জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৮ জুন, ২০২৬, 10:08 PM
জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ
জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১১টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে।
এই সিরিজ দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে সর্বশেষ ঘরের মাঠে অসিদের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছিল টাইগাররা। তিন ম্যাচের ঐ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ।
পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ানডে ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ২২বারের দেখায় মাত্র একবার জয় পেয়েছে টাইগাররা। সেই জয়ও এসেছে ২১ বছর আগে। ২০০৫ সালে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কার্ডিফে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ১০১ বলে ১১টি চারে ১০০ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেছিলেন অ্যাশ। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আশরাফুল।
এবার ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে থাকার সুবাদে আত্মবিশ্বাসের সাথে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। গেল ছয় মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।
সিরিজ জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণেরও সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি এই সিরিজকে আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘অনেক দিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ওডিআই সিরিজ খেলতে যাচ্ছি। দল হিসেবে আমরা সবাই এই সিরিজ নিয়ে খুব উত্তেজিত এবং অধিনায়ক হিসেবে আমিও খুব উত্তেজিত। আমরা যদি ভালোভাবে শুরু করতে পারি, তবে সেটি দলের জন্য ইতিবাচক হবে। কারণ প্রতিটি ম্যাচই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা খুবই সহজ। ভালো ক্রিকেট খেলা এবং ম্যাচ জেতা।’
এই সিরিজের জন্য থাকছে সবুজ উইকেট। যা পেসারদের সহায়তা করবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজেও পেসাররা সহায়তা পেয়েছিল। ঐ সিরিজের ম্যাচ দেখেছেন বলে জানান অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিশ। তিনি বলেন, ‘এখানে অনুষ্ঠিত নিউজিল্যান্ড সিরিজ আমরা দেখেছি। উইকেটে ঘাস কিছুটা বেশি ছিল এবং নতুন বল সুইং করছিল। এটিকে স্পিন-নির্ভর না হয়ে বরং পেস বান্ধব বেশি মনে হয়েছে। আমরা বিষয়টি বিবেচনায় রাখব, তবে আমরা যেকোন কিছুর জন্য প্রস্তুত।’
নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডকে ছাড়াই ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। তাদের অনুপস্থিতি অনুভব করলেও, আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে তরুণ ক্রিকেটারদের পরখ করে নেওয়ার জন্য এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন ইংলিশ।
তিনি বলেন, ‘যখনই আপনি মার্শ এবং হেডকে দল থেকে বাদ দেবেন, আপনি কিছু একটা হারাবেন। কারণ তারা খুবই ভালো খেলোয়াড়। কিন্তু কিছু তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য এই ধরনের পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞতা অর্জন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিভিন্ন কম্বিনেশন পরখ করে দেখাটা জরুরি।’
ঘরের মাঠে খেলার সুবাদে বাংলাদেশের বোলাররা সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে। এমনটাই ভালোই জানেন ইংলিশ। পাশাপাশি নিজ দলের পেসারদের উপরও আস্থা আছে তার। ইংলিশ বলেন, ‘আমাদের দল থেকে কিছু বড় খেলোড়ের নাম বাদ দিলেও, ন্যাথান এলিস-জেভিয়ার বার্টলেট এবং বেন ডোয়ারশাইসের মতো খেলোয়াড়রা বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তারা দারুণ বোলার এবং এই সিরিজে তারা কী করতে পারে সেটি দেখার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি।’
২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার। মিডল অর্ডার ব্যাটার মিচেল মার্শের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৩০৭ রানের টার্গেট স্পর্শ করে জয় পায় অসিরা। ১৩২ বলে অনবদ্য ১৭৭ রান করেছিলেন মার্শ।
নিজেদের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সদ্য পাকিস্তানের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।
ব্যক্তিগত মাইলফলকের ওয়ানডেতে ২ হাজার রানের ক্লাবে নাম লেখানোর দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। এজন্য ৮৬ রান দরকার তার।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার লেগ-স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ২শ উইকেট থেকে তিনটি দূরে রয়েছেন। তাহলেই অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ২শ উইকেট শিকারের মালিক হবেন তিনি।
প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশ দল : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়া দল : জশ ইংলিশ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডোয়ারর্শিষ, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, ম্যাট রেনশ, তানভির সাঙ্ঘা, লিয়াম স্কট, অ্যাডাম জ্যাম্পা।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৮ জুন, ২০২৬, 10:08 PM
জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১১টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে।
এই সিরিজ দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে সর্বশেষ ঘরের মাঠে অসিদের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছিল টাইগাররা। তিন ম্যাচের ঐ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ।
পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ানডে ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ২২বারের দেখায় মাত্র একবার জয় পেয়েছে টাইগাররা। সেই জয়ও এসেছে ২১ বছর আগে। ২০০৫ সালে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কার্ডিফে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ১০১ বলে ১১টি চারে ১০০ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেছিলেন অ্যাশ। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আশরাফুল।
এবার ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে থাকার সুবাদে আত্মবিশ্বাসের সাথে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। গেল ছয় মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।
সিরিজ জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণেরও সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি এই সিরিজকে আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘অনেক দিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ওডিআই সিরিজ খেলতে যাচ্ছি। দল হিসেবে আমরা সবাই এই সিরিজ নিয়ে খুব উত্তেজিত এবং অধিনায়ক হিসেবে আমিও খুব উত্তেজিত। আমরা যদি ভালোভাবে শুরু করতে পারি, তবে সেটি দলের জন্য ইতিবাচক হবে। কারণ প্রতিটি ম্যাচই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা খুবই সহজ। ভালো ক্রিকেট খেলা এবং ম্যাচ জেতা।’
এই সিরিজের জন্য থাকছে সবুজ উইকেট। যা পেসারদের সহায়তা করবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজেও পেসাররা সহায়তা পেয়েছিল। ঐ সিরিজের ম্যাচ দেখেছেন বলে জানান অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিশ। তিনি বলেন, ‘এখানে অনুষ্ঠিত নিউজিল্যান্ড সিরিজ আমরা দেখেছি। উইকেটে ঘাস কিছুটা বেশি ছিল এবং নতুন বল সুইং করছিল। এটিকে স্পিন-নির্ভর না হয়ে বরং পেস বান্ধব বেশি মনে হয়েছে। আমরা বিষয়টি বিবেচনায় রাখব, তবে আমরা যেকোন কিছুর জন্য প্রস্তুত।’
নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডকে ছাড়াই ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। তাদের অনুপস্থিতি অনুভব করলেও, আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে তরুণ ক্রিকেটারদের পরখ করে নেওয়ার জন্য এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন ইংলিশ।
তিনি বলেন, ‘যখনই আপনি মার্শ এবং হেডকে দল থেকে বাদ দেবেন, আপনি কিছু একটা হারাবেন। কারণ তারা খুবই ভালো খেলোয়াড়। কিন্তু কিছু তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য এই ধরনের পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞতা অর্জন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিভিন্ন কম্বিনেশন পরখ করে দেখাটা জরুরি।’
ঘরের মাঠে খেলার সুবাদে বাংলাদেশের বোলাররা সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে। এমনটাই ভালোই জানেন ইংলিশ। পাশাপাশি নিজ দলের পেসারদের উপরও আস্থা আছে তার। ইংলিশ বলেন, ‘আমাদের দল থেকে কিছু বড় খেলোড়ের নাম বাদ দিলেও, ন্যাথান এলিস-জেভিয়ার বার্টলেট এবং বেন ডোয়ারশাইসের মতো খেলোয়াড়রা বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তারা দারুণ বোলার এবং এই সিরিজে তারা কী করতে পারে সেটি দেখার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি।’
২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার। মিডল অর্ডার ব্যাটার মিচেল মার্শের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৩০৭ রানের টার্গেট স্পর্শ করে জয় পায় অসিরা। ১৩২ বলে অনবদ্য ১৭৭ রান করেছিলেন মার্শ।
নিজেদের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সদ্য পাকিস্তানের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।
ব্যক্তিগত মাইলফলকের ওয়ানডেতে ২ হাজার রানের ক্লাবে নাম লেখানোর দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। এজন্য ৮৬ রান দরকার তার।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার লেগ-স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ২শ উইকেট থেকে তিনটি দূরে রয়েছেন। তাহলেই অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ২শ উইকেট শিকারের মালিক হবেন তিনি।
প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশ দল : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়া দল : জশ ইংলিশ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডোয়ারর্শিষ, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, ম্যাট রেনশ, তানভির সাঙ্ঘা, লিয়াম স্কট, অ্যাডাম জ্যাম্পা।