এর পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ওয়ার্ড, করিডোর ও বিশেষ করে বাথরুমগুলো দীর্ঘদিন ধরে সঠিকভাবে পরিষ্কার না করায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বাথরুমের পরিবেশ এতটাই অস্বাস্থ্যকর যে সেখানে প্রবেশ করাও কষ্টকর। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় মশার বংশবিস্তার এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এসব সমস্যা নিয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফলে অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে এবং এর খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীদের।
এলাকাবাসীর মতে, অতীতে এই হাসপাতালটিতে রোগীর উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। বিশেষ করে সাবেক কর্মকর্তা ডা. মুস্তাফিজুর রহমান কর্মরত থাকাকালে দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা এখানে উন্নত চিকিৎসা নিতে আসতেন। তবে তাঁর বদলির পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ও তদারকিতে ভাটা পড়েছে এবং রোগীর সংখ্যাও কমে গেছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
হাসপাতালের এই বেহাল দশা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় সচেতন মহল ও সেবাপ্রত্যাশীরা ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বাগেরহাটের সিভিল সার্জনের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি—দ্রুত হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণ করা, নিয়মিত তদারকি বাড়ানো এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:
১৯ জুন, ২০২৬, 6:25 PM
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অব্যবস্থাপনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, জনবল সংকট এবং দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—একসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মূল্যায়নে দেশের শীর্ষ ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে স্থান পাওয়া এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় পিছিয়ে পড়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা এবং আগের তুলনায় সেবার মানও অনেক কমে গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তীব্র অভাব রয়েছে। এর পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ওয়ার্ড, করিডোর ও বিশেষ করে বাথরুমগুলো দীর্ঘদিন ধরে সঠিকভাবে পরিষ্কার না করায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বাথরুমের পরিবেশ এতটাই অস্বাস্থ্যকর যে সেখানে প্রবেশ করাও কষ্টকর। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় মশার বংশবিস্তার এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এসব সমস্যা নিয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফলে অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে এবং এর খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীদের।
এলাকাবাসীর মতে, অতীতে এই হাসপাতালটিতে রোগীর উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। বিশেষ করে সাবেক কর্মকর্তা ডা. মুস্তাফিজুর রহমান কর্মরত থাকাকালে দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা এখানে উন্নত চিকিৎসা নিতে আসতেন। তবে তাঁর বদলির পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ও তদারকিতে ভাটা পড়েছে এবং রোগীর সংখ্যাও কমে গেছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
হাসপাতালের এই বেহাল দশা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় সচেতন মহল ও সেবাপ্রত্যাশীরা ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বাগেরহাটের সিভিল সার্জনের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি—দ্রুত হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণ করা, নিয়মিত তদারকি বাড়ানো এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।