ঢাকা ২০ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, বাস আটক যুদ্ধবিরতির পর লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৮, ট্রাম্পের চুক্তি নিয়ে ক্ষুব্ধ কট্টরপন্থীরা শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান: প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে ফল মেলা: ৩৫ কেজির কাঁঠাল দেখে মন্ত্রীর সন্তোষ, দেশব্যাপী প্রচারের আশ্বাস কৃষ্ণ সাগরে দুটি বেসামরিক জাহাজে রুশ ড্রোন হামলায় হতাহত ৬ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে প্রাথমিক শিক্ষকদের সতর্ক করল অধিদপ্তর, অমান্য করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রথম দল হিসেবে নক আউট পর্বে মেক্সিকো কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু পরিবহনে অতিষ্ঠ জনজীবন: অনিয়ম রুখতে রাজনৈতিক ও সামাজিক তৎপরতা, জনমনে স্বস্তি ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অব্যবস্থাপনা: অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনবল সংকটে ক্ষুব্ধ রোগীরা নৌকায় বসেই গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের সাথে ব্যতিক্রমী বৈঠক

আশুলিয়ায় ইউপি সচিব আফজালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: একাধিকবার সংবাদ প্রকাশের পরও প্রশাসন নীরব

#
news image

ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার নামে বছরের পর বছর ধরে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অদৃশ্য দুর্নীতির সিন্ডিকেট। বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিকবার তার এই দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করা হলেও, অজ্ঞাত খুঁটির জোরে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন এই "মাফিয়া" খ্যাত সচিব। তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ কায়েম সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ সরকারি যেকোনো সেবা নিতে গেলেই সচিব আফজাল হোসেনের সিন্ডিকেটকে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। সরকারি নির্ধারিত ফির তোয়াক্কা না করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই তার প্রধান পেশা। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হয় সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ইয়ারপুর ইউনিয়নে যোগদানের পর থেকেই স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে নিজের একটি শক্তিশালী বলয় তৈরি করেছেন সচিব আফজাল। অনিয়মই যেখানে তার নিয়ম, সেখানে আইনের তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন ভুয়া ভাউচার ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ তাকে আড়ালে 'ইউপি মাফিয়া' বলে সম্বোধন করেন।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই সচিবের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি নিয়ে ইতঃপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক এবং অনলাইন পোর্টালে একাধিকবার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের পর সাধারণ মানুষ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ আশা করলেও, বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। কোনো এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় বারবার পার পেয়ে যাচ্ছেন তিনি। কোনো তদন্ত কমিটি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার দুর্নীতির মাত্রা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সচিবের কাছে আমরা জিম্মি। পেপার্সে সব ঠিক থাকার পরও টাকা ছাড়া কোনো সই হয় না। পত্রিকায় এত নিউজ হলো, তাও তার কিচ্ছু হলো না। আমরা কার কাছে বিচার চাইব ?"

বারবার সংবাদ প্রকাশের পরও দুর্নীতিবাজ এই সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এলাকাবাসীর দাবি, অতি দ্রুত এই দুর্নীতিগ্রস্ত সচিবের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অপসারণ করা হোক এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করা হোক।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:

১৯ জুন, ২০২৬,  5:21 PM

news image

ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার নামে বছরের পর বছর ধরে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অদৃশ্য দুর্নীতির সিন্ডিকেট। বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিকবার তার এই দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করা হলেও, অজ্ঞাত খুঁটির জোরে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন এই "মাফিয়া" খ্যাত সচিব। তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ কায়েম সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ সরকারি যেকোনো সেবা নিতে গেলেই সচিব আফজাল হোসেনের সিন্ডিকেটকে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। সরকারি নির্ধারিত ফির তোয়াক্কা না করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই তার প্রধান পেশা। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হয় সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ইয়ারপুর ইউনিয়নে যোগদানের পর থেকেই স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে নিজের একটি শক্তিশালী বলয় তৈরি করেছেন সচিব আফজাল। অনিয়মই যেখানে তার নিয়ম, সেখানে আইনের তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন ভুয়া ভাউচার ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ তাকে আড়ালে 'ইউপি মাফিয়া' বলে সম্বোধন করেন।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই সচিবের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি নিয়ে ইতঃপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক এবং অনলাইন পোর্টালে একাধিকবার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের পর সাধারণ মানুষ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ আশা করলেও, বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। কোনো এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় বারবার পার পেয়ে যাচ্ছেন তিনি। কোনো তদন্ত কমিটি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার দুর্নীতির মাত্রা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সচিবের কাছে আমরা জিম্মি। পেপার্সে সব ঠিক থাকার পরও টাকা ছাড়া কোনো সই হয় না। পত্রিকায় এত নিউজ হলো, তাও তার কিচ্ছু হলো না। আমরা কার কাছে বিচার চাইব ?"

বারবার সংবাদ প্রকাশের পরও দুর্নীতিবাজ এই সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এলাকাবাসীর দাবি, অতি দ্রুত এই দুর্নীতিগ্রস্ত সচিবের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অপসারণ করা হোক এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করা হোক।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।